সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পুলিশে ৪২৪ পদ শূন্য, কার্যত নিষ্ক্রিয় ১১৯ কর্মকর্তা

পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পদগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার পর্যায়ে বর্তমানে মোট ৪২৪টি পদ শূন্য রয়েছে। একই সঙ্গে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার পর্যায়ের ১১৯ জন কর্মকর্তা বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত রয়েছেন, কিন্তু তাদের কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব নেই। অধিকাংশই প্রতিদিন হাজিরা দিয়ে কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকছেন। এই […]

পুলিশে ৪২৪ পদ শূন্য, কার্যত নিষ্ক্রিয় ১১৯ কর্মকর্তা

পুলিশে ৪২৪ পদ শূন্য, কার্যত নিষ্ক্রিয় ১১৯ কর্মকর্তা

নিউজ ডেস্ক

০৩ জুলাই ২০২৫, ১০:১৯

পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পদগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার পর্যায়ে বর্তমানে মোট ৪২৪টি পদ শূন্য রয়েছে। একই সঙ্গে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার পর্যায়ের ১১৯ জন কর্মকর্তা বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত রয়েছেন, কিন্তু তাদের কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব নেই। অধিকাংশই প্রতিদিন হাজিরা দিয়ে কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকছেন।

এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করছে, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। আমরা প্রস্তুত আছি।’

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, অতিরিক্ত আইজিপির মোট ২৯টি পদের মধ্যে নয়টি, যার মধ্যে দুইটি গ্রেড-১ ও সাতটি সুপারনিউমারারি পদ এখনো শূন্য। ডিআইজির ১৫২টি পদের মধ্যে ৩৪টি শূন্য রয়েছে। ৩৪১টি অতিরিক্ত ডিআইজির মধ্যে দুটি, ১ হাজার আটটি অতিরিক্ত এসপির মধ্যে ৪৭টি এবং ১ হাজার ২৩১টি এএসপির মধ্যে ৩৩২টি পদ এখনো খালি। পুলিশ সুপারের ৭৪৬টি অনুমোদিত পদের কোনোটিই শূন্য না থাকলেও, অন্তত ৫৭ জন এসপি বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত আছেন, যাদের নির্দিষ্ট কোনো দায়িত্ব নেই।

তবে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) এনামুল হক সাগর ইত্তেফাককে বলেন, ‘পদোন্নতি, বদলি ও শূন্য পদ পূরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির আগেই পদোন্নতি দিয়ে শূন্য পদ পূরণ করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এর সঙ্গে নির্বাচন প্রস্তুতির কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আশা করি নির্বাচনের আগেই পদোন্নতি হয়ে যাবে।’

বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা :শীর্ষ পদ শূন্য থাকা এবং অনেক কর্মকর্তাকে কার্যত নিষ্ক্রিয় রাখায় বাহিনীর অনেক সিনিয়র কর্মকর্তার মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এসপি বলেন, ‘আমরা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছি। যদি কোনো অপরাধ করে থাকি, ব্যবস্থা নিন। কিন্তু কোনো দায়িত্ব না দিয়ে এভাবে বসিয়ে রাখা অত্যন্ত হতাশাজনক।’

একজন ডিআইজি বলেন, ‘গত সরকার আমলে আমার তিন ব্যাচ জুনিয়রদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। আমাকে কখনো কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এখন অবসরের দ্বারপ্রান্তে এসে পদোন্নতি না পেলে আমি ডিআইজি থেকেই বিদায় নিতে বাধ্য হব।’

গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর কমপক্ষে ৪০ জন কর্মকর্তা, যাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জুলাই-আগস্ট আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এএসপি থেকে ঊর্ধ্বতন ২৩ জন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও ৫৭ জন কর্মকর্তা এসপি থেকে এএসপি পর্যায়ের পলাতক বা ৬০ দিনের বেশি সময় ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এদের অনেকেই শেখ হাসিনার সরকারের সময় রাজনৈতিক দমন-পীড়নের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত।

একজন অতিরিক্ত এসপি বলেন, ‘পদোন্নতি আর বদলি নিয়ে আমাদের মানসিক চাপ এত বেশি যে, বাহিনীর কৌশলগত দক্ষতা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের চিন্তা অনেক সময় চাপা পড়ে যায়।’

নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতির নির্দেশ :আইজিপি বাহারুল আলম মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। কিছু দিন আগে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনাসভায় তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে মোবাইল টহল, গার্ড পোস্ট, কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তাসহ সব কার্যক্রমে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

সভায় ডিএমপি কমিশনার শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাত আলী বলেন, ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক অপরাধী শনাক্ত করে গ্রেফতার বাড়াতে হবে। গোয়েন্দা শাখাসহ সবাইকে আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।