মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে বিরোধী দলকে সভাপতি দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে বিরোধী দলের সদস্যদের না রাখা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধনের পর কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হলে আসনসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দল সভাপতির পদ পাবে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ১০টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত […]

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে বিরোধী দলকে সভাপতি দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৫০

জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে বিরোধী দলের সদস্যদের না রাখা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধনের পর কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হলে আসনসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দল সভাপতির পদ পাবে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ১০টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের পর এ নিয়ে আলোচনা হয়। নতুন গঠিত ১০টি কমিটির কোনোটিতেই বিরোধী দলের কাউকে সভাপতি করা হয়নি।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, সরকারি দলের সঙ্গে আলোচনায় সংসদে প্রতিনিধিত্বের অনুপাতে বিরোধী দলের ২৬ শতাংশ অংশগ্রহণের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল। কমিটির সদস্য মনোনয়নে তা অনুসরণ করা হলেও সভাপতির ক্ষেত্রে করা হয়নি।

তাহেরের দাবি, একপর্যায়ে বিরোধী দলকে ১০টি কমিটির সভাপতির পদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তাদের কাছ থেকে নামের তালিকাও নেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে সরকারি দল কিছুটা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সরকারি দলের এমন আচরণে বিরোধী দলের সংসদে থাকার আগ্রহ কমে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভবিষ্যতে একইভাবে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হলে বিরোধী দল অধিবেশনে না-ও থাকতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাহের। তার বক্তব্যের পর বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন সদস্য অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। তবে এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাইয়েদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা কক্ষে অবস্থান করেন।

পরে বিরোধী দলের অভিযোগের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আসনসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দলকে সংসদীয় কমিটির সভাপতির পদ দিতেই হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা বর্তমানে নেই। বিরোধী দলকে ১০টি সভাপতির পদ দেওয়ার বিষয়েও আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে আসনসংখ্যার অনুপাতে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যদের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার রয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধনের পর সংসদীয় কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হবে। তখন আনুপাতিক হারে বিরোধী দল সভাপতির পদ পাবে।

নতুন ১০ কমিটির সভাপতি যারা

এদিন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হয়েছে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে সেলিম ভূঁইয়া, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে সভাপতি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে কলিম উদ্দিন আহমেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আমানউল্লাহ আমান, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে হুইপ জি কে গউছ, ভূমি মন্ত্রণালয়ে নাসের রহমান এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হয়েছে রফিকুল ইসলাম জামালকে।

জাতীয় সংসদে মোট ৫০টি সংসদীয় কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এবং ১১টি সংসদ সংক্রান্ত। এখন পর্যন্ত ২৫টি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত। সংসদ সম্পর্কিত একটি কমিটিতে বিরোধীদলীয় উপনেতাকে সভাপতি করা হয়েছে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।