মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এখানে ধানের শীষ ও খেজুর গাছ একাকার, খেজুর গাছের মধ্যেই ধানের শীষ খুঁজে নিতে হবে : মনির হোসাইন কাসেমী

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেছেন, আমি বিএনপির প্রার্থী, জমিয়তে ইসলামের প্রার্থী। বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। এখানে ধানের শীষ ও খেজুর গাছ একাকার। খেজুর গাছের মধ্যেই ধানের শীষ খুঁজে নিতে হবে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ফতুল্লা থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:০৯

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেছেন, আমি বিএনপির প্রার্থী, জমিয়তে ইসলামের প্রার্থী। বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। এখানে ধানের শীষ ও খেজুর গাছ একাকার। খেজুর গাছের মধ্যেই ধানের শীষ খুঁজে নিতে হবে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ফতুল্লা থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদারের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান।

মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা আর আমি একই আদর্শের সৈনিক। আমি ইসলামের আদর্শে বিশ্বাসী, আল্লাহর ওপর বিশ্বাসী। বিএনপিও একই ধারায় বিশ্বাসী। সে কারণেই আলেম-ওলামারা বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছেন। আমরা বিএনপির সঙ্গে একাকার হয়ে আছি।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশেই আমি এখানে এসেছি। তাই আমি বিশ্বাস করি, আপনারা ১২ তারিখে খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবেন। এখানে ভিন্ন কিছু ভাবার সুযোগ নেই।

সভায় নেতাকর্মীদের দাবির মুখে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার প্রসঙ্গে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেন, আজকের এই উপস্থিতিই প্রমাণ করে তিনি কতটা জনপ্রিয়। আমি বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনা করব।

সভাপতির বক্তব্যে রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, দলের দুঃসময়ে ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমি জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছি। নানা ভয়ভীতি উপেক্ষা করে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত মাঠে ছিলাম। এবারও বিএনপি জোট থেকে নির্বাচন করছি।

তিনি বলেন, মনির হোসেন কাসেমী মানেই ধানের শীষ, মনির হোসেন কাসেমী মানেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনীত প্রার্থী। হাসিনা সরকারের পতন হলেও এখনও পূর্ণ স্বাধীনতা আসেনি। তাই আগামী নির্বাচনে মনির হোসেন কাসেমীকে নির্বাচিত করতে হবে।”

দলীয় শৃঙ্খলার বিষয়ে রিয়াদ আরও বলেন, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। ১৭ বছর ধরে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। এখন দলের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। মুফতি মনির হোসেন কাসেমীই বিএনপির প্রার্থী। দলের বাইরে গিয়ে কেউ কিছু করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধান বক্তা মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান বলেন, অনেকে বলছেন স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন। ভুল করবেন না। মনির হোসাইন কাসেমীকে ছোট খেলোয়াড় ভাববেন না। তিনি ২০১৮ সালে যেভাবে মনোনয়ন এনেছিলেন, এবারও সেভাবেই এনেছেন। বিএনপি তাকে মূল্যায়ন করেছে। তার প্রতীক কী-তা নিয়ে ভাবার সময় নেই।

সভায় আরও বক্তব্য দেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহসভাপতি সুমন আকবর, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সাগর সিদ্দিকী, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন রবিন, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল খালেক টিপু, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন, কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আরমান, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক শাহ আলম পাটোয়ারী, তাঁতি দলের সভাপতি ইউনুস মাস্টারসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক মিলন ঢালী, কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোসলেম উদ্দিন মুসা, সদস্য সচিব সুমন, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম ইব্রাহিম, তাতি দলের সদস্য সচিব ইমনসহ ফতুল্লা থানা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৮

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৮

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৮

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৮