বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে আজাদি ও গোলামির ফয়সালার দিন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি।” চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাজির অবসান ঘটাতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মতো এবার ব্যালটের মাধ্যমে আরেকটি বিপ্লব ঘটাতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে […]

হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি : ডা. শফিকুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩১

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে আজাদি ও গোলামির ফয়সালার দিন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি।” চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাজির অবসান ঘটাতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মতো এবার ব্যালটের মাধ্যমে আরেকটি বিপ্লব ঘটাতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের আগস্টের আন্দোলন ছিল বুলেটের বিরুদ্ধে। আর ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া, আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তি এবং বস্তাপচা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ব্যবস্থাকে চূর্ণ করার ব্যালট বিপ্লব।

তিনি বলেন, ভোটের দিন বুথে ঢুকে প্রথম ভোটটি শক্ত করে দিতে হবে ‘হ্যাঁ’-তে। ‘হ্যাঁ’ জিতলে বাংলাদেশ জিতবে, ফ্যাসিবাদ আর ফিরতে পারবে না, আর দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কবর রচিত হবে। ‘হ্যাঁ’ হারলে বাংলাদেশই হারবে। সেদিন দুটি ভোট হবে—একটি সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’, আরেকটি পরিবর্তনের বাংলাদেশের পক্ষে।

তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ১১ দল একত্রিত হয়ে ২২টি হাত এক করেছে; দেশের আপামর জনগণও এই ঐক্যে শামিল হয়েছে। তাদের অবস্থান স্পষ্ট—দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, নারীর ইজ্জত লুণ্ঠনকারী, শিশু ও বৃদ্ধদের অবহেলাকারী এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে চিরতরে লালকার্ড।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, কিছু এলাকায় পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১১ দলের পক্ষে কাজ করা মা-বোনদের হয়রানি ও অশোভন আচরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জামায়াতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন নেই; উত্তেজনা না ছড়িয়ে যুক্তি ও কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ফ্যাসিবাদী চেহারা নিয়ে সামনে আসে, তবে ৫ আগস্ট যেমন লালকার্ড দেখানো হয়েছিল, ১২ তারিখেও তেমন লালকার্ড দেখানো হবে। যুবসমাজ আর বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চায় না। ৫৪ বছরের যে রাজনীতি দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে এবং পরনির্ভরশীল করেছে, সেই রাজনীতি তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। আবু সাঈদ ও আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের রক্ত দেশবাসীর কাছে আমানত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আমীরে জামায়াত বলেন, পুরোনো ও নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুবসমাজ আজ ঐক্যবদ্ধ—দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্বাচনই তার প্রমাণ। তিনি বলেন, যারা দিশেহারা হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের জবাব দেওয়ার সময় নেই; জনগণের সামনে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য।

দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে নিজেদের দেশের সেবক হিসেবে কাজ করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের সম্পদ লাফিয়ে বাড়তে দেওয়া হবে না। জনপ্রতিনিধিদের নিজেদের ও পরিবারের সম্পদের হিসাব প্রতিবছর জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে এবং উন্নয়ন ব্যয়ের হিসাবও জনগণকে জানাতে হবে। উন্নয়ন হবে জনগণের সঙ্গে আলোচনা করে—উপর থেকে চাপিয়ে নয়।

যুবসমাজকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, বেকারভাতা নয়—তাদের দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ৩, ৬, ৯ মাস ও এক বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ সরকারি খরচে দেওয়া হবে। মেয়েদের উচ্চশিক্ষার ব্যয়ভার সরকার বহন করবে এবং ঘরে-বাইরে ও কর্মস্থলে নারীদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

শেষে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি নীতির খেলা—নীতি নিয়ে আসবে রাজনৈতিক দল, সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ। তিনি তিনটি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন—দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, সবার জন্য ন্যায়বিচার এবং জনগণের চাওয়া অনুযায়ী বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। দেশ বদলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭