মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শহীদ জিয়াই বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়ক

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান ও সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করার মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়কে পরিণত হয়েছেন। তাই নতুন প্রজন্মের উচিত শহীদ জিয়ার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা এবং তার আদর্শ অনুযায়ী রাজনীতি করা। বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত স্বাধীনতা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এ […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ মার্চ ২০২৬, ২৩:৩৬

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান ও সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করার মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়কে পরিণত হয়েছেন। তাই নতুন প্রজন্মের উচিত শহীদ জিয়ার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা এবং তার আদর্শ অনুযায়ী রাজনীতি করা।

বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত স্বাধীনতা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শহীদ জিয়ার ঘোষণার স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু এ দেশকে পরাধীন করার মতলবে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে শহীদ জিয়ার বদলে ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করানো হয়। এর মাধ্যমে শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনভাবে দেশকে গড়ে তুলতে না দিয়ে পাকিস্তানের কাছে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করা শেখ মুজিব ও কলকাতায় থাকা আওয়ামীদের কাছে দেশকে তুলে দেওয়া হয়েছিল।

খোমেনী ইহসান বলেন, স্বাধীনতার পর নির্বাচন ছাড়া আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে ভারতের প্রেসক্রিপশনে গণবিরোধী ধর্মনিরপেক্ষ ফ্যাসিবাদী সংবিধান প্রণয়ন করে মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্খাকে হত্যা করেছিল। যার অনিবার্য পরিণতিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনা অভ্যুত্থানে মুজিব শাসনের পতন হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়া রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে বাংলাদেশকে সঠিক পথে ফেরান।

তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়া সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এবং আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাসকে মূলনীতি করে বহুদলীয় গণতন্ত্র কায়েম করে দেশকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ মুক্ত করেন। তিনি সেনাবাহিনীর কলেবর বর্ধিত করেন ও আইনি ক্ষমতা-কর্তৃত্ব প্রদান করেন। তিনি আদালত, সংবাদপত্র ও জনগণের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন। তিনি মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে প্রবাসে শ্রমিক পাঠিয়ে রেমিট্যান্স আয় ও গার্মেন্টস শিল্প তৈরি করে রপ্তানি আয়ের সূচনা করে জাতীয় অর্থনীতি গড়েন।

শহীদ জিয়াকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার মূলনায়ক আখ্যা দিয়ে খোমেনী ইহসান বলেন, বিগত ৫৫ বছরে প্রমাণিত শহীদ জিয়াই একমাত্র আদর্শ মুসলিম শাসক ছিলেন, কারণ তিনিই প্রকৃত দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার সময়ে ইসলাম ও মুসলমান নিরাপদ ছিল। তার সময়ে সবচেয়ে বেশি রহমত নাজিল হয়েছিল বলে দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি।

স্বাধীনতা উৎসবে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক ঘোষণা দেন, নতুন মুসলিম জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে দেশ পরিচালনার সময়কালকে ‘জিয়া-পথ’ বলে গ্রহণ করে এর ওপর গবেষণা ও পাঠচক্র পরিচালনা করবে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়া যে রাজনৈতিক পথ নির্দেশ রেখে গেছেন তা বর্তমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বাস্তবতার আলোকে আমরা বিকশিত করব।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসান, সদস্য সাইদুল ইসলাম, বায়েজিদ বোস্তামি এছাড়া বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ফজলুর রহমান এবং বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম।

আমন্ত্রিত অথিতিদের মধ্যে বক্তৃতা রাখে ইনসাফ গার্ডের সভাপতি খান রায়হান।

উৎসবে কুরআন তিলাওয়াত করেন হাফেজ শাকিল আহমেদ। এছাড়া সম্মিলিতভাবে দুরূদ পাঠ করা হয়। পরে শহীদ নবাব সিরাজুদ্দৌলা থেকে শুরু করে ১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪ এর শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়।

শেষ পর্বে কেক কেটে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয় এবং নাগরিক টি পার্টি অনুষ্ঠিত হয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩