সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বিএনপির ২ গ্রুপের দ্বন্দ্বে লাইনম্যানকে মারধর, উপদেষ্টা আসিফের ওপর মিথ্যাচার

কুমিল্লার মুরাদনগরে স্থানীয় বাজারের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের মারামারির ঘটনাকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার (৯ জুন) উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের পান্তি বাজারের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংগঠিত দু পক্ষের মারামারিকে আসিফ মাহমুদের গাড়িবহরে যানজটের কারণে তার অনুসারীরা মারধর করেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এ সংবাদের প্রতিবাদ জানায় বৈষম্যবিরোধী […]

বিএনপির ২ গ্রুপের দ্বন্দ্বে লাইনম্যানকে মারধর, উপদেষ্টা আসিফের ওপর মিথ্যাচার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ জুন ২০২৫, ১৭:০৯

কুমিল্লার মুরাদনগরে স্থানীয় বাজারের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের মারামারির ঘটনাকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ উঠেছে।

গত সোমবার (৯ জুন) উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের পান্তি বাজারের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংগঠিত দু পক্ষের মারামারিকে আসিফ মাহমুদের গাড়িবহরে যানজটের কারণে তার অনুসারীরা মারধর করেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এ সংবাদের প্রতিবাদ জানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত সোমবার (৯ জুন) সকালে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ নিজ এলাকায় ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে আসেন।

এরই অংশ হিসেবে সকাল ১০টার দিকে পান্তি বাজারে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসেন। বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, উপদেষ্টা আসার আগেই বাজারের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুটো পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হন।

এক পর্যায়ে পাহারপুর সরকার বাড়ির কয়েকজনকে দৌঁড়ে ঈশ্বরের মিষ্টি দোকানে নিয়ে মারধর করে ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। দুপক্ষই স্থানীয় বিএনপি কর্মী বলে জানা যায়।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর উপদেষ্টা পান্তি বাজারে প্রবেশ করে এবং উপস্থিত সবার সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করে চলে যান।

একাধিক ব্যবসায়ী জানান, বিকেল ৩টার দিকে আলামিন, কাইউম, রাকিবের নেতৃত্বে পাহাড়পুর সরকার বাড়ির লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে সকালে মারধরকারী ও মোবাইল ছিনতাইকারীদের খুঁজতে বাজারে যায়। মারধরের সাথে জড়িত ও মোবাইল নিয়ে যাওয়া বাজারের লাইনম্যান মহিউদ্দিনকে সামনে পেয়ে মারধর করে। মহিউদ্দিন পাহাড়পুর ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

মহিউদ্দিনের মারধরের ঘটনাকে ৪ দিন পর উপদেষ্টার গাড়িবহরে যানজটের কারণে মারধর করা হয় মর্মে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

এসব সংবাদ মিথ্যাচার বলে অভিযোগ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা অ্যাডভোকেট ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, অন্য ঘটনাকে উপদেষ্টাকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। একটি মহল সর্বদা উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

চার দিন আগের পারিবারিক ঘটনাকে উপদেষ্টাকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের নিন্দা জানাচ্ছি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহাগ মিয়া বলেন, বাজারে দুপক্ষের মারামারিতে উপদেষ্টার কোনো সম্পর্ক নেই। ঘটনা উপদেষ্টা আসার আগেই।

ঈশ্বর মিষ্টান্ন ভান্ডারের দোকানী ঈশ্বর দাস বলেন, একজনকে দৌড়ে আমার দোকানে ঢুকিয়ে কয়েকজন মারধর করে, মোবাইল নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পাহারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামাদ মাঝি জানান, উপদেষ্টার গাড়িবহর বা যানজট সংক্রান্ত কোন বিষয়ে মারধরের ঘটনা ঘটেনি। উপদেষ্টা আসার আগেই অন্য বিষয়ে এলাকার দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এছাড়া কিছু নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুর রহমান বলেন, উপদেষ্টার আগমনের আগে পান্তি বাজারে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় শুনেছি। তবে উপদেষ্টার গাড়িবহর আসার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। হামলা হয়েছে এমন মর্মে কোন অভিযোগ আসেনি।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, উপদেষ্টা আসার চার দিন পর পত্রিকায় দেখলাম মারধরের ঘটনা। বে এ নিয়ে কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।

উল্লেখ্য, কথিত লাইনম্যান মহিউদ্দিন আগেও চুরি ও ডাকাতির অভিযোগে মারধরের শিকার হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হন।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।