বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

অগ্রগতির জন্য আমাদের হাতে আছে তিন মাস: শ্রম সচিব

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, কাজ করার জন্য আমাদের হাতে মাত্র তিন মাস সময় আছে। এই তিন মাসে আপনারা দেখবেন আমরা অনেক অগ্রগতি করব। এখানে দুই-একটি বিষয় থাকতে পারে যেটি স্বল্প সময় অগ্রগতি করা সম্ভব হবে না। সোমবার (২৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:১৫

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, কাজ করার জন্য আমাদের হাতে মাত্র তিন মাস সময় আছে। এই তিন মাসে আপনারা দেখবেন আমরা অনেক অগ্রগতি করব। এখানে দুই-একটি বিষয় থাকতে পারে যেটি স্বল্প সময় অগ্রগতি করা সম্ভব হবে না।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। সচিব বলেন, ইউএসএ থেকে একটি টিম এসেছিল। তারা বাংলাদেশে শ্রমিকদের কি পরিস্থিতি সেটা জানতে চেয়েছে। সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কিছু রোডম্যাপ রয়েছে।

এর বাইরে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ইউএসএ এর ১১ দফার একটি ইস্যু রয়েছে। ১১ দফা তারা আমাদের দিয়েছিল। এই ১১ দফা নিয়ে আমরা খুব খোলামেলা কথা বলেছি। ইউএসএ থেকে যে টিম এসেছে সেখানে ইউএস অ্যাম্বাসিসহ বেশকিছু বায়াররাও এসেছে।

সফিকুজ্জামান বলেন, ১১ দফার বাইরেও বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. ইউনূস ইউএন অ্যাসেম্বেলিতে গিয়েছিলেন। সেখানে আইএলও -এর মহাপরিচালকের সঙ্গে তার একটি মিটিং হয়েছিল। এছাড়া আমেরিকার অনেক ব্রান্ড বায়ার সেখানে তার সঙ্গে মিটিং করেছিলেন। সেই মিটিংয়ে বাংলাদেশের শ্রম আইন, লেবার রাইটসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা একটি প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলেন। গতকাল বিকেলেও লেবার ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টা যমুনাতে আমাদের সঙ্গে লম্বা সময় বৈঠক করেছেন। সেখানেও এই সমস্ত বিষয় উঠে এসেছে।

শ্রম সচিব বলেন, আপনারা জানেন জেনেভাতে আইএলও এর গভর্নিং বডির যে বৈঠক হয়েছিল সেখানে আমরা আইন উপদেষ্টার নেতৃত্বে গিয়েছিলাম। সেখানেও আমরা কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলাম। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পরবর্তী গভর্নিং বডির মিটিং এর আগেই আমাদের শ্রম আইনটি সংশোধন করব। এটা প্রক্রিয়ার মধ্যে চলছে। সেখানে এই ১১ দফা এবং আইএলও এর রোডম্যাপের প্রতিফলন থাকবে।

সচিব আরও বলেন, এসব বিষয়ে আমরা এর আগে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছি। সেই বৈঠকে আমরা ১৮ দফা নিয়ে আলোচনা করেছি। সেখানে এই ১১ দফাও আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়টি আজকের ইউএসএ প্রতিনিধি দল প্রশংসা করেছে। প্রধান উপদেষ্টাও এ বিষয়টি প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন,

এখন কাজ করার জন্য আমাদের হাতে মাত্র তিন মাস সময় আছে। এই তিন মাসে আপনারা দেখবেন আমরা অনেক অনেক অগ্রগতি করব। সেখানে দু-একটি বিষয় থাকতে পারে যেটি স্বল্প সময় অগ্রগতি করা সম্ভব হবে না। সম্প্রতি লেবার রিফর্ম কমিশন গঠন হয়েছে। এই কমিশন আমাদের কাজকে অনেকটা সহজ করে দেবে।

আন্তর্জাতিকভাবে বায়াররা ট্রেড ইউনিয়ন এবং লেবার রাইটস নিয়েই কথা বলেন উল্লেখ করে সচিন বলেন, এসব ইস্যুতে ইউএস প্রতিনিধি দল আমাদের সাপোর্ট দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তারা বলেছে ‘আমরা একসাথে কাজ করতে চাই’। আমরা তাদের বলেছি আমরা তাদের সঙ্গে নিয়েই কাজ করব। এছাড়া ১১ দফার যে বিষয়টি আছে সেটা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এটা তারা স্বচ্ছতার সঙ্গে করতে বলেছে। যেহেতু বর্তমানে

একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রয়েছে সেহেতু আমরা আশা করছি এই কাজগুলো স্বচ্ছতার সঙ্গেই করা হবে। তিনি বলেন, শ্রমখাতে আইএলও এর রোড ম্যাপ এবং ইউএসএ এর ১১ দফার মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। এখানে ট্রেড ইউনিয়ন, কাজের পরিবেশ এবং ওয়াশের ইস্যুও রয়েছে। আমরা যে ১৮ দফা নিয়ে কাজ করছি এই ১১ দফার মধ্যে সবকিছুই তার মধ্যে আছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।