মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নুরের উন্নত চিকিৎসা নিয়ে সরকারের গড়িমসি স্পষ্ট : রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, সংগঠনের সভাপতি নুরুল হক নুরের উন্নত চিকিৎসা নিয়ে সরকারের গড়িমসি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি নুরের উন্নত চিকিৎসা না হয়, কিংবা তার কোনো ক্ষতি হয়, সেই দায় সরকার প্রধানকেই নিতে হবে। শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গণঅধিকার পরিষদের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি […]

নুরের উন্নত চিকিৎসা নিয়ে সরকারের গড়িমসি স্পষ্ট : রাশেদ খান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৪৭

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, সংগঠনের সভাপতি নুরুল হক নুরের উন্নত চিকিৎসা নিয়ে সরকারের গড়িমসি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি নুরের উন্নত চিকিৎসা না হয়, কিংবা তার কোনো ক্ষতি হয়, সেই দায় সরকার প্রধানকেই নিতে হবে।

শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গণঅধিকার পরিষদের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ জানান, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর হামলার শিকার হয়ে টানা ১৭ দিন ধরে হাসপাতালে শয্যাশায়ী। নুর বারবার হাসপাতালে থাকার কারণে মানসিকভাবে অস্থির হয়ে উঠেছেন। তিনি শনিবার হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিতে চাইলেও ডাক্তাররা জানিয়েছেন এখনো তার অবস্থা ছাড়ার মতো নয়।

নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, নুরের নাকের হাড়ভাঙা, চোয়াল ভাঙা, দাঁতের মাড়িতে আঘাত রয়েছে। ফলে তিনি শক্ত খাবার খেতে পারছেন না। মাথাতেও আঘাত লেগেছে।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন-তাকে বিদেশে পাঠানো হবে। কিন্তু এখন আমরা সরকারের পক্ষ থেকে গড়িমসি লক্ষ্য করছি। সরকারের ওপর কোনো চাপ আছে কি না, অথবা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে নুরের গুরুতর আহত অবস্থা যাতে প্রকাশ না পায়, এসব কারণেই বিলম্ব হচ্ছে কি না—আমাদের মধ্যে সেই সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, নুর কখনো বিদেশে চিকিৎসা নিতে চাননি। তবে দলের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, অতীতের হামলা-নৃশংসতার অভিজ্ঞতার কারণে এবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর, লন্ডন বা জার্মানিতে পাঠানো দরকার। কিন্তু সরকারের যে দেরি এবং উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে, সেটি অত্যন্ত হতাশাজনক।

তিনি ঘোষণা দেন, সরকারের দয়ার ওপর আমরা নির্ভর করতে চাই না। আমাদের দলের পক্ষ থেকে নুরকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে।

নুরের ওপর হামলার ১৭ দিন পার হলেও সেনা ও পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খান।

তিনি বলেন, স্পষ্ট ভিডিও এবং সিসিটিভি ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এতে আমাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে—আসলে বিচার হবে কি না।

তবে তিনি যোগ করেন, আমরা পুরো সেনাবাহিনী বা পুলিশ বাহিনীকে দোষারোপ করছি না। কেবল যারা সরাসরি জড়িত এবং যারা নির্দেশদাতা, তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

সরকার গঠিত তদন্ত কমিশনের ব্যাপারে রাশেদ খান জানান, কমিশন কাজ শুরু করেছে বলে শুনেছেন, তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।

তিনি বলেন, প্রশাসনের অন্য একটি মাধ্যমে কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। আমরা কমিশনকে বলবো, সরাসরি আমাদের সাথে বসুন। আমাদের কাছে যেসব প্রমাণ ও ভিডিও রয়েছে, সেগুলো আমরা আপনাদের দিতে চাই। আমরা আশা করি, এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কমিশন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে রাশেদ খান সরকারের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নুর এখন হাসপাতালে শয্যাশায়ী, কিন্তু শুধু তিনি নন—আসলে পুরো বাংলাদেশ আক্রান্ত হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, আমরা এমন কর্মসূচি দেবো যেটা সরকার ঠেকাতে পারবে না। সেটি হতে পারে সচিবালয় ঘেরাও বা যমুনা ঘেরাও।

তিনি অভিযোগ করেন, এ হামলা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশ ছাড়া ঘটেনি। তাই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় গণঅধিকার পরিষদের পরবর্তী আন্দোলনের পুরো দায় সরকারের উপর বর্তাবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫০

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫০