মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ শ্বাস পর্যন্ত লড়ে যাব: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত ও শেষ শ্বাস পর্যন্ত লড়ে যেতে চান তিনি। এ পথে কোনো ধরনের আপস করবেন না এবং আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথা নত করবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ শ্বাস পর্যন্ত লড়ে যাব: ডা. শফিকুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:৪৮

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত ও শেষ শ্বাস পর্যন্ত লড়ে যেতে চান তিনি। এ পথে কোনো ধরনের আপস করবেন না এবং আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথা নত করবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত মাসব্যাপী গণসংযোগ উপলক্ষে দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশকে আমরা ভালোবাসি। এ দেশের জন্য আল্লাহ যেন শেষ মুহূর্ত ও শেষ শ্বাস পর্যন্ত মানুষের অধিকারের পক্ষে লড়ে যাওয়ার তৌফিক দান করেন। কোনো কম্প্রোমাইজ করব না। কোনো বাতিলের সঙ্গে আপস হবে না। আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথা নত করব না।’

নিজের জীবন ও মৃত্যুকে মহান আল্লাহর হাতে অর্পিত আমানত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহর দেওয়া জীবন তার কাছে আমানত। সেই আমানত আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তারা প্রস্তুত।

তিনি বলেন, চলার পথে বাধা, সমালোচনা ও গালিগালাজ আসতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে জীবন দিতে হতে পারে কিংবা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ হারাতে হতে পারে। এসবকেও আল্লাহর দেওয়া আমানত হিসেবে গ্রহণ করে তা তাঁর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা জানান তিনি।

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ এ দেশ মুক্ত হবে। ইনশাআল্লাহ এ দেশে কোরআনের আইন কায়েম হবে।’

তবে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নিজেদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত হলেও আপনি-আমি যদি এর সঙ্গী হতে না পারি, তাহলে সেটি সৌভাগ্যের বিষয় হবে কি না, তা ভাবতে হবে। এ সৌভাগ্য অর্জনের জন্য তিনি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

কওমি শিক্ষার খেদমতকে ছোট করে দেখি না

কওমি শিক্ষাব্যবস্থার প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কওমির দ্বীনি খেদমতকে তারা ছোট করে দেখেন না। কওমি থেকে কেউ জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হলেও তিনি কওমির সঙ্গেও থাকবেন এবং জামায়াতের সঙ্গেও থাকবেন—এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কওমিকে তারা আলাদা করে দেখেন না।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের দ্বীনি খেদমতকে ছোট মনে করি না। তাদের জন্য অন্তর থেকে দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাদের খেদমতে আরও বেশি বরকত দান করেন।’

সংসদে কওমি সংশ্লিষ্টদের অধিকার নিয়ে কথা বলাকে নিজেদের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অবস্থান কোনো ব্যক্তি বা সমাজের একটি অংশকে খুশি করার জন্য নয়; বরং বিবেক ও দায়বোধ থেকেই নেওয়া হয়েছে।

নিজেকে নিয়ে সমালোচনা, গালিগালাজ ও অপমানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুখের কষ্টের দাগ কখনো যায় না।’ এসব ঘটনায় তিনি আত্মতৃপ্তি পান বলেও মন্তব্য করেন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শ্রেষ্ঠ মানুষকেও সমাজের অবুঝ মানুষের নানা আচরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি মূলত অন্যদের ক্ষমা করেন নিজের জন্য ক্ষমা পাওয়ার আশায়। মহান আল্লাহর কাছে নিজের ভুলত্রুটির ক্ষমা পাওয়ার প্রত্যাশা থেকেই তিনি অন্যদের ক্ষমা করেন বলে জানান।

যুব সমাজের প্রতি আহ্বান

যুব সমাজের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, যৌবন মহান আল্লাহর বড় নিয়ামত। দুনিয়ায় আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে সব যুগেই যুবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

তিনি বলেন, বয়স বেড়ে যাওয়া মানেই তারুণ্য শেষ হয়ে যাওয়া নয়। মনের মধ্যে যৌবনের আকাঙ্ক্ষা, উদ্যম ও চঞ্চলতা ধরে রাখাই প্রকৃত তারুণ্য। আল্লাহ যতদিন হায়াত দেবেন, ততদিন তারুণ্যের শক্তি ও উদ্যম নিয়ে কাজ করে যাওয়ার জন্য তিনি দোয়া করেন।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বড় প্রত্যাশা ও বুকভরা আশা নিয়ে তারা দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ, মানবতা, দেশ ও জাতির জন্য ভালো কিছু করা এবং নিজেদের আখেরাত সুন্দর করার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছেন। বাকি জীবন মহান আল্লাহ ও মানবতার জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন তৈরি করে সমাজকে অশান্তির দিকে ঠেলে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এটি ইসলামের শিক্ষা এবং বাস্তব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করবেন।

এর আগে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ড. এএসএম খালিকুজ্জামান। তিনি বলেন, সমাজ পরিচালনা ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ভালো মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সমাজের ভালো মানুষগুলো রাজনীতিতে না এলে সেই জায়গা খারাপ লোকজন দখল করবে। খারাপ লোকজন দেশের দায়িত্ব নিলে পরিস্থিতি কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ইসলামভিত্তিক একটি কল্যাণ রাষ্ট্র ও সোনালি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এর মাধ্যমে দুনিয়ায় শান্তি এবং আখেরাতে মুক্তি লাভের লক্ষ্যেই মানুষকে আল্লাহ, সত্য ও সুন্দরের দিকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

নতুন যারা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তাদের স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে সংগঠনের সামগ্রিক কার্যক্রমে পর্যায়ক্রমে তাদের এগিয়ে আসতে হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৭

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৭

রাজনীতি

‘নির্বাচনের আগে ইসলামী ব্যাংক থেকে আমার স্ত্রী ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে’: ড. শফিকুল ইসলাম

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে আপনার […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৬, ১৪:৪৪

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে আপনার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, আসলেই কি বিষয়টা এমন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ ঋণ নিয়েছেন। আমার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ।

অত্যন্ত নিয়ম মেনেই তিনি এই হোম লোন নিয়েছেন। একটা ব্যাংক থেকে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, তার এই দুই কোটি টাকার লোন নেওয়াটা তো আলোচনার মধ্যে আসার বিষয়ই না।

এদিকে নির্বাচনের আগে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয় বরং আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু বান্ধব বা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে।

এজন্য তাদেরকে ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী দেখানোর কোন সুযোগ নেই। আবার তাদের ক্ষমতা দেখেন, বিনা জামানতে তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়, কিন্তু আমি আপনি কি পাবো?

মাসুদ দাবি করেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৭