শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পেট জোড়া লাগানো ২ শিশুকে দেখতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, চিকিৎসা শুরু সরকারি খরচে

কুষ্টিয়ার পেট জোড়া লাগানো দুই শিশুকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। একই সঙ্গে শিশু দুটিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করার চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তাদের চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু দুটিকে দেখতে যান তিনি। জানা […]

পেট জোড়া লাগানো ২ শিশুকে দেখতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, চিকিৎসা শুরু সরকারি খরচে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪১

কুষ্টিয়ার পেট জোড়া লাগানো দুই শিশুকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। একই সঙ্গে শিশু দুটিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করার চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তাদের চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু দুটিকে দেখতে যান তিনি।

জানা গেছে, ৯৬ দিন আগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পেট জোড়া লাগানো অবস্থায় জন্ম নেয় শিশু দুটি। চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পারায় পরে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। এরপর বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন শিশু দুটির বাবা নাহিদ হোসেনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন এবং তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা কুষ্টিয়া থেকে শিশু দুটিকে ঢাকায় নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে শিশু দুটিকে দেখে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “পত্রিকায় এসেছে, একটা গরিব বাবা-মার দুইটা জোড়া লাগা মেয়ে সন্তান হয়েছে এবং পরবর্তী পর্যায়ে তাদের চিকিৎসা করার মতো খরচ বহন করতে পারছিল না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গতকাল তাদের বাবার সঙ্গে আমি টেলিফোনে যোগাযোগ করি এবং এখানে নিয়ে আসতে বলি।”

তিনি বলেন, “আমার সেই অনুরোধে এখানে নিয়ে এসেছে এবং আমি তাদের আশ্বস্ত করেছি যে, ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা করাবো। আমাদের যত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন, প্রয়োজনে বাইরে থেকে চিকিৎসক নিয়ে বোর্ড গঠন করে বাচ্চা দুইটাকে আমরা চিকিৎসাসেবা দেব, যাতে করে আল্লাহ শিশু দুটিকে বাঁচিয়ে রাখেন।”

শিশু দুটির খাবার ও চিকিৎসার ব্যয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শিশু দুটি খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। আমরা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখব এবং চিকিৎসার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

এ সময় শিশু দুটির পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তাও তুলে দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

শিশু দুটির বাবা নাহিদ হোসেন জানান, জন্মের পর থেকেই তার সন্তানরা গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও দুধের খরচ বহন করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, বিষয়টি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নজরে এলে তারা বাড়িতে গিয়ে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে সংবাদ প্রকাশ করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সেই খবর প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরাসরি ফোনে নাহিদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলেন এবং শিশু দুটির চিকিৎসার সব দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন। সরকারের এ উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে শিশ দুটির পরিবার।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর শিশু দুটিকে পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাদের আলাদা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।