বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুত সেই মাঠ আজও অপেক্ষায়, বছরের আট মাস পানির নিচে

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি বর্ষা এলেই পানির নিচে তলিয়ে যায় বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ। বছরের প্রায় আট মাসই মাঠটির বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে থাকায় সেখানে খেলাধুলা ও অনুশীলনের সুযোগ থাকে না। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এলাকার কিশোর-তরুণেরাও খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাঠটি উঁচু করে সারা বছর ব্যবহারের উপযোগী করার দাবি জানিয়ে এলেও এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান […]

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুত সেই মাঠ আজও অপেক্ষায়, বছরের আট মাস পানির নিচে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৫

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

বর্ষা এলেই পানির নিচে তলিয়ে যায় বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ। বছরের প্রায় আট মাসই মাঠটির বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে থাকায় সেখানে খেলাধুলা ও অনুশীলনের সুযোগ থাকে না। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এলাকার কিশোর-তরুণেরাও খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাঠটি উঁচু করে সারা বছর ব্যবহারের উপযোগী করার দাবি জানিয়ে এলেও এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পুরা দুর্গাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া পুরা দুর্গাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে একটি জনসভায় অংশ নেন। ওই সময় তিনি মাঠটি সড়কের সমান উঁচু করে ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতির পর দুই যুগেরও বেশি সময় পার হলেও মাঠটি উঁচু করে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে মাঠটি দীর্ঘ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে। পানি দ্রুত নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় জমে থাকা পানি সহজে সরে যেতে পারে না। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠটি খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

এর প্রভাব পড়ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলা ও অনুশীলনেও। পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার প্রয়োজন থাকলেও মাঠের জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে রয়েছে। মাঠের চারপাশেও পানি জমে আছে। পানিতে তলিয়ে থাকা মাঠে খেলাধুলার কোনো পরিবেশ নেই। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে প্রায় একই চিত্র দেখা যায়।

যশলং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য ঢালী মোহাম্মদ ওয়াহিদ বলেন, ‘বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে পানিতে ডুবে আছে। ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই মাঠে জনসভায় এসে মাঠটি সড়কের সমান করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত এর কোনো বাস্তবায়ন হয়নি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের খেলাধুলার জন্য মাঠটি ভরাট করা খুবই জরুরি।’

বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে কিশোর-তরুণদের মাদক, জুয়া ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। কিন্তু মাঠটি বছরের দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকায় নিয়মিত খেলাধুলা ও অনুশীলন ব্যাহত হচ্ছে।

পুরা দুর্গাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও ভালো। বিভিন্ন খেলায় তারা অংশ নেয় এবং উপজেলা পর্যায়ে একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। কিন্তু মাঠটি পানিতে ডুবে থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলার অনুশীলন করানো সম্ভব হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাঠের বিষয়টি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমরা চাই, যত দ্রুত সম্ভব মাঠটি উঁচু করে সারা বছর খেলাধুলার উপযোগী করে দেওয়া হোক।’

মাঠটির পুরোনো সমস্যার কথা তুলে ধরে কামরুল হাসান বলেন, ‘প্রায় দুই যুগ আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি সড়কের সমান উঁচু করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত মাঠটি উঁচু করা হয়নি।’

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাঠটি ভরাটের দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, মাঠটি ভরাট করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সারা বছর ব্যবহারের উপযোগী করা হোক।

স্থানীয়দের মতে, একটি বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ শুধু শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার স্থান নয়; এটি এলাকার কিশোর-তরুণদের সুস্থ বিনোদন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকার কারণে সেই সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে। তাই মাঠটির স্থায়ী সমাধানে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আনজুম সোহানিয়া বলেন, ‘আমি বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখব। মাঠের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।