রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

চুয়াডাঙ্গায় ১৪ বছর পর খোলা আকাশের নিচে জেলা বিএনপির সম্মেলন

জনি আহমেদ-(চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি): আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, বিএনপি যে নতুন রুপে সম্মেলন করতে যাচ্ছে এটাও জেলাবাসীর কাছে চমক। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলটাই ছিলো তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। কে পারে আওয়ামী লীগের সাথে।  তাদের জোর শক্তির ঐক্যতায় বিএনপির সাধ্য হয়নি মেইন সড়ক বা শহরের মঞ্চস্থে আলোচনা করা। সবসময় মানুষের কাছে মনে হয়েছে আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

২২ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:৩৬

জনি আহমেদ-(চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি):

আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, বিএনপি যে নতুন রুপে সম্মেলন করতে যাচ্ছে এটাও জেলাবাসীর কাছে চমক। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলটাই ছিলো তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। কে পারে আওয়ামী লীগের সাথে।  তাদের জোর শক্তির ঐক্যতায় বিএনপির সাধ্য হয়নি মেইন সড়ক বা শহরের মঞ্চস্থে আলোচনা করা।

সবসময় মানুষের কাছে মনে হয়েছে আওয়ামী লীগ একাই গণতান্ত্রিক দল। আর কোনো দল এ দেশে আছে। সেটা মনে করারও সুযোগ দেয়নি মানুষকে। কিন্তু হঠাৎ করেই শিলাবৃষ্টির মতো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ। জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনকে ঘিরে গণহত্যার দায়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর থেকেই সবকিছু যেনো খোলসা হয়ে গেলো।

বিএনপি জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো সত্যিই যেনো প্রাণ ফিরে পেলো। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সবাই সবার মতো গুছিয়ে উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। ঠিক একইভাবে বিএনপিও যেনো জেল থেকে ছাড়া পেয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দলটি। বিভিন্ন কর্মকা-ের অংশহিসেবে হাসি আনন্দ ফুরফুরে মেজাজেই ঠিক ১৪ বছর পর স্বাধীনভাবে বিশাল এক আয়োজনের মধ্যদিয়ে সম্মেলনটি শেষ করবে জেলা বিএনপি। তবে এবার নির্ধারিত ৮০৮ কাউন্সিলদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে নেতা।

এ সম্মেলনকে ঘিরে চুয়াডাঙ্গায় কয়েকদিন ধরেই মোটরসাইকেল শোডাউন মিটিং মিছিলে সরব রয়েছে বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠন। বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুনে সেজেছে পুরো শহর। দীর্ঘ ১৪ বছর বিশেষ উপেক্ষিত পার করে আগামীকাল শনিবার (২৩ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এ কারণে গোটা জেলাকে নতুন সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও। তোরণ, পোস্টার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে শহরের রাজপথ। আর এতে শোভা পাচ্ছে, কেন্দ্রীয় ও জেলার শীর্ষ নেতাদের ছবি। সম্মেলনস্থল শহরের টাউন ফুটবল মাঠ সেজেছে বর্ণিল সাজে। মাঠের পশ্চিম প্রান্তে বিশাল আকৃতির মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে।

সম্মেলনে ১৩ হাজার নেতাকর্মীর সমাবেশ ঘটবে এমন প্রত্যাশাই করছেন জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সম্মেলনস্থল পরিদর্শন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান। সম্মেলন উপলক্ষে প্রায় শেষ হওয়া সকল প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে দেখেন তারা। পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু। সেসময় তিনি বলেন, এবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে সম্মেলন হচ্ছে।

বিএনপি তার নিজ ঘর থেকেই গণতন্ত্র চর্চা করতে বদ্ধপরিকর। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় এই দলতে নানা নির্যাতন নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে। এখন স্বাধীনভাবে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার সময় এসেছে। নিজেদেরকে নতুন করে যাচাই করারও সময় হয়েছে।

ভোট প্রসঙ্গে বাবু খান বলেন, সম্মেলন উপলক্ষে যেসব প্রার্থী অংশ নিয়েছেন তারা সকলেই যোগ্য। আবার যারা কাউন্সিলর আছেন তারা সবাই বিচক্ষণ এবং মেধা সম্পন্ন। যার ভোট সে নিজেই দিবে, যাকে খুশি তাকেই দিবে। এখানে সবাই স্বাধীন। নিরপেক্ষভাবে ভোটাররা ভোটের মাধ্যমে তাদের নেতা নির্বাচন করবেন।

সম্মেলনের নিরাপত্তার ব্যাপারে মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, সম্মেলন শান্তিপূর্ণ করতে দলের ১১শ’ স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা থাকবেন সজাগ অবস্থানে। সম্মেলন শান্তিপূর্ণ করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সম্মেলন উৎসবমূখর করতে আমাদের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ।

এবার জেলা বিএনপির সভপাতি প্রার্থী হিসেবে বর্তমান আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু একক প্রার্থী থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হতে চলেছেন। ফলে এ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। তবে সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হবে ভোটের লড়াই। এ দুটি পদে প্রার্থী রয়েছেন ৬ জন।

এর মধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন জেলা বিএনপির বর্তমান সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান শরীফ ও মিলিমা বিশ^াস মিলি। আর সাংগঠনিক সম্পাদক পদে লড়বেন সফিকুল ইসলাম পিটু, মির্জা ফরিদুল ইসলাম শিপলু, খালিদ মাহমুদ মিল্টন ও মোমিনুর রহমান।

এবারের সম্মেলনে আরও একটি চমক হচ্ছে দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি। সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থাকবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সশরীরে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি থাকবেন ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, খুলনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু।

এছাড়া বক্তব্য রাখবেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যরা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সঞ্চালনা করবেন সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান শরীফ।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১০ সালে বঙ্গজ ফ্যাক্টরির মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর ২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, আন্দোলন সংগ্রাম, মামলা, হামলা, গ্রেপ্তারের কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন করতে পারেনি জেলা বিএনপি।

খানিকটা দেরিতে হলেও এবার জেলা বিএনপি বড় আয়োজনে সম্মেলন করতে যাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির ইতিহাসে কোনো খোলা ময়দানে এতবড় আয়োজনে সম্মেলন এই প্রথম। এ সম্মেলন উপলক্ষে গত ১৪ নভেম্বর সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৮
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৮