মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিচ্ছে জাতীয় পার্টি, প্রস্তুতি চলছে দ্রুতগতিতে

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে জাতীয় পার্টির জি এম কাদের নেতৃত্বাধীন অংশ। দলীয় সূত্র বলছে, এবার জাপা পুরো ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুধু তাই নয়—রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই ও চূড়ান্ত তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘জাপা চমক’ নিয়েও জোর গুঞ্জন চলছে। রবিবার […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪৭

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে জাতীয় পার্টির জি এম কাদের নেতৃত্বাধীন অংশ। দলীয় সূত্র বলছে, এবার জাপা পুরো ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুধু তাই নয়—রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই ও চূড়ান্ত তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘জাপা চমক’ নিয়েও জোর গুঞ্জন চলছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) রাতে জি এম কাদেরের অংশের এক কো-চেয়ারম্যান ও তিনজন প্রেসিডিয়াম সদস্য নিশ্চিত করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভোটে অংশগ্রহণ ও সাংগঠনিক বিস্তার নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে টানা বৈঠক চলছে। রংপুরের শীর্ষ নেতাদের ঢাকায় ডেকে এনে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করতে বলা হয়েছে।

দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর জেলার আহ্বায়ক আজমল হোসেন জানান, জাপা ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে এবং রংপুর-৩ আসনে নির্বাচন করবেন জি এম কাদের। গাইবান্ধা–১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি বলেন, “রংপুরে ২২টি আসন একসময় জাপার ছিল, এবার তার বড় অংশ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে আমরা মাঠে নামছি।”

নেতারা জানান, রংপুর বিভাগের ছয়টি আসনে দুটোতে নতুন মুখ প্রার্থী হতে যাচ্ছেন। এর মধ্যে রংপুর-১ আসনে জনপ্রিয় এক ব্যারিস্টারকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও সিলেটেও ‘গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী’ প্রার্থী রাখা হবে। কয়েকটি আসনে প্রার্থী চূড়ান্তও হয়েছে।

জাপার রংপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির বলেন, “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। নির্বাচনি প্রচারণার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কমিশনকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা বা নিষেধাজ্ঞা নেই।”

অপরদিকে তফসিল ঘোষণার আগেই ‘চমক’ দেখানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন দলের এক প্রেসিডিয়াম সদস্য। তাঁর ভাষায়, “সাবেক সরকারি কর্মকর্তাসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জাতীয় পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন। তারা নির্বাচনে জাপার হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।”

এদিকে একাংশের জাপা চেয়ার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জোটের সম্ভাব্য নাম ‘জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট’ এবং মুখপাত্র থাকছেন এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। গুলশানে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

সব মিলিয়ে, জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই জাতীয় পার্টির ভেতরে দ্রুতগতির রাজনৈতিক সমীকরণ, জোট-সংকেত ও প্রার্থী চূড়ান্তকরণ দেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫