বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

শিক্ষার্থীরা দেশের ভেতরেই ভবিষ্যত দেখতে পাবে: শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার

অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার বলেছেন, তিনি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেন যেখানে শিক্ষার্থীরা দেশের ভেতরেই তাদের ভবিষ্যৎ দেখতে পারবে এবং বাংলাদেশ থেকেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে। তিনি স্বীকার করেন যে, এই পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়—একদিনে, এক বছরে, এমনকি পাঁচ বছরেও নয়। তবে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে ভিত্তি গড়ে তুলতে […]

শিক্ষার্থীরা দেশের ভেতরেই ভবিষ্যত দেখতে পাবে: শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৬ মার্চ ২০২৫, ০০:৪২

অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার বলেছেন, তিনি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেন যেখানে শিক্ষার্থীরা দেশের ভেতরেই তাদের ভবিষ্যৎ দেখতে পারবে এবং বাংলাদেশ থেকেই বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে। তিনি স্বীকার করেন যে, এই পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়—একদিনে, এক বছরে, এমনকি পাঁচ বছরেও নয়। তবে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বুধবার উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। আমরা কখনো ভাবিনি যে, আমাদের জীবদ্দশায় এভাবে মুক্তভাবে কথা বলার সুযোগ পাব। প্রধান উপদেষ্টা আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, এটি নিঃসন্দেহে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তিনি নিজেও বলেছেন, সামনের পথ সহজ হবে না, বরং কঠিন হবে। তবে এটি মোকাবিলা করতেই আমি এসেছি।”

শিক্ষাখাতকে একটি বিশাল ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা সবাই জনগণের টাকায় বড় হয়েছি। ফলে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে জনগণের প্রতি। শিক্ষা এমন একটি ক্ষেত্র, যা শুধু চাকরি বা কর্মসংস্থানের জন্য নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের মূল চালিকাশক্তি।”

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের প্রসঙ্গে সি আর আবরার বলেন, “আমি কখনো ভাবিনি যে, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদে এসে দায়িত্ব পালন করব। তবে আমি মনে করি, শিক্ষা হলো এমন একটি মাধ্যম, যা ব্যক্তির কর্মদক্ষতা অর্জন, আত্মোন্নয়ন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি বিজ্ঞান-প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে সহায়ক এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক তৈরির অন্যতম উপায়।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এমন হতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যা দেবে না, বরং তাদের বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুত করবে। আমরা চাই, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিলেও দেশে ফিরে এসে কাজ করবে এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। এজন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং গবেষণা কার্যক্রমে গুরুত্ব বাড়াতে হবে।”

নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা স্বীকার করেন, শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান চিত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পাঠ্যক্রমে আধুনিকীকরণ, দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষা, প্রযুক্তির ব্যবহার, বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে তার অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, “আমরা চাই, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা দেশের মধ্যেই সর্বোচ্চ মানের শিক্ষা পাবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম হবে।”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ইতোমধ্যে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের উপযোগী শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হলে শুধু নীতিমালা নয়, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য সরকার, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা হতে হবে এমন, যা ছাত্রদের শুধু চাকরির পেছনে ছোটার মানসিকতা থেকে বের করে এনে উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করবে।”

অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা খাত সংস্কারের প্রচেষ্টার বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিকাশের সুযোগ পাবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, শিক্ষাকে একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা, যা বৈষম্য দূর করবে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।”

প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বেশ কিছু নীতিগত সংস্কারের কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রমের প্রসার, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা উপদেষ্টা তার বক্তব্যের শেষে বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিক্ষার মান হবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উপযোগী, যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরি প্রত্যাশী হবে না, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী উদ্যোক্তায় পরিণত হবে।”

এই দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিকল্পনার আলোকে নতুন শিক্ষা উপদেষ্টার নেতৃত্বে শিক্ষাখাতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছে দেশের শিক্ষা মহল।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।