বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুবর্ণচরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ, অবশেষে বদলি

‎নোয়াখালী, প্রতিনিধি; নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বদলি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ মার্চ সুবর্ণচরে যোগদানের পর থেকে তার নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, পাঠ্যবই গায়েব, শোকজ বাণিজ্য, শিক্ষকদের হয়রানি, কাজের দীর্ঘসূত্রিতাসহ নানাবিধ কারণে পুরো উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতা শিক্ষকরা ঊর্ধ্বতন […]

সুবর্ণচরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ, অবশেষে বদলি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৪৩

‎নোয়াখালী, প্রতিনিধি;

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বদলি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ মার্চ সুবর্ণচরে যোগদানের পর থেকে তার নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, পাঠ্যবই গায়েব, শোকজ বাণিজ্য, শিক্ষকদের হয়রানি, কাজের দীর্ঘসূত্রিতাসহ নানাবিধ কারণে পুরো উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে।

এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতা শিক্ষকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তবুও দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এ কর্মকর্তা।

জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে বিনামূল্যে বিতরণ করার জন্য বছরের শুরুতে পাঠ্যবই সরবরাহ করে সরকার। সুবর্ণচর উপজেলায় শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম এসব বই গ্রহণ এবং বিতরণের দায়িত্বে থাকলেও তিনি অন্যান্যদের সহযোগিতায় প্রায় ১২০০০ বই গায়েব করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে যথেষ্ট গোপনীয়তা রক্ষা করে চললেও বিষয়টি নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে।

পরে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি চলতি বছরের ২৯ ও ৩০ জুলাই সুবর্ণচরে এসে বিষয়টি তদন্ত করে।

‎সেবাগ্রহীতা শিক্ষকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান না করে বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনেকগুলো অভিযোগ জমা হয় ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে। অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য চলতি বছরের ৩ আগস্ট সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সঞ্চিতা দাশের নেতৃত্বে একটি কমিটি সুবর্ণচর এসে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের সাক্ষ্য নেন।

এছাড়া শাহ আলমের বিরুদ্ধে চাকরি স্থায়ীকরণের ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য ঘুষ আদায়, শিক্ষকদের নানা অযুহাতে শোকজ লেটার দিয়ে টাকা আদায়, বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ থেকে টাকা রেখে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। এসব কাজে শিক্ষক নেতা নামধারী কয়েকজন শিক্ষক তাকে সহযোগিতা করেন। এসব শিক্ষকরা প্রায়ই নিজেদের বিদ্যালয়ে অবস্থান না করে উপজেলা শিক্ষা অফিসের কম্পিউটারগুলোতে কাজ করার অজুহাতে শিক্ষা অফিসে অবস্থান করেন।

তাদের দাবি, শিক্ষা অফিসার তাদেরকে কল করে এনেছেন শিক্ষা অফিসের কাজ করার জন্য। আর এসব অপকর্ম করার জন্য চিহ্নিত ৩-৪ জন শিক্ষকসহ শিক্ষা অফিসার শাহ আলম রাত ৯-১০টা পর্যন্ত শিক্ষা অফিসে অবস্থান করেন যাতে ঘুষ লেনদেনের মতো গোপনীয় কাজগুলো অন্যদের নজরে না আসে।

‎পুরো উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ায় এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হওয়ায় নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার চলতি বছরের ২১ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি প্রতিবেদন পাঠায়। এতে শাহ আলমকে নোয়াখালী জেলার বাইরে বদলি করার আবেদন জানানো হয়।

‎এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে যেসব শিক্ষক-কর্মচারী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাদেরকে বেতন বন্ধসহ নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছেন শাহ আলম। ভবিষ্যতে তাদের আরও নানাভাবে হয়রানি করার আতঙ্কে ভুগছেন অনেক সাধারণ শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

‎ফলে এসব বিষয় আমলে নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অবশেষে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমকে খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় বদলি করে।

‎এ বিষয়ে জানতে শাহ আলমের মোবাইলে কল দিলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ অসত্য। এটা নিয়মিত বদলির অংশ, এটা কোনো শাস্তিমূলক বদলি নয়।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।