মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

রাস্তায় দাঁড়াতেই পারেনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ, কোনো প্রভাব ছিল না ‘লকডাউনের’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় “লকডাউন” কর্মসূচি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চালানো হয় ব্যাপক অপপ্রচার। তবে ঘোষিত লকডাউন ঢাকাসহ কোথাও তেমন কার্যকর হয়নি। রাস্তায় দাঁড়াতেই পারেননি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। রাজপথ ছিল ছাত্র–জনতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দখলে। মোড়ে মোড়ে লাঠি হাতে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন।

নিউজ ডেস্ক

১৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:১৯

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ১৭ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার আদালত এ তারিখ নির্ধারণ করার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কয়েকদিন ধরে চলা উত্তেজনা আরও বাড়ে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় “লকডাউন” কর্মসূচি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চালানো হয় ব্যাপক অপপ্রচার। তবে ঘোষিত লকডাউন ঢাকাসহ কোথাও তেমন কার্যকর হয়নি। রাস্তায় দাঁড়াতেই পারেননি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। রাজপথ ছিল ছাত্র–জনতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দখলে। মোড়ে মোড়ে লাঠি হাতে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এদিকে ট্রাইব্যুনাল এলাকা এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা। ঢাকার প্রতিটি প্রবেশপথে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবির কড়া পাহারা ছিল। তল্লাশি ছাড়া কোনো যানবাহন ঢাকায় প্রবেশ করতে পারে⁠নি। প্রতিটি মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোটরসাইকেলসহ নানা যানবাহনের কাগজপত্র পরীক্ষা করে।

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনসহ সব কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বাড়ানো হয় কয়েকগুণ। সকালে কিছুটা কম বাস চলাচল থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হয়ে আসে। নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাজধানীর বাইরে সারাদেশেও ছিল ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এর মধ্যেও কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন নাশকতার ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা: চার স্থানে লগি–বৈঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করেন। এতে ২১ জেলার যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।

শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল: যাত্রীবাহী বাসসহ তিনটি যানবাহনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী: রেললাইনে আগুন এবং গাছ কেটে লাইন অবরোধের চেষ্টা করে অপরাধীরা।

বগুড়া: সুখানপুকুর রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের দুটি ফিশপ্লেট খুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে কর্মীরা তা পুনরায় লাগিয়ে দেন।

শিবচর (মাদারীপুর): ককটেল বিস্ফোরণে বিএনপির ৭ কর্মী–সমর্থক আহত হন।

ঢাকা:

  • গুলিস্তানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
  • টিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আহত হন একজন।
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরান ঢাকায় আওয়ামী লীগের নাশকতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।
  • উত্তরা পশ্চিমে সকাল থেকে মোড়ে মোড়ে ছাত্র–জনতা অবস্থান নেয়।
  • যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, শনিরআখড়া, মাতুয়াইল, দোলাইরপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ তল্লাশি চালায়।

শরীয়তপুর (জাজিরা): সকাল ৬টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে পদ্মা সেতুর যান চলাচল বন্ধ করে দেন। তস্তারকান্দিতে চিনি বোঝাই একটি ট্রাকে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। দুটি বাস ভাঙচুর ও টায়ারে আগুন জ্বালানো হয়। পুলিশের পিকআপ লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করা হলে গ্লাস ভেঙে যায়।

ফরিদপুর–ভাঙ্গা: চারস্থানে অবরোধে গাছের গুঁড়ি ফেলা, টায়ার জ্বালানো এবং দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ১১টার দিকে বিএনপি–এনসিপি নেতাকর্মীরা ৩ জনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ ৩২টি পেট্রোলবোমা উদ্ধার করে।

বরিশাল: সারাদিন স্বাভাবিকভাবেই বাস–লঞ্চ চলেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা ও অফিস–আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল।

গোপালগঞ্জ: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসে ও জেলা পূর্ত ভবনে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হয়। একটি পিকআপে আগুন ধরে ক্ষতি হয়।

টাঙ্গাইল–বাসাইল: বাঐখোলায় একটি চলন্ত বাসে রাত সাড়ে ১২টায় আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। যাত্রীরা নেমে প্রাণে রক্ষা পান।

বান্দরবান (লামা): ভোরে টায়ারে আগুন দিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা, পরে জনসমাগম বাড়লে পালিয়ে যায়। একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম রুট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস ও বিজয় এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে।ফেনীর মহেশপুরে গাছ কেটে রেললাইনে ফেললেও তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

ঢাকার হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্ট এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় ছিল। সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যদের কঠোর সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। প্রবেশপথে এপিসিসহ আধুনিক স্ক্যানার প্রস্তুত ছিল। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরাই শুধু ভেতরে ঢোকার অনুমতি পেয়েছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫