১৯৯১ সালে বিএনপিকে সমর্থন দেওয়ার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ যখন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখন তারা বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। ১৯৯১ সালে বিএনপিকে সমর্থন দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
দেশের ঋণখেলাপি পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ঋণখেলাপির পরিমাণ বেড়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে বের করে আনার দায়িত্ব এখন বিএনপি সরকারের ওপর এসেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঋণখেলাপির মাত্রা কমতে শুরু করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে ঋণখেলাপির কলঙ্ক থেকে মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে। বিগত সময়ে অর্থ পাচারের কারণে দেশের ওপর বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাকস্বাধীনতার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের সময় দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে। তবে বাকস্বাধীনতার নামে কাউকে গালাগাল না করার আহ্বান জানান তিনি।
গালাগালির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও শালীনতা বজায় রাখা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে সরকারি ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজ করে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিগুলোর ঐক্যে ফাটল ধরলে আবারও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম হতে পারে। তাই গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।