রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন হয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে: প্রেস সচিব

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। রোববার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

নিউজ ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৭

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। রোববার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিং করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান,

বৈঠকের সূচনাতেই সফল ও ঐতিহাসিক নির্বাচন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাও বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদার ভূমিকার প্রশংসা করেন।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এবারের নির্বাচনকে উপদেষ্টারা ‘মহা সাফল্য’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালনে উচ্চমাত্রার পেশাদারিত্ব দেখিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে জানানো হয়, অতীতের তুলনায় সহিংসতার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কম। চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও প্রকৃত অর্থে সরাসরি নির্বাচন-সম্পর্কিত সহিংসতায় একজন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়। হাতিয়ার একটি ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


প্রেস সচিব বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বডি-ওর্ন ক্যামেরা, সিসিটিভি এবং ‘সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা ১৭টি কেন্দ্র সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন। ভবিষ্যতে বডি-ওর্ন ক্যামেরা নির্বাচন ব্যবস্থাপনার স্থায়ী অংশ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন ও দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করা হয়। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ ও আইআরআই নির্বাচনের ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছে বলে জানানো হয়। নারী ও তরুণ ভোটারদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকেও ইতিবাচক দিক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
এছাড়া সদ্য পদত্যাগকারী সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।


ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, আগামী মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন বিকেল ৪টায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। বন্ধুপ্রতিম বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।


বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ভাগ্যবান যে এই জাতিকে সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।’ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে […]

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ৭২৭ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হতে পারে। এ ছাড়া তৃতীয় ধাপে আগামী ২ মে ৭৯০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হতে পারে।

এদিকে আগামী ১৩ মে চতুর্থ ধাপে ৯৫১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর সবশেষ পঞ্চম ধাপে বাকি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ২৭ মে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তবে সোমবারের বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ নিয়ে বৈঠক শুরু হয়েছে। যেখানে অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা […]

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৫

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করার প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ কেউ এটিকে অগণতান্ত্রিক ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থি মনে করেন। তবে সরকারের অবস্থান হলো, কোনো ব্যক্তি যেন ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে না পারেন।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব এলে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী দলকে বিশেষ কমিটির আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কমিটির কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিকেন্দ্রীকরণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকায় সরকার সেই অনুযায়ী এগোতে চায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সংবিধান সংশোধনী আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।