বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বন্যার্তদের সহায়তায় ১৩৪ মিলিয়ন ডলার দেবে জাতিসংঘ

বাংলাদেশে চলমান ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১৩৪ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে জাতিসংঘ। দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা। রোববার বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের মে মাস থেকে বাংলাদেশ চারটি ভয়াবহ দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, হাওড় অঞ্চলে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৩:১৭

বাংলাদেশে চলমান ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১৩৪ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে জাতিসংঘ। দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা। রোববার বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের মে মাস থেকে বাংলাদেশ চারটি ভয়াবহ দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, হাওড় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা, যমুনার নদীর আশপাশে বন্যা এবং পূর্বাঞ্চলেও নজিরবিহীন বন্যা হয়। এসব দুর্যোগে মারাÍক বিপর্যয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের ৪৫ শতাংশ এলাকায় ১৮.৪ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকা ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব বিপর্যয় থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এবং সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে ‘মানবিক সহায়তা পরিকল্পনা (এইচআরপি)’ গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত এ পরিকল্পনা চলবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর ঘূর্ণিঝড় রেমালের সময় প্রথমবার মানবিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা তৃতীয় ধাপে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এইচআরপির উদ্দেশ্য হলো দেশের ২৮টি জেলার ২.৫ মিলিয়ন মানুষের মাঝে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। মাত্র ২৮ শতাংশ অর্থায়ন পেলেও এইচআরপি ইতোমধ্যে ১.৮ মিলিয়ন মানুষের মাঝে সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে। এ সংশোধিত পরিকল্পনাটি বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘ ও অন্যান্য বেসরকারি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত আরও অনুদান সংগ্রহের জন্য একটি সাধারণ প্ল্যাটফরম গঠনের আহ্বান জানায় এইচআরপি। মানবিক সমন্বয় টাক্স টিমের (এইচসিটিটি) সহ-সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুইন লুইস এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান এ উদ্যোগটি চালু করেছিলেন।
লুইস বলেন, কয়েক মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যে ভয়াবহ দুর্যোগ গেছে, তা অবর্ণনীয় মানবিক বিপর্যয়। সরকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ত্রাণ ও সহায়তার জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দুর্যোগকালীন ঝুঁকি কমাতে সাহায্যকারী দাতা সংস্থাগুলোকে সরাসরি অনুদান দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।
ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল হাসান বলেন, সরকার, জাতিসংঘ, অন্যান্য গোষ্ঠী এবং এনজিও অংশীদারদের মাধ্যমে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। জলবায়ু সংকটে খাপ খাওয়ানোর জন্য জনসাধারণকে সামগ্রিকভাবে প্রস্তুত করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশোধিত এইচআরপির মাধ্যমে দুর্যোগ পরিস্থিতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তার পাশাপাশি শিশু সুরক্ষা ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ঘরবাড়ি নির্মাণ, খাদ্য ও পুষ্টির জোগান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং ল্যাট্রিন পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এইচআরপির মাধ্যমে সমাজে অসহায় নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, হিজড়াসহ অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।