শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ঢাকার পুলিশের দাবি ‘ফয়সাল ভারতে’, মেঘালয় পুলিশ বলছে ‘না’! তাহলে হাদির হত্যাকারীরা গেলো কোথায়?

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একই সঙ্গে তাদের ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে দেশটিতে দুজন গ্রেফতার হয়েছেন বলেও জানায় ডিএমপি। ঘটনার ১৬ দিন পর পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

নিউজ ডেস্ক

২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একই সঙ্গে তাদের ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে দেশটিতে দুজন গ্রেফতার হয়েছেন বলেও জানায় ডিএমপি। ঘটনার ১৬ দিন পর পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

তবে ঢাকার পুলিশের এই বক্তব্য সরাসরি অস্বীকার করেছে ভারতের মেঘালয় পুলিশ। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মেঘালয় পুলিশ এবং দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ডিএমপির উত্থাপিত উভয় দাবিই নাকচ করেছে। ফলে জনমনে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হয়েছে— তাহলে হাদির হত্যাকারীরা আসলে কোথায় রয়েছে। এই প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেছে।

রোববার দুপুরে হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি জানাতে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম ও আলমগীর শেখ ভারতে পালিয়ে গেছে। ইনফরমাল চ্যানেলের মাধ্যমে মেঘালয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা জানতে পেরেছেন, ফয়সালকে পালাতে সহায়তাকারী পুত্তি ও সামি নামের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি সন্দেহভাজনদের পালিয়ে যাওয়ার একটি বিবরণও তুলে ধরেন। তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হিন্দুস্তান টাইমস অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিএসএফ ও মেঘালয় পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে ডিএমপির এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, বাংলাদেশ পুলিশের এই বক্তব্য যে ফয়সাল ও আলমগীর হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে মেঘালয়ে পালিয়ে গেছেন এবং সেখানে অবস্থান করছেন— তা মেঘালয় পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী উপজেলা হালুয়াঘাট দিয়ে দুর্গম পথ ব্যবহার করে তারা ভারতে প্রবেশ করে। এ ঘটনায় সীমান্ত পারাপারে সহায়তাকারী কয়েকজন মানবপাচারকারীকে গ্রেফতারের কথাও জানায় ডিএমপি। তবে এসব দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো দৃঢ় প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন করা হয়নি। ভারতের পক্ষ থেকে অস্বীকৃতি আসায় পুরো ঘটনাটি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ১২ ডিসেম্বর হাদির ওপর হামলার পরপরই ফয়সাল ও আলমগীরকে মূল সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয় এবং প্রযুক্তিগত নজরদারিতে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু হয়। তবে তারা কৌশলে নিজেদের ডিজিটাল ডিভাইস বহন না করে সেগুলো অন্যভাবে সচল রাখে এবং বারবার অবস্থান পরিবর্তন করায়। এতে পুলিশ বিভ্রান্ত হয়।

পুলিশ যখন ওই ডিভাইসগুলোর লোকেশন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছিল, তখন সন্দেহভাজনরা নিরাপদে ঢাকা ছাড়িয়ে ময়মনসিংহ হয়ে হালুয়াঘাটে পৌঁছায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে হাদিকে গুলি করার পর তারা পল্টনের কালভার্ট রোড থেকে মোটরসাইকেলে করে নয়াপল্টন, শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও আগারগাঁও হয়ে মিরপুর এলাকায় চলে যায় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।