শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পলাতক আওয়ামী এমপিদের গাড়ি যাচ্ছে আমলাদের সেবায়

এমপি কোটায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা ৩০টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন ব্যবহার করবেন সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিলামে বিক্রির পরিবর্তে গাড়িগুলো সরকারি পরিবহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। গত বুধবার বিকালে চিঠি পাওয়ার পর দাপ্তরিক কাজ শেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের কার শেডে থাকা গাড়িগুলো পরিবহন পুলে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু […]

পলাতক আওয়ামী এমপিদের গাড়ি যাচ্ছে আমলাদের সেবায়

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৫১

এমপি কোটায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা ৩০টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন ব্যবহার করবেন সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিলামে বিক্রির পরিবর্তে গাড়িগুলো সরকারি পরিবহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

গত বুধবার বিকালে চিঠি পাওয়ার পর দাপ্তরিক কাজ শেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের কার শেডে থাকা গাড়িগুলো পরিবহন পুলে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে কাস্টম। তবে এক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ অতীতে এ ধরনের সিদ্ধান্তের কোনো নজির নেই। নিলামে বিক্রি ছাড়া বিকল্প উপায়ে গাড়িগুলো ব্যবহার করায় ভবিষ্যতে আইনি জটিলতায় পড়ার শঙ্কাও করছেন কেউ কেউ।

সূত্র জানিয়েছে, শুল্কমুক্ত সুবিধায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩৮টি বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি করেন পতিত সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা। এর মধ্যে ৩১টি গাড়ি ছাড় করার আগেই পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। এর পরপরই ভেঙে দেওয়া হয় সংসদ। ফলে গাড়িগুলো ছাড় করার আর কোনো সুযোগ ছিল না। কারণ গাড়ি ছাড় করার আগে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে হলে স্পিকারের ইস্যু করা প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংসদ বিলুপ্ত হওয়ায় সেই সুযোগ হাতছাড়া হয় পলাতক মন্ত্রী-এমপি ও তাদের ওয়ারিশদের।

এদিকে বন্দরে খালাস হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পণ্য ছাড় করানোর যে বাধ্যবাধকতা আছে সেই সময়সীমাও পেরিয়ে যায়। ফলে নিলামের মাধ্যমে গাড়িগুলো বিক্রি করে জায়গা খালি করতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসকে চিঠি দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের তাগিদ আমলে নিয়ে নিলাম বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। নিয়মানুযায়ী ৩০০ থেকে ৮০০ শতাংশ শুল্ক ধরে জাপানে প্রস্তুত ২০২২ মডেলের এসব গাড়ির ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয় তিন কোটি থেকে ১৬ কোটি টাকা পর্যন্ত।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, কাস্টমকেন্দ্রিক নিলাম সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে বিলাসবহুল গাড়িগুলো পানির দামে কিনে নিতে। প্রথম নিলামে সিন্ডিকেট করে ৮ থেকে ১৬ কোটি টাকার গাড়ির দাম তোলা হয় এক থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত। কাস্টমসের নিলাম নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম নিলামে ভিত্তিমূল্যের ৬০ শতাংশ দাম উঠলে বিডারের অনুকূলে পণ্য সরবরাহ করার নিয়ম রয়েছে।

এছাড়া প্রথম নিলামে ভিত্তিমূল্যের নির্ধারিত দাম না উঠলে দ্বিতীয় নিলামের আয়োজন করার বিধান রয়েছে। প্রথম নিলাম থেকে দ্বিতীয় নিলামে বেশি দাম উঠলেই বিডারকে পণ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে কাস্টম হাউস। এ নিয়মে প্রথম নিলামে যেই গাড়ির দাম এক লাখ টাকা উঠেছে দ্বিতীয় নিলামে এক লাখ এক টাকা উঠলে ওই বিডারকে সেই গাড়ি সরবরাহ করতে বাধ্য হবে কাস্টমস।

নিলাম সিন্ডিকেটের এ চালাকি ধরে ফেলে সরকার। দ্বিতীয় নিলামের আয়োজন না করেই বিলাসবহুল গাড়িগুলো নিজেদের অনুকূলে নিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অবশেষে সে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বন্দরে পাঠানো হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, এনবিআরের কাস্টমস, রপ্তানি, বন্ড ও আইটি শাখার সদস্য কাজী মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিটি চট্টগ্রাম কাস্টমসে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা পতিত সরকারের সাবেক মন্ত্রী এমপিদের ৩০টি গাড়ি দীর্ঘদিন পড়ে থেকে গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিলেও যথাযথ দাম না পাওয়ায় বিকল্প উপায়ে গাড়িগুলো ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপকমিশনার এইচএম কবীর জানান, বিগত সরকারের শেষ সময়ে আনা ৩৮টি গাড়ির মধ্যে সাতটি গাড়ি আমদানিকারকরা সরকার পতনের আগেই ছাড় করে নেন। বাকি ৩১টি গাড়ির মধ্যে একটি গাড়ির আমদানিকারক আদালতে মামলা করে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই গাড়ি কাস্টমসের জিম্মায় থাকবে। বাকি ৩০টি গাড়ি সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যানবাহন অধিদপ্তরে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব দাপ্তরিক কাজ শেষ করে গাড়িগুলো পরিবহন পুলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তবে নিলাম ছাড়া বিকল্প উপায়ে নিষ্পত্তির বিধান আইনে থাকলেও তা কখনো ব্যবহার করা হয়নি। তাই এক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আইনি কোনো জটিলতায় পড়ার শঙ্কা আছে কি নাÑতা খতিয়ে দেখতে আরো কিছুটা সময় লাগতে পারে।

সরকারের এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম কাস্টম বিডার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব চৌধুরী। তার দাবি গাড়িগুলোর ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করার সময় বাজারমূল্য থেকে অনেক বেশি ধরেছিল কাস্টম হাউস। আর এ কারণেই নিয়ম রক্ষায় প্রথম নিলামে নামমাত্র দাম দিয়েছিলেন তারা। দ্বিতীয় নিলামে অবশ্যই ন্যায্য দাম দিত সবাই। সরকারের উচিত ছিল নির্বাহী অর্ডারে গাড়িগুলো না নিয়ে নিলামে অংশ নিয়ে কিনে নেওয়া। এতে নিয়মের ব্যত্যয় না হওয়ার পাশাপাশি বড় অঙ্কের রাজস্ব আয়ও হতো কাস্টমসের।

রিকন্ডিশন গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বারভিডার সাবেক সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী জানান, শুধু এমপি কোটার ৩০টি গাড়ি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে তা নয়, ২০ বছরের বেশি সময় ধরে আটকে আছে আরো কয়েকশ গাড়ি। যার একাংশ ইতিমধ্যে স্ক্র্যাপ হিসেবেও বিক্রি করা হয়েছে। তাই এমপি কোটার গাড়ির মতো অন্য গাড়িগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা হলে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে আমদানি করা সম্পদগুলো নষ্ট হতো না।

এই চালানে নিয়ে আসা গাড়ি সরকার পতনের ঠিক আগ মুহূর্তে ছাড় করে নিয়েছিলেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং ব্যারিস্টার সুমনসহ অন্তত সাতজন পলাতক মন্ত্রী-এমপি। আর বাকি যাদের গাড়ি আটকে পড়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হলেন—অভিনেত্রী তারানা হালিম, জান্নাত আরা হেনরী, ময়মনসিংহের আবদুল ওয়াহেদ, জামালপুরের আবুল কালাম আজাদ, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের এস আল মামুন, বাঁশখালীর মুজিবুর রহমান, খুলনার এসএম কামাল হোসাইন, নওগাঁর সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, গাইবান্ধার শাহ সারোয়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসএকে একরামুজ্জামান, নেত্রকোনার সাজ্জাদুল হাসান, ঝিনাইদহের নাসের শাহরিয়ার জাহেদী, যশোরের তৌহিদুজ্জামান এবং সুনামগঞ্জের মুহাম্মদ সাদিক প্রমুখ।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।