রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

এবার ভাটারা থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত চালু হচ্ছে মেট্রোরেল

রাজধানীর পূর্বাঞ্চল ভাটারা থেকে সাভারের হেমায়েতপুর পর্যন্ত নতুন মেট্রোরেল সংযোগ চালুর কাজ এগিয়ে চলছে। এই রুটটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার পূর্ব-পশ্চিম দিকের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট লাইন-৫ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুট নির্মাণকাজ ১০টি প্যাকেজে ভাগ করে পরিচালিত হচ্ছে। এতে ভূগর্ভস্থ ও এলিভেটেড—দুই ধরনের অংশই […]

এবার ভাটারা থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত চালু হচ্ছে মেট্রোরেল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩২

রাজধানীর পূর্বাঞ্চল ভাটারা থেকে সাভারের হেমায়েতপুর পর্যন্ত নতুন মেট্রোরেল সংযোগ চালুর কাজ এগিয়ে চলছে। এই রুটটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার পূর্ব-পশ্চিম দিকের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট লাইন-৫ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুট নির্মাণকাজ ১০টি প্যাকেজে ভাগ করে পরিচালিত হচ্ছে। এতে ভূগর্ভস্থ ও এলিভেটেড—দুই ধরনের অংশই থাকবে।

বর্তমানে হেমায়েতপুর ডিপোর ভূমি উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং প্রায় ৭৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি মূল ট্র্যাক ও স্টেশন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াও চলছে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালের মধ্যে চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘নর্দার্ন রুট’ নামে পরিচিত এই প্রকল্পটি ঢাকার প্রথম পূর্ব-পশ্চিমমুখী মেট্রোরেল হবে। এতে মোট ১৪টি স্টেশন থাকবে, যার মধ্যে ৯টি হবে ভূগর্ভস্থ। প্রতিদিন প্রায় ১২.৩ লাখ যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা থাকবে।

এই রুট চালু হলে ভাটারা থেকে হেমায়েতপুর যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩২ মিনিট, যেখানে বর্তমানে যানজটের কারণে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে।

প্রতিটি বৈদ্যুতিক ট্রেন একসঙ্গে ৩,০৮৮ জন যাত্রী বহন করতে পারবে এবং প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিকে প্রায় ৫৩,২০০ যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে। মোট ২০ কিলোমিটার রুটের মধ্যে ১৩.৫০ কিলোমিটার অংশ থাকবে ভূগর্ভস্থ।

ভূগর্ভস্থ স্টেশনগুলো হবে গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, মিরপুর-১৪, কচুখেত, বনানী, গুলশান-২ এবং নতুনবাজারে। আর এলিভেটেড স্টেশন থাকবে হেমায়েতপুর, বালিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিনবাজার ও ভাটারায়।

কর্মকর্তারা জানান, হেমায়েতপুর ডিপোর নকশা ও জমি অধিগ্রহণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১,২৩৮.৫৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে Jজাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) প্রায় ২৯,১১৭.০৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে এবং বাকি ১২,১২১.৫০ কোটি টাকা সরকার বহন করবে।

প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মতিন চৌধুরী জানান, নির্মাণকাজে গুণগত মানের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূষণ ও শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, এলিভেটেড অংশে শব্দ ও কম্পন কমাতে ‘কন্টিনিউয়াস ওয়েল্ডেড রেল (সিডব্লিউআর)’ ব্যবহার করা হবে এবং উভয় পাশে সাউন্ড ব্যারিয়ার নির্মাণ করা হবে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।