কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল গেট এলাকায় অনুমোদনহীন ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি এবং বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণের অভিযোগে রুহুল ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল গেট এলাকায় এ তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে হাসপাতাল গেটসংলগ্ন বিভিন্ন ফার্মেসি ও ডাব বিক্রির দোকানে মনিটরিং করা হয়। এ সময় ফার্মেসিগুলোতে অনুমোদিত ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কি না, ওষুধ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুত করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়।
অভিযানের একপর্যায়ে রুহুল ফার্মেসিতে অনুমোদনহীন ওষুধ এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি ও বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ অপরাধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রুহুল ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করে। একই সঙ্গে অভিযানে জব্দ করা অনুমোদনহীন ওষুধসমূহ ঘটনাস্থলে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোগী ও সাধারণ ভোক্তাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে হাসপাতাল এলাকার ফার্মেসিগুলোতে ওষুধের অনুমোদন, বিক্রয় ও সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অনুমোদনহীন ওষুধ কিংবা ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির মতো অনিয়মের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মাসুম আলী। অভিযানে সহযোগিতা করেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক ও তাঁর টিম। এছাড়া অভিযানের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা করে।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে হাসপাতাল ও ক্লিনিকসংলগ্ন ফার্মেসিগুলোতে অনুমোদনহীন ওষুধ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল এবং অন্যান্য অননুমোদিত পণ্য বিক্রি ও সংরক্ষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি করা হবে।