মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ক্যান্টিনে গরুর মাংস রান্না চেয়ে রিট

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের (আইনজীবী সমিতি) ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস রান্না ও বিক্রির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদককে বিবাদী করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। আগামী সপ্তাহে আবেদনটির ওপর শুনানি […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ অক্টোবর ২০২৪, ১০:৪৮

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের (আইনজীবী সমিতি) ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস রান্না ও বিক্রির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদককে বিবাদী করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। আগামী সপ্তাহে আবেদনটির ওপর শুনানি হবে বলেও তিনি জানান।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা তাদের পেশাগত কাজে সাধারণত সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কোর্টে অবস্থান করেন‌। ফলে বেশিরভাগ আইনজীবীদের সুপ্রিম কোর্টের ক্যান্টিনগুলোতে সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং বিকালের খাবার খেতে হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস রান্না ও বিক্রি করা হয় না। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের অবৈধ ও অসাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞার কারণে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ক্যান্টিনগুলো গরুর মাংস রান্না ও বিক্রি করতে পারে না।
রিট আবেদনে আরও বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বেশিরভাগ আইনজীবী ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আবার ইসলাম ধর্মাবলম্বী আইনজীবীদের মধ্যে বেশিরভাগ আইনজীবী‌ই তরুণ। অপরদিকে গরুর মাংস ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। প্রতিবছর ঈদুল আজহায় বাংলাদেশে লাখ লাখ গরু কোরবানি করা হয়। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন সম্পূর্ণ অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস রান্না ও বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে সুপ্রিম কোর্টের আপামর মুসলিম ধর্মাবলম্বী আইনজীবীরা বারের ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস খেতে পারছেন না ।
অ্যাসোসিয়েশনের ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস রান্না ও বিক্রি করতে বাধা দেওয়ার মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের মুসলিম ধর্মাবলম্বী আইনজীবীদের বৈধ খাদ্য গ্রহণে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক অধিকার ৩২ এর অধীনে ‘জীবনের অধিকারে’ হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস রান্না ও বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ বৈআইনি ও অসাংবিধানিক। স্বাস্থ্যগত কারণে বা ধর্মীয় বিশ্বাসগত কারণে যারা গরুর মাংস খেতে চান না, তাদের জন্য সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ক্যান্টিনগুলোতে কিছু আলাদা চেয়ার ও টেবিল রাখা যেতে পারে। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর জনপ্রিয় খাবার গরুর মাংস রান্না ও বিক্রি করতে বাধা প্রদান করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অসাংবিধানিক।
ইতোপূর্বে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বরাবর এ বিষয়ে আবেদন করা হলেও বিষয়টি সুরাহা না হ‌ওয়ায় হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে বলেও রিটকারী আইনজীবী জানান।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।