বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা কখনোই সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলেনি বরং সংবিধানের পরিবর্তন চেয়েছি : বিরোধীদলীয় নেতা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনোই সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলেনি বরং সংবিধানের পরিবর্তন চেয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জামায়াত সংবিধানবিরোধী নয়। তবে যে বিষয়গুলো ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে, সেসব বিষয়ের পরিবর্তন চাই। সংবিধানের দোহাই দিয়ে আর ফ্যাসিবাদ ফিরতে দেবো না, ফ্যাসিবাদের কবর রচনা করতে চাই আমরা। ক্ষমতার গরম […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনোই সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলেনি বরং সংবিধানের পরিবর্তন চেয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, জামায়াত সংবিধানবিরোধী নয়। তবে যে বিষয়গুলো ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে, সেসব বিষয়ের পরিবর্তন চাই। সংবিধানের দোহাই দিয়ে আর ফ্যাসিবাদ ফিরতে দেবো না, ফ্যাসিবাদের কবর রচনা করতে চাই আমরা। ক্ষমতার গরম দিয়ে কেউ যেন পার না পায়, সেই বাংলাদেশ গড়তে চায় জামায়াত।

রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কথা বলার সময় এ কথা তুলে ধরেন তিনি।

জামায়াতের ওপর ১৭ বছর সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সংসদের সবাই মজলুম। আগামীর বাংলাদেশ এমন চাই যে, আইন এবং সংবিধানের দোহাই দিয়ে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে আসবে না। ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই আমরা। সংবিধানের যেসব সুযোগ ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছিল, সেগুলো ফেলে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ চাই।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ কলিজার অংশ। আমরা আদেশ, অভ্যুত্থান, সনদ বাস্তবায়ন মানি। আমাদের পক্ষ থেকে অমান্যের কিছু নেই। সবাই হ্যাঁ-এর পক্ষে কথা বলেছি। জুলাই অভ্যুত্থান, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন—কোনোটাকেই আমরা অস্বীকার করতে পারি না।

এ ছাড়া, কোনো বিতর্কছাড়াই গণভোট মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটামাত্র দল, যে দলের নিবন্ধন কেড়ে নেওয়া হয়েছে, প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ওখান থেকেই ফ্যাসিজমের জন্ম। ক্ষমতায় না এসেই তারা কি করবে ক্ষমতায় আসলে সেদিন অগ্রিম জাতিকে জানিয়ে দিয়েছিল। সারাদেশে দুই দিনে ৫৪ জন মানুষ শুধু জামায়াতে ইসলামী না বিএনপিরও সেই সময় নির্মমভাবে তাদেরকে খুন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যদি আমরা সবাই সবকিছু মানি তাহলে যে মানার ভিত্তিতে আমরা ১২ ফেব্রুয়ারির দুটো নির্বাচন করলাম এর আগে তো আমরা কেউ বলি নাই যে আমরা সংসদ নির্বাচন মানি না অথবা আমরা গণভোট মানি না।

এ সময় মব কালচার সৃষ্টির দায় জামায়াতের ওপর চাপানোর তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, যেই দলটির ওপর ইতিহাসের সবচাইতে জঘন্য অত্যাচার করা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট আমলে মব করে রাস্তায় আদালত বসিয়ে যে দলের এক এক করে শীর্ষ ১১ জন নেতাকে ঠান্ডা মাথায় জুডিশিয়াল কিলিংয়ের শিকারে পরিণত করা হয়েছে যে দলের হাজারো কর্মীকে এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিংয়ে ঠেলে দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় করা হয়েছে। একটা মাত্র দল যে দলের নিবন্ধন, প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

শেষ পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবকে ব্যর্থ করার জন্য ডাইভার্ট করার জন্য এই দলটাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই দলের ওপর এই ধরনের অপবাদ দেওয়া এই সংসদের জন্য একটা লজ্জার ব্যাপার।

সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বিরোধী দলের কেউ কখনো বলে নাই দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, আমরা এই সংবিধানের পরিবর্তন চেয়েছি। যাতে একটি ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফভিত্তিক সমাজ কায়েম হয়। ফ্যাসিবাদমুক্ত একটা দেশ, সমাজ, শাসন পাই সেজন্য। আমরা সংবিধানবিরোধী নই। সংবিধানের ওই জায়গাগুলো আমরা চাই না, যেই জায়গা গত ৫৪ বছরে ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে দফায় দফায়। ওই জায়গাগুলার সংস্কার চাই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চাচ্ছি আগামীর একটা বাংলাদেশ এমন হোক যেই বাংলাদেশে আর কোনো আইন এবং সংবিধানের দোহাই দিয়ে কোনো ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে না। ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই আমরা। এইজন্যই আমরা বলি, একটা নতুন বাংলাদেশ দেখতে চাই। নতুন বাংলাদেশের মানে এই না যে, এর ভৌগোলিক সীমারেখা বদলে যাবে, ফ্ল্যাগ বদলে যাবে, সবকিছু বদলে যাবে, নো।

যে সমস্ত আইন সংবিধানের, যে সমস্ত সুযোগগুলো ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছিল আমরা ওগুলা ফেলে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ চাই। আমরা চাই একজন গ্রামের প্রান্তিক মানুষ যারা আছেন, গরীব-দুঃখী থেকে শুরু করে একেবারে রাষ্ট্রপতি ভবনে যিনি থাকবেন, তাদের কেউ কোনো বৈষম্যের শিকার হবে না।

তারা সবাই সাম্যের ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য পাওনাটা পাবেন। নাগরিক হিসেবে আবার কোনো পদ-পদবী দলীয় পরিচয় ক্ষমতার গরম কোনো কিছুর বলে কোনো অপরাধ করেও যেন কেউ পার না পায়, সেই বাংলাদেশটা আমরা চাই।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৭