শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

হজ্জ পরিচালনায় রিয়াদ ও মদিনায় ডানা মেলবে ইউএস-বাংলা

দেশের অন্যতম বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা আগামীতে ঢাকা-জেদ্দা হজ ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। এতে হজ যাত্রীদের সময় ও ভোগান্তি কমে আসবে বলে আশা করছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে কক্সবাজারে হোটেল বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজে সাংবাদিক সম্মেলনে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক বলেন, প্রতিবছরই হজের সময় এয়ারলাইন্সগুলোর সিডিউল […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ নভেম্বর ২০২৪, ১২:০৫

দেশের অন্যতম বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা আগামীতে ঢাকা-জেদ্দা হজ ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। এতে হজ যাত্রীদের সময় ও ভোগান্তি কমে আসবে বলে আশা করছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে কক্সবাজারে হোটেল বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজে সাংবাদিক সম্মেলনে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক বলেন, প্রতিবছরই হজের সময় এয়ারলাইন্সগুলোর সিডিউল নিয়ে একটি সমস্যার সৃষ্টি হয়। এতে দেখা যায় হজ যাত্রীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জেদ্দায় পৌঁছাতে পারেন না। তাদের সুবিধার্থে এই ফ্লাইট চালুর জন্য আমরা ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনও দিয়েছি। আশা করছি আমরা অদূর ভবিষতে এই রুটে ফ্লাইট চালু করার অনুমতি পেয়ে যাবো।

তিনি বলেন, আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনদের জন্য বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মাসকট, দোহা, শারজা, আবুধাবিতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। সবশেষ ইউএস বাংলা সৌদি আরবের জেদ্দায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে। জেদ্দায় আমরা শুধু ভাই-বোনদের সেবা দিচ্ছি না, উমরা হজ যাত্রীদেরও সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এর মাধ্যমে সৌদি প্রবাসীদের পাশাপাশি যারা উমরা হজ করতে যাবেন তাদেরকেও সেবা দেওয়ার উদ্দেশে এ ফ্লাইট চালু করে এয়ারলাইন্সটি।

কামরুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি এয়ারলাইন্সেরই চীনের একটি রাজ্যে ফ্লাইট পরিচালনার স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপান্তর করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে এই এয়ারলাইন্সটি ঢাকা-গুয়াংঝু ফ্লাইট সফলভাবে পরিচালনা করে আসছে। কোভিডের সময় শুধু ঢাকা-গুয়াংঝু রুট ছাড়া বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট বন্ধ ছিলো। সেই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করেছে ইউএস বাংলা। সেখান থেকেই আমরা মাস্ক, পিপিইসহ কোভিডের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি এনে বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করেছি। আমরা শুধু বিজনেস করছি তা কিন্তু নয় আমাদের জায়গা থেকে আমরা দেশ তথা মানুষের সেবা দেওয়ারও চেষ্টা করেছি।

আরেকটি রুট হচ্ছে ঢাকা-চেন্নাই। এই রুটে অনেক যাত্রী ছিলো কিন্তু সরাসরি কোনো ফ্লাইট ছিলো না। আমরা শুধু ছোট একটি সিদ্ধান্তে সেই রুটেও ফ্লাইট পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের চট্টগ্রাম-কলকাতায় ৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হতো। সেখান থেকে আমরা তিনটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম-চেন্নাই করে দেই। এতেই মানুষ এখন সরাসরি এই এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম-চেন্নাই যাতায়াত করতে পারছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য উল্লেখযোগ্য একটি দেশ হচ্ছে মালদ্বীপ। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ যাওয়ার কোনো সরাসরি ফ্লাইট ছিলো না। বারবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে বলেও ব্যর্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ। অথচ এই দ্বীপ দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করছে। কিন্তু বাংলদেশ থেকে সরাসরি কোনো ফ্লাইট না থাকার কারণে কলম্বো, চেন্নাই অথবা মধ্যপ্রাচ্য থেকে যেতে হতো। এতে সময় ও টাকা দুটোই বেশি খরচ হতো। সেই ভোগান্তি দূর করার জন্য আমরা সরাসরি ঢাকা-মালদ্বীপ ফ্লাইট চালু করেছি।

এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে রিয়াদ ও মদিনা রুটে আমরা ফ্লাইট চালু করার পরিকল্পনা করেছি। এর জন্য আমাদের বহরে এয়ারবাস-৩৩০ যোগ করতে হবে। সেটি ২০২৫ সালের মধ্যেই সম্ভব হবে বলে আশা করছি। এছাড়াও ২০২৬ সালের দিকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ ইতালির রোমে ও ২০২৭ সালের মধ্যে ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক ও কানাডার টরেন্টোতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ইউএস-বাংলা ড্যাশ৮-কিউ ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আকাশপথে যাত্রা শুরু করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সকল বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা করে স্বল্পতম সময়ে আকাশপথের যোগাযোগব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করেছে ইউএস-বাংলা।

যশোর, সৈয়দপুর, রাজশাহীতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউএস-বাংলা যাত্রা শুরুর দুই বছরের মধ্যে ১৫ মে ২০১৬ তারিখে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রুটে ডানা মেলে। ইউএস-বাংলার আন্তর্জাতিক রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে কলকাতা, চেন্নাই, মালে, মাসকাট, দোহা, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, জেদ্দা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজু।

বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে ২৪টি এয়ারক্রাফট রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, ১০টি এটিআর ৭২-৬০০ এবং ৩টি ড্যাশ৮-কিউ ৪০০ এয়ারক্রাফট আছে। যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশের অধিক অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ড রয়েছে ইউএস-বাংলার।

যাত্রীসেবায় অনন্য নজির স্থাপন করায় ইউএস-বাংলা দেশীয় এয়ারলাইনস হিসেবে যাত্রীদের কাছে আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। দেশে-বিদেশে বর্তমানে প্রায় ৩ হাজার জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে ইউএস-বাংলার; যা দেশের বেকার সমস্যা সমাধানেও কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়া নিয়মিত ট্যাক্স-সারচার্জ পরিশোধ করে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিকে করছে আরও সুদৃঢ়।

ইউএস-বাংলার টিকিট সংগ্রহ করার জন্য রয়েছে ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস সুবিধা। দেশে এবং দেশের বাইরে নিজস্ব ৪০টির বেশি সেলস অফিস রয়েছে। ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ারদের জন্য রয়েছে ‘স্কাইস্টার’ প্রোগ্রাম।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।