মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

খালিদুজ্জামানের ডিগ্রি নিয়ে মুখ খুললেন ডা. মৃণাল

ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি বিষয়ে বিদেশে অর্জিত ডিগ্রি নিয়ে চলমান বিতর্ককে কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যতিক্রমী ঘটনা নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশের প্রখ্যাত বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডা. মৃণাল কুমার সরকার। তার মতে, এটি মূলত আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর প্রস্তুতির ঘাটতির প্রতিফলন। সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) কর্তৃক ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের ক্লিনিক্যাল […]

খালিদুজ্জামানের ডিগ্রি নিয়ে মুখ খুললেন ডা. মৃণাল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:৫৫

ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি বিষয়ে বিদেশে অর্জিত ডিগ্রি নিয়ে চলমান বিতর্ককে কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যতিক্রমী ঘটনা নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশের প্রখ্যাত বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডা. মৃণাল কুমার সরকার। তার মতে, এটি মূলত আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর প্রস্তুতির ঘাটতির প্রতিফলন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) কর্তৃক ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি ডিগ্রি নিয়ে শোকজ নোটিশ জারির পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।

এ প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন এভারকেয়ার ফার্টিলিটি সেন্টার-এর কো-অর্ডিনেটর ডা. মৃণাল কুমার সরকার, যিনি বাংলাদেশে আইভিএফ ও এআরটি চিকিৎসা পদ্ধতির অন্যতম অগ্রদূত।

ডা. মৃণাল কুমার সরকার বলেন, ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ও ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত বিশেষায়িত মেডিকেল সাবস্পেশালিটি। অথচ বাংলাদেশে এই ডিগ্রিকে ‘অজানা’ হিসেবে বিবেচনা করাই মূল বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়, “সমস্যার মূল জায়গা ছিল—বিএমডিসি তখন এই ডিগ্রিটির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত ছিল না। তারা জানতে চেয়েছিল, এটি কী ধরনের ডিগ্রি এবং এর কাজের পরিধি কী।”

তিনি বলেন, বিষয়টি তুলনামূলকভাবে নতুন হওয়ায় নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এটি বিদ্যমান কাঠামোর কোন ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পাবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণার অভাব ছিল। তবে ডিগ্রিটির স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

ডা. মৃণাল কুমার সরকার বলেন, অধ্যাপক টি. এ. চৌধুরী এবং অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনিকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি)-এর মাধ্যমে বিএমডিসিতে বিষয়টি স্বীকৃত করার চেষ্টা করা হয়।

এমনকি ডা. খালিদুজ্জামানকে কোনো পদে পদায়নের আগেই ডিগ্রিটিকে বিএমডিসির আওতায় আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অপরিচিত হওয়ায় নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় কর্তৃপক্ষ।

তার মতে, এটি কোনো একক ব্যক্তিকে ঘিরে সৃষ্ট সমস্যা নয়; বরং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির তুলনায় দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রস্তুতির ঘাটতির একটি উদাহরণ। তিনি বলেন, “ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি বিশ্বে সুপ্রতিষ্ঠিত একটি সাবস্পেশালিটি হলেও আমাদের দেশে এটিকে ‘আননোন’ হিসেবে দেখা হয়েছে—এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।”

ডা. মৃণাল কুমার সরকার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বে প্রচলিত ও প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা শাখাগুলো সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিতর্ক তৈরি হতে পারে। তার মতে, কোনো ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সেটি যাচাই করে নীতিগত সমাধানের পথ খোঁজা উচিত ছিল। কিন্তু বিষয়টি পুরোপুরি না বুঝেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক ও উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের আপডেটেড দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে।

শেষে ডা. মৃণাল কুমার সরকার আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এ ধরনের বিশেষায়িত শাখা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্পষ্টতা আসবে। যোগ্য ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকেরা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যুক্ত হলে এসব ডিগ্রির প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহারিক গুরুত্ব বোঝানো সহজ হবে এবং এ ধরনের বিভ্রান্তির পুনরাবৃত্তি আর ঘটবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪