প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বিভক্তির রাজনীতি নয়, বরং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, দেশ সবার এবং রাষ্ট্র নির্মাণে সকলকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে আত্মোৎসর্গকারী বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদান শুধু দেশের জন্য নয়, বরং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তাদের আত্মত্যাগ যুদ্ধবিরোধী ও শান্তিকামী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ চার দশক ধরে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী আস্থা, পেশাদারিত্ব ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেশের মর্যাদা সমুন্নত রেখেছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাহিনীটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। ভবিষ্যতেও এ ক্ষেত্রে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদ হওয়া ছয়জন সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনকালে আহত সাতজন শান্তিরক্ষীকেও বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।