শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ঐকমত্য কমিশন জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে প্রতারণা করেছে : মির্জা ফখরুল

সরকারে কাছে ঐকমত্য কমিশনের দেয়া প্রতিবেদনে বিএনপির দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’গুলো লিপিবদ্ধ না থাকায় এর সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবাক হয়ে লক্ষ করলাম যে কাল যখন ঐকমত্য কমিশন প্রতিবেদন প্রকাশ করল, নোট অব ডিসেন্টগুলো নেই। পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে, ইগনোর করা হয়েছে। এটা তো ঐকমত্য হতে পারে না। আজ বুধবার […]

ঐকমত্য কমিশন জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে প্রতারণা করেছে : মির্জা ফখরুল

ঐকমত্য কমিশন জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে প্রতারণা করেছে : মির্জা ফখরুল

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৫৯

সরকারে কাছে ঐকমত্য কমিশনের দেয়া প্রতিবেদনে বিএনপির দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’গুলো লিপিবদ্ধ না থাকায় এর সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবাক হয়ে লক্ষ করলাম যে কাল যখন ঐকমত্য কমিশন প্রতিবেদন প্রকাশ করল, নোট অব ডিসেন্টগুলো নেই। পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে, ইগনোর করা হয়েছে। এটা তো ঐকমত্য হতে পারে না।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বিচার-সংস্কার-নির্বাচন, অন্তর্বর্তী আমলে বাংলাদেশ’- প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ভ্রমণ গাইড

সরকারের কাছে দেয়া ঐকমত্য কমিশনের প্রতিবেদনের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল আমাদের সংস্কার কমিশন, ঐক্যমত কমিশন, তারা তাদের প্রতিবেদন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার কাছে। প্রধান উপদেষ্টা সেখানে স্বাক্ষর করেছেন, তিনি এটার চেয়ারম্যান। এখানে অবাক করা বিষয় আমরা যেটা লক্ষ্য করেছি খুব পরিষ্কারভাবে, আমরা যেসব বিষয়ে একমত ছিলাম না, সেখানে আমরা ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ দিয়েছিলাম। সেই নোট অব ডিসেন্টগুলো লিপিবদ্ধ করার একটা প্রতিশ্রুতি ছিল তাদের। কিন্তু অবাক হয়ে আমরা লক্ষ করলাম- কালকে যখন তারা প্রকাশ করলেন, সেই বিষয়গুলো নেই! নোট অব ডিসেন্টগুলো পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে, ইগনোর করা হয়েছে। এটা তো ঐকমত্য হতে পারে না। তাহলে ঐকমত্য কমিশনটা করা হয়েছিল কেন? এই ঐকমত্য কমিশন- এটা আমি বলব, জনগণের সাথে একটা প্রতারণা। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথেও এটা প্রতারণা।

তিনি বলেন, অবিলম্বে এই বিষয়গুলো যদি আপনার সংশোধন না করা হয়, তাহলে এটা ঐক্যের বিপরীতে যাবে। এটি সংশোধন করার প্রয়োজন আছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, একটি কথা খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, যেটা আমরা এর আগেও বলেছিলাম। আমরা মনে করি, সমস্ত সঙ্কটগুলোর মূলে যে বিষয়টা আছে, সেটা হচ্ছে- একটা সত্যিকার গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এবং সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের যে পার্লামেন্ট তৈরি হবে, সেই পার্লামেন্টেই এই সমস্ত সমস্যাগুলো সংবিধানের মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হবে এবং সেভাবেই দেশ চলবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সেই কারণেই ৫ আগস্টের পরে নির্বাচনের কথা বলেছিলাম। তখন আমাদের অনেকে বলেছিলেন, আমরা ক্ষমতা চাই, সেজন্য আমরা অতিদ্রুত নির্বাচন চাইছি। আজকে প্রমাণিত হচ্ছে যে এই নির্বাচনটা যত দেরি হচ্ছে, ততই সেই শক্তিগুলো শক্তিশালী হচ্ছে। যারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল দেখতে চায়, এখানে একটা এনার্জি তৈরি করতে চায়, যাতে গণতন্ত্র সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠিত না হয়- সেই ব্যবস্থাই তৈরি হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, সত্যিকার অর্থেই যেটুকু সংস্কার দরকার, সেই সংস্কার করে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেবেন। সেই নির্বাচনের পদ্ধতি যেভাবে পার্লামেন্টে আসবে, সেই পার্লামেন্টই দেশের সঙ্কটগুলো সমাধান করবে। সুতরাং আজকে যদি এর থেকে কোনো ব্যর্থতা ঘটে, এর থেকে বাইরে যান, তার দায়-দায়িত্ব সম্পূর্ণ আপনাকেই বহন করতে হবে- এ কথাটা আমি খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা জাতি হিসেবে এক্সাক্টলি কোন জায়গায়, কিভাবে যেতে চাই- সেটা সঠিকভাবে অনুভব করতে পারছি কি না? এত বড় একটা অভ্যুত্থান, এত ত্যাগের বিনিময়ে, এত প্রাণের বিনিময়ে- সেটাকে আমরা ঠিকভাবে আমাদের জাতির কল্যাণে কাজে লাগাতে পারছি কি না? দুর্ভাগ্যবশত আমরা দেখছি, যতই দিন যাচ্ছে, ততই আমরা বেশি বিভক্ত হয়ে পড়ছি। বিভক্তের বিষয়টা কারা করছেন, কেন করছেন- এটাও আমাদের উপলব্ধি করতে হবে।

তিনি বলেন, একটা জিনিস লক্ষ করে দেখবেন, আজকে প্রবলভাবে মিডিয়াতে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে, কতগুলো পক্ষ নিয়ে একেবারে নেমে যাওয়া হয় এবং প্রতিপক্ষকে একেবারে পুরোপুরি ঘায়েল করে দেয়ার প্রচেষ্টা চলছে। আমরা যে মুহূর্তে করছি- এই মুহূর্তটাকে, এই সময়টাকে, এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়টাকে- এটা হচ্ছে আমাদের ঐক্যের সময়। এখানে এটা হচ্ছে আমাদের ন্যূনতম বিষয়গুলোতে একমত হয়ে আমরা একটা রাস্তা ধরব, একটা ট্র্যাক ধরব। সেই জায়গায় এটাকে বিভক্ত করে ফেলা হচ্ছে। কারা করছেন, কেন করছেন- এটা নিশ্চয়ই আপনারা উপলব্ধি করছেন এবং নিশ্চয়ই আপনারা সেভাবে চিন্তাও করছেন।

বিএনপি সংস্কার চায়- এটা মিথ্যা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির জন্ম সংস্কারের মধ্য দিয়েই। অথচ কনসাসলি একটা প্রচারণা চালানো হলো যে বিএনপি সংস্কারবিরোধী। এটা টোটালি ফলস, একটা মিথ্যা প্রপাগান্ডা। বিএনপি, যে সংস্কারের মধ্য দিয়েই জন্ম নিয়েছে, সে কখনো সংস্কারবিরোধী হতে পারে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩