রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সাবেক মন্ত্রী কায়কোবাদকে জড়িয়ে আসিফের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মুরাদনগরে ঝাড়ু মিছিল

বিএনপি ও মুরাদনগরের জনপ্রিয় জননন্দিত সাবেক ৫ বারের এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে জড়িয়ে দূর্নীতিবাজ ও বিতর্কিত সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ কতৃক কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য,মিথ্যাচার ও আওয়ামী লীগের সাথে সুর মিলিয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ব্যানারে মুরাদনগর উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মুরাদনগরের সর্বস্তরের জনগণ। 

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:৩৫

রবিউল আলম, কুমিল্লা

বিএনপি ও মুরাদনগরের জনপ্রিয় জননন্দিত সাবেক ৫ বারের এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে জড়িয়ে দূর্নীতিবাজ ও বিতর্কিত সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ কতৃক কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য,মিথ্যাচার ও আওয়ামী লীগের সাথে সুর মিলিয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ব্যানারে মুরাদনগর উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মুরাদনগরের সর্বস্তরের জনগণ। 

৭ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ মার্কেট থেকে ঝাড়ু হাতে নিয়ে হাজার হাজার নারী পুরুষ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ ও জামায়াতে ইসলামীর বট বাহিনীকে ঝাড়ু মারো তালে তালে স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা চত্বর ও থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে।

মুরাদনগরের সাবেক জনপ্রিয় এমপি ও মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে নিয়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়ার মিথ্যাচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে ফুঁসে ওঠেছে মুরাদনগরের মানুষ। ঝাড়ু হাতে আসিফকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে মিছিলে নারী পুরুষ তরুনের পাশাপাশি আলেম ওলামা ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুন তরুনীরাও এ বিক্ষোভে অংশগ্রহন করেন।

হাজার হাজার মানুষের একটাই স্লোগান ও দাবি একাত্তরের ঘাতক জামায়াতে ইসলামী ও দূর্নীতিবাজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া নির্বাচন বানচাল ও জনপ্রিয় জননেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে জড়িয়ে যে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করেছে অবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।

বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা নাহিদুল ইসলাম নাহিদ বলেন – আমরা জুলাই আগষ্টে আন্দোলন করেছিলাম নতুন এক বাংলাদেশ পাব বলে। অথচ আমাদের রক্তের উপর ক্ষমতায় গিয়ে আসিফ মাহমুদ দূর্নীতি করে আমাদেরকে কলংকিত করেছে। আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে মুরাদনগরে ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছিল। এখন আবার নিজের দূর্নীতি আড়াল করতে মুরাদনগরের জনপ্রিয় নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করছে । 

সাবেক মেম্বার ছিনু আক্তার বলেন- আসিফ দূর্নীতিবাজ এ জন্য নির্বাচনে প্রার্থী হয়নি। সৎ সাহস থাকলে ভোটের মাধ্যমে লড়াই করত। ঢাকায় বসে ষড়যন্ত্র করত না। আমরা মুরাদনগরের মানুষ তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলাম। আমরা শোনতে পাচ্ছি খুনিরা আবারো সোচ্চার! ওরা আমাদের মুরাদনগরের অভিভাবক কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। হুশিয়ার করে বলে দিচ্ছি দাদার উপর কোন রকম হামলার চেষ্টা করা হলে সারা মুরাদনগরে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এডভোকেট তৌহিদুর রহমান বলেন- কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের মত জনপ্রিয় ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আসিফ মাহমুদের দেওয়া বক্তব্য কোন রেফারেন্স ছাড়া, কোন ব্যাংকের ঋণখেলাপী তাও উল্লেখ করেনি। এমন একজন ব্যাক্তি উপদেষ্টা ছিল ভাবতেও রুচিতে বাঁধে। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নতুন না। আওয়ামী লীগ বহু ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে অভ্যস্ত। ইনশাআল্লাহ রাজাকার ও নব্য ফ্যাসিস্টদের ষড়যন্ত্রও নাসাৎ হয়ে যাবে। 

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভুইয়া বলেন -মুরাদনগরের জননন্দিত নেতা সাধারণ মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ টানা ১৩ বছর বিদেশে অবস্থান করতে বাধ্য হন। কারণ মুরাদনগরে তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল প্রশ্নাতীত। তিনি এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছিলেন, যার ফলশ্রুতিতে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র শুরু হয়।

এক পর্যায়ে তাঁকে ব্রিকস ফিল্ডে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনাও করা হয়। সেই ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হয়ে ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন শেখ হাসিনার সহায়তায় তাঁকে ২১ আগস্টের মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর দেশে ফিরে আসার পরও তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি।

বর্তমানে এক নব্য ফ্যাসিস্ট ও দুর্নীতিবাজ আসিফ মাহমুদ নিজের অপকর্ম ঢাকতে কায়কোবাদের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। সে যদি সত্যিই বিপ্লবী হতো, তাহলে কখনো দুর্নীতিতে জড়াত না। গতকাল আসিফ মাহমুদ এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে একটি মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে কায়কোবাদকে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অপবাদে জড়ানোর অপচেষ্টা চালিয়েছে।

আসিফ মাহমুদের বাবা একজন দুর্নীতিবাজ, এবং সে নিজেও একজন দুর্নীতিবাজ। তাদের কাছ থেকে মুরাদনগরবাসী কখনো ভালো কিছু আশা করতে পারে না। ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন আটকে রেখে যেভাবে সে দুর্নীতিতে জড়িয়েছিল, এখনো ঠিক সেভাবেই নানা ষড়যন্ত্র করে নিজের দুর্নীতি আড়াল করার চেষ্টা করছে।

আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই, আসিফ মাহমুদকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে তাঁর যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হোক।

আসিফ মাহমুদের সঙ্গে যোগ দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ইউসুফ সোহেল কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নেমেছে। গত ১৭ বছরে ইউসুফ সোহেলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি, যা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। সে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের সঙ্গে আঁতাত করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিশে ছিল। এখনো গোপনে তাদের সঙ্গে বৈঠক করে যাচ্ছে।

গতকাল সে দেবিদ্বারের হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করে কায়কোবাদের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করেছে।

শেষে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, কায়কোবাদের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র হলে মুরাদনগরের বিএনপি ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৮

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৮
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৮

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৩