শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

র‌্যাবকে বিলুপ্ত করা ও সব নিরাপত্তা বাহিনীকে কঠোর আইনি জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে: গুম কমিশন

শেষ পর্যন্ত র‍্যাব বিলুপ্তিসহ দেশের সব নিরাপত্তা বাহিনীকে কঠোর আইনি জবাবদিহির আওতায় আনার সুপারিশ করেছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি। বাংলাদেশে বলপূর্বক গুম ও ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্থায়ী অবসান ঘটাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও আইনি ব্যবস্থায় গভীর সংস্কার জরুরি বলে মনে করছে কমিশন। তাদের সুপারিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করা, সব নিরাপত্তা বাহিনীকে কার্যকর আইনি জবাবদিহির মধ্যে আনা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ বাতিল অথবা মৌলিকভাবে সংশোধন করা ছাড়া গুম সংস্কৃতি বন্ধ করা সম্ভব নয়।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪২

শেষ পর্যন্ত র‍্যাব বিলুপ্তিসহ দেশের সব নিরাপত্তা বাহিনীকে কঠোর আইনি জবাবদিহির আওতায় আনার সুপারিশ করেছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি। বাংলাদেশে বলপূর্বক গুম ও ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্থায়ী অবসান ঘটাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও আইনি ব্যবস্থায় গভীর সংস্কার জরুরি বলে মনে করছে কমিশন। তাদের সুপারিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করা, সব নিরাপত্তা বাহিনীকে কার্যকর আইনি জবাবদিহির মধ্যে আনা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ বাতিল অথবা মৌলিকভাবে সংশোধন করা ছাড়া গুম সংস্কৃতি বন্ধ করা সম্ভব নয়।

সোমবার রাজধানীর গুলশানে গুমসংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সার্বিক অনুসন্ধান ও সুপারিশ তুলে ধরেন কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, নূর খান লিটন, নাবিলা ইদ্রিস ও সাজ্জাদ হোসেন। কমিশনের সভাপতি বলেন, গুম কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও পদ্ধতিগত চর্চা হিসেবে পরিচালিত হয়েছে, যার দায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো এড়াতে পারে না।

কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, র‍্যাব বিলুপ্তির পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ বাতিল বা মৌলিক সংশোধন, সমাজভিত্তিক প্রতিরোধমূলক সন্ত্রাসবিরোধী নীতি প্রণয়ন, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০০৩ এর ১৩ ধারা বাতিল, সব বাহিনীর জন্য বাধ্যতামূলক মানবাধিকার প্রশিক্ষণ চালু, ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। গুমের ভয়াবহ স্মৃতির সাক্ষ্য হিসেবে পরিচিত আয়নাঘরগুলোকে সত্য, স্মৃতি ও জবাবদিহির প্রতীক হিসেবে জাদুঘরে রূপান্তরের সুপারিশও করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে কমিশন দেখতে পায়, গুমের অভিযোগের প্রায় ২৫ শতাংশে র‍্যাবের সম্পৃক্ততা রয়েছে, এরপর পুলিশের নাম এসেছে ২৩ শতাংশ ঘটনায়। এছাড়া ডিবি, সিটিটিসি, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের বিরুদ্ধেও ব্যাপক গুমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বহু ক্ষেত্রে সাদাপোশাকে বা প্রশাসনের লোক পরিচয়ে মানুষ তুলে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলোর ধরণ বিশ্লেষণে কমিশনের মতে, এসব ঘটনা কোনো ব্যক্তিগত বিচ্যুতি নয়, বরং একক ও যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় সমন্বিত কর্মকাণ্ডেরই বহিঃপ্রকাশ।

কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্টের ধারা ১০ অনুযায়ী, ফিরে না আসা গুমের শিকারদের বিষয়ে তদন্ত ও নিষ্পত্তির লক্ষ্যে চার ধাপে কিছু অভিযোগ বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে দুই থেকে পাঁচ দিনের গুম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পৃথকভাবে পত্র পাঠানো হয়েছে এবং ছয় মাসের মধ্যে মানবাধিকার কমিশনকে অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের কাছে জমা পড়া ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগের মধ্যে একাধিকবার দায়ের হওয়া ২৩১টি অভিযোগ এবং যাচাই শেষে গুমের সংজ্ঞার বাইরে বিবেচনায় ১১৩টি অভিযোগ বাদ দেওয়া হয়। এতে মোট ১ হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ সক্রিয় বিবেচনায় ছিল। এর মধ্যে ২৫১ জন গুমের শিকার এবং ৩৬ জনের ক্ষেত্রে গুমের পর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে। নিখোঁজদের অবস্থান নির্ধারণে কমিশন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা, সন্দেহভাজন ব্যক্তি, শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক সাক্ষীসহ মোট ২২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পাশাপাশি ৭৬৫ জন ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের একাধিকবার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

কমিশন জানায়, সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপার ও বিজিবির সেক্টর কমান্ডারদের কাছ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ভারত থেকে পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও তাতে গুমের শিকারদের নাম পাওয়া যায়নি। তবে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ের বাসিন্দা গুমের শিকার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক প্রথম দফায় ১০৫২ জন এবং দ্বিতীয় দফায় ৩২৮৫ জন বাংলাদেশি নাগরিকের তালিকা যাচাই করেও গুমের শিকারদের কোনো নাম পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজদের ভাগ্য নির্ধারণে কমিশন দেশের বিভিন্ন জেলায় সম্ভাব্য অপরাধস্থল, অপহরণস্থল, আয়নাঘর ও ডাম্পিং প্লেস পরিদর্শন করেছে। মুন্সীগঞ্জে বেওয়ারিশ মরদেহ দাফনের একটি কবরস্থান শনাক্ত করা হয়েছে, যেখানে গুমের শিকারদের দাফনের তথ্য মিলেছে। বরিশালের বলেশ্বর নদী ও বরগুনার পাথরঘাটায় ডাম্পিং প্লেসের সন্ধানও পাওয়া গেছে। বরিশালে দুটি মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে কমিশন কাজ শুরু করেছে এবং অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে একটি বিস্তৃত ডিএনএ ডাটাবেজ গঠনের সুপারিশ করেছে।

কমিশন গুমের শিকার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতিটি বিভাগে পরামর্শ সভা করেছে, ৩০০ জনের বেশি বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য কর্মশালা আয়োজন করেছে এবং একাধিক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জনসমক্ষে তথ্য তুলে ধরেছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মাধ্যমে গুম বিষয়ে এক ঘণ্টার প্রামাণ্যচিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে। দেশি ও বিদেশি মানবাধিকার সংস্থা এবং কূটনৈতিক মিশনগুলো গুমের ব্যাপকতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে কমিশনের কাজের প্রশংসা করেছে এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে […]

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ৭২৭ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হতে পারে। এ ছাড়া তৃতীয় ধাপে আগামী ২ মে ৭৯০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হতে পারে।

এদিকে আগামী ১৩ মে চতুর্থ ধাপে ৯৫১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর সবশেষ পঞ্চম ধাপে বাকি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ২৭ মে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তবে সোমবারের বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ নিয়ে বৈঠক শুরু হয়েছে। যেখানে অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা […]

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৫

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করার প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ কেউ এটিকে অগণতান্ত্রিক ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থি মনে করেন। তবে সরকারের অবস্থান হলো, কোনো ব্যক্তি যেন ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে না পারেন।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব এলে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী দলকে বিশেষ কমিটির আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কমিটির কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিকেন্দ্রীকরণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকায় সরকার সেই অনুযায়ী এগোতে চায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সংবিধান সংশোধনী আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।