শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুবর্ণচরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ, অবশেষে বদলি

‎নোয়াখালী, প্রতিনিধি; নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বদলি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ মার্চ সুবর্ণচরে যোগদানের পর থেকে তার নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, পাঠ্যবই গায়েব, শোকজ বাণিজ্য, শিক্ষকদের হয়রানি, কাজের দীর্ঘসূত্রিতাসহ নানাবিধ কারণে পুরো উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতা শিক্ষকরা ঊর্ধ্বতন […]

সুবর্ণচরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ, অবশেষে বদলি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৪৩

‎নোয়াখালী, প্রতিনিধি;

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বদলি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ মার্চ সুবর্ণচরে যোগদানের পর থেকে তার নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, পাঠ্যবই গায়েব, শোকজ বাণিজ্য, শিক্ষকদের হয়রানি, কাজের দীর্ঘসূত্রিতাসহ নানাবিধ কারণে পুরো উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে।

এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতা শিক্ষকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তবুও দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এ কর্মকর্তা।

জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে বিনামূল্যে বিতরণ করার জন্য বছরের শুরুতে পাঠ্যবই সরবরাহ করে সরকার। সুবর্ণচর উপজেলায় শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম এসব বই গ্রহণ এবং বিতরণের দায়িত্বে থাকলেও তিনি অন্যান্যদের সহযোগিতায় প্রায় ১২০০০ বই গায়েব করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে যথেষ্ট গোপনীয়তা রক্ষা করে চললেও বিষয়টি নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে।

পরে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি চলতি বছরের ২৯ ও ৩০ জুলাই সুবর্ণচরে এসে বিষয়টি তদন্ত করে।

‎সেবাগ্রহীতা শিক্ষকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান না করে বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনেকগুলো অভিযোগ জমা হয় ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে। অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য চলতি বছরের ৩ আগস্ট সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সঞ্চিতা দাশের নেতৃত্বে একটি কমিটি সুবর্ণচর এসে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের সাক্ষ্য নেন।

এছাড়া শাহ আলমের বিরুদ্ধে চাকরি স্থায়ীকরণের ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য ঘুষ আদায়, শিক্ষকদের নানা অযুহাতে শোকজ লেটার দিয়ে টাকা আদায়, বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ থেকে টাকা রেখে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। এসব কাজে শিক্ষক নেতা নামধারী কয়েকজন শিক্ষক তাকে সহযোগিতা করেন। এসব শিক্ষকরা প্রায়ই নিজেদের বিদ্যালয়ে অবস্থান না করে উপজেলা শিক্ষা অফিসের কম্পিউটারগুলোতে কাজ করার অজুহাতে শিক্ষা অফিসে অবস্থান করেন।

তাদের দাবি, শিক্ষা অফিসার তাদেরকে কল করে এনেছেন শিক্ষা অফিসের কাজ করার জন্য। আর এসব অপকর্ম করার জন্য চিহ্নিত ৩-৪ জন শিক্ষকসহ শিক্ষা অফিসার শাহ আলম রাত ৯-১০টা পর্যন্ত শিক্ষা অফিসে অবস্থান করেন যাতে ঘুষ লেনদেনের মতো গোপনীয় কাজগুলো অন্যদের নজরে না আসে।

‎পুরো উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ায় এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হওয়ায় নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার চলতি বছরের ২১ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি প্রতিবেদন পাঠায়। এতে শাহ আলমকে নোয়াখালী জেলার বাইরে বদলি করার আবেদন জানানো হয়।

‎এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে যেসব শিক্ষক-কর্মচারী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাদেরকে বেতন বন্ধসহ নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছেন শাহ আলম। ভবিষ্যতে তাদের আরও নানাভাবে হয়রানি করার আতঙ্কে ভুগছেন অনেক সাধারণ শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

‎ফলে এসব বিষয় আমলে নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অবশেষে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমকে খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় বদলি করে।

‎এ বিষয়ে জানতে শাহ আলমের মোবাইলে কল দিলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ অসত্য। এটা নিয়মিত বদলির অংশ, এটা কোনো শাস্তিমূলক বদলি নয়।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।