বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তার করতে সক্রিয় চীন

নীরব থেকে চীন ‘দুই দেশের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদান’-এর নামে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট বলে দাবি করছেন ভারতের কূটনীতিক ও গোয়েন্দারা। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চিন নিশ্চুপ। কিন্তু নীরব অবস্থান থেকেই চীন ‘দুই দেশের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদান’-এর নামে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট বলে ভারতের কূটনীতিক ও গোয়েন্দারা মনে করছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জানুয়ারী ২০২৫, ০৯:৪১

নীরব থেকে চীন ‘দুই দেশের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদান’-এর নামে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট বলে দাবি করছেন ভারতের কূটনীতিক ও গোয়েন্দারা।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চিন নিশ্চুপ। কিন্তু নীরব অবস্থান থেকেই চীন ‘দুই দেশের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদান’-এর নামে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট বলে ভারতের কূটনীতিক ও গোয়েন্দারা মনে করছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামিক সংগঠনের সঙ্গে চীনের ‘দৌত্য’ ও বিএনপি-র কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতার চীন সফরে সতর্ক করেছে নয়াদিল্লিকে।

২০২৫-এ চীন -বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী। তাই চীন ২০২৫-কে ‘ চীন -বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদানের বছর’ বলে উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চীনের পররাস্ট্র মন্ত্রী জানিয়েছে, ঢাকার সঙ্গে শীর্ষ স্তরে আদানপ্রদানে বেজিং তৈরি।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে  চীন প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ভাগ করতে চায়। যা দেখে ভারতের গোয়েন্দা কর্তা ও কূটনীতিকরা মনে করছেন, শেখ হাসিনার পতনের পরে বাংলাদেশে ‘ভারত বিরোধী’ মনোভাব তৈরি হলেও সে দেশের মানুষের মধ্যে ‘ চীন বিরোধিতা’ দেখা-শোনা যায়নি। তাকে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চীন নিশ্চুপ। কিন্তু নীরব অবস্থান থেকেই চীন ‘দুই দেশের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদান’-এর নামে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট বলে ভারতের কূটনীতিক ও গোয়েন্দারা মনে করছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামিক সংগঠনের সঙ্গে চীনের ‘দৌত্য’ ও বিএনপি-র কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতার চীন সফরে সতর্ক করেছে নয়াদিল্লিকে।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা কর্তা বলেন, ‘‘সাধারণত মনে করা হয়, পাকিস্তান বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে। বাস্তবে পাকিস্তানের সেই আর্থিক সামর্থ্য নেই
। আড়ালে চীন বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।

চীন  এখন সংস্কৃতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া জগৎ ও তরুণদের মধ্যে আদানপ্রদান বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে। তৎপর ঢাকায় চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
কূটনীতিকদের মতে, গত মাসে ঢাকায় চীনের দূতাবাসে এক অনুষ্ঠানে জামায়তে ইসলামী, হেফাজত-ই-ইসলাম, খিলাফত মজলিস, নিজাম-ই-ইসলাম পার্টির মতো প্রতিনিধিরা হাজির হয়েছিলেন।
জামায়াতের প্রধান শফিকুর রহমান সেখানে হাজির ছিলেন। এই সংগঠনগুলির একটি দল চীন সফরে যাচ্ছে।
তার আগে বিএনপি-র চার শীর্ষ নেতা চীন ঘুরে এসেছেন।
বিদেশ মন্ত্রকের এক কূটনীতিক বলেন, ‘‘আগস্টে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চীন চুপ। তারা নিজেকে নিরপেক্ষ দেখাতে চাইছে।
কিন্তু চীন নিঃশব্দে শিকড় ছড়ানোর চেষ্টা করছে। মুহাম্মদ ইউনূস সরকারে পররাস্ট্র মন্ত্রালয়ের উপদেষ্টা বড় দেশগুলির মধ্যে ভারসাম্যের সম্পর্কের কথা বলেছেন

বাংলাদেশের উপর চাপ তৈরি করতে চীনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হল, ৬০০ কোটি ডলারের ঋণ। আগস্টে সরকার পতনের ঠিক আগেই হাসিনা চীন সফরে যান।
তিনি এই ঋণের একাংশ আর্থিক অনুদান হিসেবে চেয়েছিলেন।  চীন প্রাথমিক ভাবে মাত্র ১৩ কোটি ডলারের মতো আর্থিক অনুদানে রাজি হয়। কিন্তু হাসিনা সরকার পতনের তা আটকে গিয়েছে।

নয়াদিল্লি মনে করছে, এই ঋণের বোঝাকেও চীন হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগাবে।
‘সামগ্রিক কৌশলগত সহযোগিতার সম্পর্ক’ তৈরির পরে বাংলাদেশ চীন থেকে বিপুল যুদ্ধাস্ত্রও আমদানি করেছে।

বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে চীনা পররাস্ট্র মন্ত্রলয়ের মুখপাত্রের বৈঠকের পরে চীন বিবৃতিতে জানায়, তারা এ বার ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পে সহযোগিতা বাড়াতে চায়।
বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের বক্তব্য, চীন যে ভাবে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কায় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই কৌশল নিচ্ছে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।