মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সামরিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরাইল প্রকাশ্যে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ও গুপ্তহত্যার কথা বললেও আন্তর্জাতিক মহল কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের সামিট হলে আয়োজিত ‘লিডার অব রেজিস্ট্যান্স: ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স’-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এ ধরনের আগ্রাসন প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু তার দাবি, বাস্তবে হামলাকারীদের প্রতি রাজনৈতিক ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে এবং অঞ্চলজুড়ে চলমান অস্থিরতা ও সংকটের জন্য দেশটিকে দায়ী করেন। তার ভাষ্য, মুসলিম দেশগুলো এ ধরনের সংঘাতের সূচনা করেনি।
ইসলামি বিশ্বের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমান নেতৃত্বের ওপর বড় দায়িত্ব রয়েছে। ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ, মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক ঐক্য এবং আঞ্চলিক সংহতি জোরদারে তার সরকার কাজ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, তেহরানে সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও ধর্মীয় নেতাদের অংশগ্রহণে স্মরণানুষ্ঠান চলবে। পাশাপাশি জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের বিভিন্ন কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?