পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ করানো হচ্ছে এবং মাদক পরিবহনে ড্রোনও ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সীমান্তের ওপারে বসে ইয়াবা চোরাকারবারিরা পরিকল্পনা করছে। ড্রোনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মাদক এখন আর শুধু খুলনার সমস্যা নয়, এটি সারাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এ কারণে দেশজুড়ে ডোপ টেস্টের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সন্ত্রাস দমন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার সন্ত্রাস মোকাবিলায় ক্রসফায়ারের পথে যাবে না। মানবাধিকার সমুন্নত রেখেই সন্ত্রাস দমন করা হবে। প্রয়োজনে এ জন্য প্রচলিত আইন আরও শক্তিশালী করা হবে।
সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। দীর্ঘদিনের ‘আবর্জনা’ পরিষ্কার করতে সরকারকে সময় দিতে হবে। রাষ্ট্রব্যবস্থায় যে পচন ধরেছে, তা নিরাময়ের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, গত ছয় মাসে সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনার পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে।
খুলনার জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল ও আমির এজাজ খান, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।