সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

তিস্তার হিস্যা দিতে ভারতকে বাধ্য করা হবে : আসিফ মাহমুদ

তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ভারতকে বাধ্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। রোববার কাউনিয়ার তিস্তা সড়ক সেতু ও ব্রিজের পাশে আয়োজিত এক শুনানিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, অতীতের সরকার ভারতের সঙ্গে কেবলমাত্র কূটনৈতিক সৌজন্যের ছবি তুলেই সন্তুষ্ট থেকেছে, কিন্তু তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা […]

তিস্তার হিস্যা দিতে ভারতকে বাধ্য করা হবে : আসিফ মাহমুদ

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২১:৩৯

তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ভারতকে বাধ্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। রোববার কাউনিয়ার তিস্তা সড়ক সেতু ও ব্রিজের পাশে আয়োজিত এক শুনানিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, অতীতের সরকার ভারতের সঙ্গে কেবলমাত্র কূটনৈতিক সৌজন্যের ছবি তুলেই সন্তুষ্ট থেকেছে, কিন্তু তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ভারতের সঙ্গে ন্যায্য আলোচনার মাধ্যমে তিস্তার পানির সমস্যা সমাধানে আমরা অটল থাকব এবং ভারতকে এই হিস্যা দিতে বাধ্য করব।

তিনি আরও বলেন, তিস্তার চরে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ আবাদি ফসল নষ্ট হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে কোল্ড স্টোরেজের অভাব থাকায় কৃষকের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি, এখানে অধিক সংখ্যক কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে, যাতে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ করা যায় এবং তারা ন্যায্যমূল্য পান।

এছাড়াও তিনি বলেন, কাউনিয়া থেকে লালমনিরহাট ব্রিজের নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করা হবে এবং এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি নিজেই তদারকির দায়িত্ব নেবেন। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার হার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এই অঞ্চলে শিক্ষার হার তুলনামূলক কম, যা উন্নয়নের পথে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার হার বাড়াতে এবং তরুণ প্রজন্মকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে আমরা এখানে বেশ কয়েকটি লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগ নিচ্ছি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় এবং স্থানীয় উন্নয়নের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জোরালো অবস্থান বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘদিন ধরে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ায় বাংলাদেশের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ সমস্যার সমাধান এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হলেও কূটনৈতিক চাপে তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, সেটি নিয়েও সংশয় রয়েছে। তবে, বর্তমান সরকার তিস্তা ইস্যুতে আগের চেয়ে কঠোর অবস্থানে আছে এবং দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে আগ্রহী। স্থানীয় জনগণ এবং কৃষকদের প্রত্যাশা, সরকার তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং কৃষকদের জন্য পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।