শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি, আলী রীয়াজের পদত্যাগ দাবি নিউইয়র্ক বিএনপির

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রিয়াজের পদত্যাগ দাবি করেছে বিএনপির নিউইয়র্ক স্টেট শাখা। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে এই দাবি জানান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ।

নিউজ ডেস্ক

০৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:২১

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রিয়াজের পদত্যাগ দাবি করেছে বিএনপির নিউইয়র্ক স্টেট শাখা। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে এই দাবি জানান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, ড. আলী রিয়াজ অতীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিভিন্ন প্যানেল আলোচনায় দলটির পক্ষ সমর্থন করেছেন।

গিয়াস আহমেদ বলেন,

“ফ্যাসিবাদী আমলে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ‘৭১-এর চেতনা’, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের ভোটাধিকারের বাস্তবায়নের জন্য বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে। লাখো মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম, ‘আয়না ঘর’ ও ‘ক্রসফায়ার’-এর মুখেও তারা মাথানত করেনি।”

তিনি বলেন,

“৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের আগের সপ্তাহে পাঁচজন ছাত্র সমন্বয়ক ডিবি হারুনের হোটেলে ভাত খেয়ে আদালতের নির্দেশে কোটা সংস্কার মেনে নিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করেছিলেন। কিন্তু তারেক রহমান প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও দেশের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এক দফা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। এরপর ছাত্রজনতা, শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, গার্মেন্ট শ্রমিক ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলনে যোগ দেয়, যার ফলে খুনি হাসিনা দেশত্যাগে বাধ্য হন।”

বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন,

“জামায়াতের সহযোগিতায় অন্তর্বর্তী সরকার এখন গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করতে চক্রান্ত করছে। ঐকমত্য কমিশন প্রায় এক বছর ধরে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল। কিন্তু এখন তারা হঠাৎ করে সংবিধান পরিবর্তনের নামে গণভোটের উদ্যোগ নিচ্ছে, যেখানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি দেশের জনগণ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

তিনি বলেন,

“সংবিধান সংশোধন সাধারণত সংসদে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে হয়। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের গোপন পদক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই সরকার জামায়াতের সহায়তায় ভোটবিহীনভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছে। দুর্নীতি, তদবির-বাণিজ্য, প্রশাসনিক ব্যর্থতা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও গার্মেন্ট শিল্পের সংকটে দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগের পতিত দোসররা এখনও প্রশাসনে দিল্লির ইশারায় কাজ করছে।”

গিয়াস আহমেদ আরও বলেন,

“ড. আলী রিয়াজ অতীতে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন। আমি নিজেও একাধিক প্যানেল আলোচনায় তার সঙ্গে অংশ নিয়েছি, যেখানে তিনি প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এখন তিনি ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি হয়ে রাজনৈতিক বিভেদ সৃষ্টি করছেন। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।”

বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন,

“গণভোট নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে—এটাই বিএনপির অবস্থান। যে বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়নি, সেগুলো নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করতে হবে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হলে তার আগে গণভোট আয়োজন করতে হাজার কোটি টাকার ব্যয় হবে, যা একদিনেই সম্পন্ন করা সম্ভব।”

জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন,

“জামায়াত সবসময় জনগণের বিপক্ষে কাজ করেছে। ১৯৪৭ সালে মুসলমানদের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়েছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে থেকে গণহত্যা চালিয়েছে, ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচার এরশাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে এবং বারবার জাতিকে বিপথে নিয়েছে। আজও তারা জনগণের ভোটাধিকার হরণে সক্রিয়।”

তারেক রহমানের বিষয়ে তিনি বলেন,

“অন্তর্বর্তী সরকার তার দেশে ফেরা ঠেকাতে ষড়যন্ত্র করছে। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। এখনো পর্যন্ত তার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি সরকার। বরং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাকে নিরুৎসাহিত করছে।”

তিনি দাবি করেন,

“বর্তমান আদালত ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে, হাসিনা সরকারের দেওয়া মামলাগুলো মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।”

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জসিমউদ্দিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪০২

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩৬

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩৬

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪০২