জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, সচিবালয়ে গিয়ে কয়েকটি রাজনৈতিক দল জেলা প্রশাসক (ডিসি) ভাগাভাগি করছে এবং এতে অন্তর্বর্তী সরকার সহায়তা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনের আগে একটি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রস্তুতি চলছে, যা জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।”
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে এনসিপির ঢাকা জেলা ও দুই মহানগর শাখার সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত অভিযোগ করেন, “বর্তমান নির্বাচন কমিশন স্বৈরাচারী আচরণ করছে। দুটি বড় দল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিচ্ছে। জনগণের ভোটাধিকার ফেরাতে হলে এই দখলদার রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ক্যান্টনমেন্টেও এখন ষড়যন্ত্র চলছে। অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের রক্ষায় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ব্রিগেডিয়ার (অব.) আজমীরের কাছে অনুরোধ করছেন। যদি আবার ষড়যন্ত্র হয়, আমরা চুপ করে থাকব না। আমাদের ওপর ট্যাঙ্ক চালিয়ে দমন করা যাবে না।”
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাসনাত সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “দলে অনেকে গুপ্তচর হিসেবে প্রবেশ করতে পারে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
সভায় এনসিপির মুখপাত্র সারজিস আলম বলেন, “মিডিয়ায় ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে—নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী পদত্যাগ করেছেন বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ অপপ্রচার।”
এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী পুনর্ব্যক্ত করেন, “আমি এনসিপির সঙ্গেই আছি, পদত্যাগের খবর সম্পূর্ণ গুজব। ইনশাআল্লাহ, এনসিপি সরকার গঠন না করা পর্যন্ত আমি এই দলের সাথেই থাকব।”