বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে এনসিপি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে চায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ভোটের মাঠে নিজেদের অবস্থানের জানান দিতে দলের তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা আছে। এর আগে দ্রুত চূড়ান্ত করতে চায় দলের গঠনতন্ত্র। একই সঙ্গে দলীয় স্লোগান, ঘোষণাপত্র, সাংগঠনিক কাঠামো ও দলীয় প্রতীক সামনে আনার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৫, ১৩:০৮

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে চায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ভোটের মাঠে নিজেদের অবস্থানের জানান দিতে দলের তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা আছে। এর আগে দ্রুত চূড়ান্ত করতে চায় দলের গঠনতন্ত্র।

একই সঙ্গে দলীয় স্লোগান, ঘোষণাপত্র, সাংগঠনিক কাঠামো ও দলীয় প্রতীক সামনে আনার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় দলটির শীর্ষ নেতারা। দলের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে নির্বাচন কমিশন থেকে এনসিপির নিবন্ধন নিতেই হবে।

এজন্য দলের গঠনতন্ত্রসহ আরও কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। সে লক্ষ্যেই নেতারা কাজ করছেন। আপাতত দলের কোনো সহযোগী সংগঠন করার পরিকল্পনা তাদের নেই। এখন যুব, শ্রমিক, নারী ও ছাত্র উইং করা হতে পারে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, নতুন কিংবা পুরোনো সব রাজনৈতিক দলের প্রত্যাশা থাকে জাতীয় নির্বাচনে সব আসনে প্রার্থী দেওয়া। এনসিপি গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে উঠে এসেছে।

তাই এ দলের টার্গেট সবগুলো আসনে প্রার্থী দেওয়া। সেভাবে দলকে এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, দলের গঠনতন্ত্রের খসড়া তৈরির কাজ চলমান। খসড়া প্রস্তুত করার পর তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা শেষে চূড়ান্ত হবে গঠনতন্ত্র।

২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি। দলের আত্মপ্রকাশের আগেই দলীয় গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। তবে এখন দ্রুতই গঠনতন্ত্রের খসড়া তৈরির কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যেই খসড়া তৈরির কাজে যুক্তদের দেওয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশনাও। এতে দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা, পরিবারতন্ত্রের বলয়মুক্ত রাজনীতি, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচনসহ নানা বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, গঠনতন্ত্র তৈরির কাজ চলছে। অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা এ সংক্রান্ত কাজ শেষ করতে চাই। কারণ নির্বাচন কমিশনে দলের নিবন্ধন করতে গঠনতন্ত্র প্রয়োজন। সেভাবেই আমরা নিজেদের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূলকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় জাতীয় নাগরিক পার্টি। তবে নবগঠিত এ দলের জেলা-উপজেলার কমিটি গঠন প্রক্রিয়া কী হবে? নতুন করে কমিটি গঠন করা হবে, নাকি তৃণমূলে গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটির নাম পরিবর্তন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি করা হবে-তা নিয়ে দলটির ভেতরে আলোচনা চলছে। নেতারা বলছেন,

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতাদের যৌথ উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে। তবে তৃণমূল পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম পরিবর্তনের সুযোগ নেই। কারণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানের ব্যানার। কিন্তু জাতীয় নাগরিক কমিটির নামে পরিবর্তন আসতে পারে। কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

এনসিপির ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিতে হলে নতুন দলের নিবন্ধনের বিকল্প নেই। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন নিতে হবে। এ কারণে নিবন্ধনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা। অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) বরাবর আবেদন করার পরিকল্পনার কথা বলছেন নেতারা।

তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হলে দলের একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কার্যালয় এবং অন্তত ১০০ উপজেলা বা ক্ষেত্র অনুযায়ী মেট্রোপলিটন থানা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হয়।

এ ছাড়া নিবন্ধনের জন্য বিবেচিত হতে হলে, দলের গঠনতন্ত্রের সুনির্দিষ্ট কিছু বিধান স্পষ্টভাবে থাকতে হয়। ফলে দলের নিবন্ধনের আবেদন বিষয়ে শর্ত অনুযায়ী দলীয় কার্যালয় প্রতিষ্ঠা ও গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত করাসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করছে এনসিপি।

দল আত্মপ্রকাশ হলেও এখনো নিজেদের দলীয় প্রতীক ঘোষণা করতে পারেনি জাতীয় নাগরিক পার্টি। তবে রাজনৈতিক দল গঠনের আগে ‘আপনার চোখে নতুন বাংলাদেশ’ শিরোনামে পরিচালিত জনমত জরিপে দলের জন্য বেশ কিছু প্রতীকের প্রস্তাব এসেছে।

এগুলোর মধ্যে আছে বই, খাতা, কলম, মুষ্টিবদ্ধ হাত, কবুতর, শাপলা, ইলিশ, বাঘ ইত্যাদি। এগুলোর মধ্য থেকে দলীয় প্রতীক চূড়ান্ত করতে পারেন দলের নেতারা।

এনসিপির কোনো সহযোগী সংগঠন থাকবে কিনা, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রথম পর্যায়ে যুব, শ্রমিক, নারী ও ছাত্র উইং করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

উইংগুলো দেখভালের দায়িত্বে থাকবেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার নেতৃত্বে এসব উইং কাজ করবে। পরবর্তী সময়ে উইংগুলোই দলের সহযোগী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

দলের যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, সাধারণত দল গঠনের পরই দলীয় গঠনতন্ত্র তৈরি করা হয়। আমরাও ঠিক একই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই গঠনতন্ত্র তৈরি কাজ চলছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এ কাজ শেষ হবে।

দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা, পরিবারতন্ত্রমুক্ত রাজনীতি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত, যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচনসহ নানা বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমাদের গঠনতন্ত্র তৈরি করা হচ্ছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৬৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৬৬
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৮

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৬৬