বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নিষিদ্ধ আ. লীগ চায় বাংলাদেশ যেন গোলামি করে : ড. ইউনুস

ড. ইউনূস স্বীকার করেছেন, আমরা এক ধরনের যুদ্ধাবস্থায় আছি। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে একটি মহল। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে হবে।

নিউজ ডেস্ক

২৬ মে ২০২৫, ০০:৫২

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অবশেষে সরাসরি মুখ খুললেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন—

“সবাই একসঙ্গে বসেছে, তাতেই আমার মনবল বেড়েছে।”

চলমান বিভাজনের আবহে এই বক্তব্য যেমন ঐক্যের আহ্বান, তেমনি একটি সতর্ক বার্তাও—যেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,

“যতদিন আমি আছি, দেশের অনিষ্ট হবে এমন কোনো কাজ আমাকে দিয়ে হবে না, নিশ্চিত থাকুন।”

রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত রাজনৈতিক সংলাপ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপদেষ্টার বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন,

“ড. ইউনূস স্বীকার করেছেন, আমরা এক ধরনের যুদ্ধাবস্থায় আছি। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে একটি মহল। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে হবে।”

ড. ইউনূস আরও বলেন,

“অভ্যুত্থানের কারণে আমরা এক মহা সুযোগ পেয়েছি—একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ার। কিন্তু ঠিক এই সময়ে দেশ-বিদেশের কিছু চক্র একসঙ্গে ষড়যন্ত্র করছে, যেন আমরা গোলামিতে ফিরে যাই। তারা চায় আমরা অগ্রসর না হই, পেছনে ফিরে যাই, সবকিছু ধসে পড়ুক।”

প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যে রাজনৈতিক দৃশ্যপটের গভীর সংকেত পাওয়া যায়। তিনি বলেন,

“আমি যতদিন এখানে আছি, দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু হবে না। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে নিজেকে অপরাধী মনে করব।”

ড. ইউনূসের এই বক্তব্য শুধু আত্মপক্ষ সমর্থন নয়—বরং দেশের ভেতর-বাহিরে যেসব চাপ ও ষড়যন্ত্র চলছে, তার বিরুদ্ধে এক ধরনের নৈতিক অবস্থানও। বিশেষ করে যখন বিএনপি ও এনসিপি থেকে তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, যখন বিভিন্ন মহল থেকে পদত্যাগের চাপ আসছে, তখন এই ঘোষণা অনেকটা প্রতিরোধের বার্তা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন সময় এই বক্তব্য এসেছে যখন একটি পক্ষ দেশে সহিংসতা ও বিভাজনের মধ্য দিয়ে সংকট বাড়াতে চাইছে। অন্যদিকে, নিজ দলের কয়েকজন উপদেষ্টার কার্যক্রম ও একপক্ষীয় আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। ফলে ড. ইউনূসকে এ অবস্থায় স্পষ্ট অবস্থান নিতে হয়েছে।

এই বৈঠক এবং এর পরের ঘোষণাগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখা যাক, এই মনোবলের কথা বলা প্রধান উপদেষ্টা আদৌ রাজনৈতিক ঐক্য গড়তে সক্ষম হন কি না, নাকি তাকেও দুর্বলতার দায়ে ইতিহাসে স্থান নিতে হয়।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।