সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘৭১ এর স্বাধীনতা যদি বাঘ হয়ে থাকে, ২৪ এর স্বাধীনতা কিন্তু বিড়াল’

একাত্তর প্রসঙ্গে কোনো ছাড় নয়, এমন বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সারাদিন রাজনীতির কথা বলে ঘুরে বেড়াও, আমরা বসে আছি রাজনীতি বুঝি না কিছুই, আমাদের অভিজ্ঞতা নাই, জ্ঞান নাই, একাত্তর কোনো কিছুই না, অইটা কোনো স্বাধীনতা ছিল না, তোমরা স্বাধীনতা দিবা, আরে বাবা! একাত্তরের স্বাধীনতা আর এই স্বাধীনতা, বিড়ালরে কিন্তু বাঘের মাসি বলা হয়। একাত্তরের স্বাধীনতা […]

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৫, ১৮:৪৮

একাত্তর প্রসঙ্গে কোনো ছাড় নয়, এমন বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সারাদিন রাজনীতির কথা বলে ঘুরে বেড়াও, আমরা বসে আছি রাজনীতি বুঝি না কিছুই, আমাদের অভিজ্ঞতা নাই, জ্ঞান নাই, একাত্তর কোনো কিছুই না, অইটা কোনো স্বাধীনতা ছিল না, তোমরা স্বাধীনতা দিবা, আরে বাবা! একাত্তরের স্বাধীনতা আর এই স্বাধীনতা, বিড়ালরে কিন্তু বাঘের মাসি বলা হয়। একাত্তরের স্বাধীনতা যদি বাঘ হয়ে থাকে, তোমাদের স্বাধীনতা কিন্তু বিড়াল।

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পথ ছাড়বে না, হুঁশিয়ারি দেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যারা একাত্তরকে ভুলাইতে চান, তাদের বলতে চাই, এই বাঙ্গালি জাতি কখনও একাত্তরকে ভুলবে না। আমি বলি এই দেশে বেলি-চামেলি ফুলই ফোটে না, এ দেশে রক্তজবাও ফোটে। এই দেশের জঙ্গলে শুধু কোকিল ডাকে না, এই দেশে রয়েল বেঙ্গল টাইগারও ডাকে। এই দেশে মীরজাফর, জগৎ শেঠ, রায় দুর্লভ, ইয়ার লতিফ, রাজবল্লভ, রাজাকার, আলবদর জন্মায় না, এই দেশে যুগে যুগে জন্মগ্রহণ করে সিরাজ, মীর মদন, মোহনলাল, সূর্যসেন, ক্ষুদিরাম, শহীদ জিয়াউর রহমানের মতো, মুক্তিযোদ্ধাদের মতো বীর সন্তানেরা। এই দেশকে কখনো ধ্বংস করা যাবে না। এই দেশ স্বাধীনতার পথে থাকবে, মুক্তিযুদ্ধের পথে থাকবে।’

এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ করতে গিয়েছি, দেখেছি গুলি লাগছে গায়ে, উঠে বলছে মা’কে দেইখো তুমি, সেই মা পাগল হয়ে মারা গেছে। যারা নয় মাস যুদ্ধ করে কাটিয়েছেন যোদ্ধারা, তার সঙ্গে কিছুর তুলনা হয় বলেন আপনারা? আপনারা কি সব ভুইলা বইসা আছেন নাকি? যখন বলে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ কিছু না, তাহলে আপনারা চুপ করে থাকেন কেন? আপনারা কি চুপ করে থাকবেন?’

শেষ দুই দশকে বিএনপি আর জামায়াতে ইসলামী একই সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে ছিল। তবে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কটা দাঁড়িয়েছে রীতিমতো সাপে-নেউলে। সম্প্রতি এক সভায় আবারও জামায়াতে ইসলামীকে একহাত নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও দলটির নেতা ফজলুর রহমান।

তার অভিমত, বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনে গেলে ১০ আসনও পাবে না জামায়াত।

এছাড়াও তিনি এই সভায় প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিয়েও। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সঙ্গে একাত্তরকে খাটো করার প্রবণতাকেও একহাত নিয়েছেন।

তিনি জামায়াত প্রসঙ্গে বলেন, ‘আল্লাহর রহমত আমরাই জিতব। বাকবাকুম করে যারা কথা বলত, তাদের নেতারা ৭০ সালেও কথা বলছে, পরে দেখা গেছে ভোট পেয়েছেন ৬ পারসেন্ট। আমি চ্যালেঞ্জ করলাম, ইসলামের নাম নিয়ে যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন, ৭০ সালে, ৭১ সালে, এখনও যারা করতে চান, তারা ১০ পারসেন্টের বেশি ভোট পান, তাহলে ভোটের পরে ফজলুর রহমানের সঙ্গে দেখা করবেন।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বড় বড় কথা বলেন, ভোট একা করে দেখান তো পারলে? তিন বার ভোট করেছেন, একবার ১ আরেকবার ৩ আসন পেয়েছেন। বিএনপির নামে খুব দুর্নাম করতেছেন, বিএনপি খুব লুটপাট করতেছে, বিএনপি খারাপ বলে বলে ফেসবুক ইউটিউবে অপপ্রচার করতেছেন।’

যদিও বিএনপির বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেননি এই নেতা।সেই সঙ্গে পালটা প্রশ্ন তুলতেও ভুল করেননি। তার কথায়, ‘আমি অস্বীকার করি না, বিএনপির কর্মীরা ১৫ বছর না খেয়ে ছিল। অনেক অত্যাচার অবিচার সহ্য করেছে, মা-বাপ মরেছে জেলে থাকার কারণে দেখতে পারে নাই, জানাজা পড়তে এসেছে ডাণ্ডাবেড়ি পরে, সেই কর্মীর যখন পেটে ভাত থাকে না, যদি ১০ টাকা রোজগার করতে চায়, তার যদি দুর্নাম হয়, তাহলে যারা ব্যাংক দখল করে তাদের দুর্নাম হবে না?’

এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের নিয়েও মন্তব্য করেন ফজলুর রহমান।বলেন, ‘এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দলের নাম সমন্বয়কের দল। আমি কিশোরগঞ্জে গেছিলাম, দেখলাম তিনটা ছেলে হাতে ডায়েরি নিয়ে হাঁটে, আমি জিজ্ঞেস করলাম বাবা তোমরা কারা, ওদের একজন বলল আমরা সমর নায়ক, আমি বললাম তুমি সমর নায়ক? সে বলল স্যার ভুল হয়ে গেছে আমরা সমন্বয়ক। জিজ্ঞেস করলাম কেন আসছিলা, সে বলল ডিসি স্যারের সঙ্গে দেখা করতে আসছি। কোন ক্লাসে পড়ো? বলল, কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি গুরুদয়াল কলেজে।’

তার অভিমত, এতে করে প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রাজনীতি ছেড়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফেরার আহ্বান জানান, ‘এভাবে তিনটা জেনারেশন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে। আমরা যে এইম ইন লাইফ রচনায় লেখতাম ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, এখন ছেলেরা লেখবে সমন্বয়ক হইতে চাই। এসব ছেড়ে পড়াশোনায় যাও। ভারতকে সারা দিন বকো? বকা দেও হাজারবার, আমরাও দেই। কিন্তু জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে ভালো ছাত্র হও, বেঙ্গালুরুর আইআইটির বিজ্ঞানীর থেকেও ভালো বিজ্ঞানী হও।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪