মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বন্ধ হচ্ছে একের পর এক কারাখানা,বিপর্যস্ত শিল্প

গ্যাস সংকটের মরণ থাবায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে দেশের গোটা শিল্প খাত। ছোট-বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানাগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু কারখানা বন্ধের প্রক্রিয়ায় চলে গেছে। ফলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মালিকরা হয়ে পড়েছেন ঋণগ্রস্ত। গ্যাসের অভাবে কারখানাগুলোতে শ্রমিকের পাওনা বেতন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন শিল্প মালিকরা। উপায় না থাকায় অনেকেই করছেন […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জানুয়ারী ২০২৫, ১৪:৪৮

গ্যাস সংকটের মরণ থাবায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে দেশের গোটা শিল্প খাত। ছোট-বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানাগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু কারখানা বন্ধের প্রক্রিয়ায় চলে গেছে। ফলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

মালিকরা হয়ে পড়েছেন ঋণগ্রস্ত। গ্যাসের অভাবে কারখানাগুলোতে শ্রমিকের পাওনা বেতন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন শিল্প মালিকরা। উপায় না থাকায় অনেকেই করছেন শ্রমিক ছাঁটাই। আবার গ্যাস না পেয়ে কারখানাগুলোর কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে নতুন করে উদ্যোক্তারা শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। পুরনো ব্যবসায়ীরাও নিজেদের উৎপাদন কমিয়ে আনছেন।
শিল্প মালিকদের অনেকেই বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেশের শিল্প খাত ধ্বংসের উপত্যকায় দাঁড়িয়ে আছে। শিল্প খাত যে কোনো সময় গুঁড়িয়ে যেতে পারে।

এ অবস্থায় কারখানা মালিকরা এক ধরনের অস্থিতিশীল অবস্থা পার করছেন। গ্যাস সংকটের কারণে আমাদের অনেকেই কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁরা আরও বলেন, উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ক্রেতাদের অর্ডারের পণ্য দিতে পারছি না। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান অর্ডার সময়মতো দিতে না পারায় ক্রয়াদেশ বাতিল করেছে। এতে ক্রেতারাও আমাদের ওপর এখন বিরক্তি প্রকাশ করছেন।

আমাদের ওপর বিদেশি ক্রেতারা ধীরে ধীরে আস্থা হারিয়ে ফেলছেন।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত ‘দেশের শিল্প খাতে জ্বালানি সংকট সমাধানের পথ’ শীর্ষক এক সেমিনারে গত বছরের শেষ দিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন জানান, গ্যাস সংকটের কারণে সিরামিক কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে। পোশাক খাতে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ উৎপাদন কমেছে। আর স্টিল কারখানায় উৎপাদন কমেছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গ্যাসের অভাবে মালিকদের বিভিন্নভাবে কারখানার উৎপাদন ধরে রাখতে হচ্ছে। যেসব কারখানায় গ্যাস সংকটে ফেব্রিকস উৎপাদন করা যাচ্ছে না, তার মালিকরা অন্য জায়গায় পাঠিয়ে ফেব্রিকস উৎপাদন করছেন। গ্যাসের কারণে কেউ কেউ আবার চীন থেকে ফেব্রিকস নিয়ে আসছেন। এতে নিটওয়্যার শিল্প এখন আমদানিনির্ভর রপ্তানি শিল্পে পরিণত হচ্ছে। এতে এর ভ্যালু এডিশন কমে যাচ্ছে। যে ডলার দেশে থাকার কথা তা বিদেশে চলে যাচ্ছে। এতে ডলারের ওপর চাপ বাড়ছে। রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। গ্যাস সংকটের কারণে যে পরিমাণ পণ্য মালিকদের রপ্তানি করার কথা ছিল তা না হওয়ায়, মাস শেষে শ্রমিকের বেতনও ঠিকমতো দেওয়া যাচ্ছে না। একইভাবে ব্যাংকের যে ঋণ তাও তারা সময়মতো পরিশোধ করতে পারছেন না।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের প্রধান যে সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হতে হচ্ছে তার একটি গ্যাসসংকট। এটি যদি শিগগিরই সমাধান করা না যায় তাহলে রপ্তানিমুখী পোশাক খাত সাংঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সিরামিক খাতের মালিকরা জানান, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস না পেলে তাদের কারখানার যন্ত্রপাতিগুলো নষ্ট হয়ে যায়। সিরামিক শিল্পের একমাত্র কাঁচামাল হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। গ্যাস সংকটের কারণে এ শিল্পটি এখন ধ্বংসের সম্মুখীন এবং সিরামিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) সভাপতি ও মুন্নু সিরামিকস ইন্ড্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম গতকাল বলেন, আমাদের খাতে একটি টেবিলওয়্যার এরই মধ্যে গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় দেশের শিল্প খাত ধ্বংসের উপত্যকায় দাঁড়িয়ে আছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিস অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি মো. শাহরিয়ার বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে গ্যাসের। আমাদের যে সদস্যদের পুরনো গ্যাস সংযোগ আছে তাদের গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কিন্তু শ্রমিকদের ঠিকই টাকা দিতে হচ্ছে।

বন্ধ হচ্ছে একের পর এক কারাখানা,বিপর্যস্ত শিল্প

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।