মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ করলে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে আর কোনো ‘মব কালচার’ (গণপিটুনি বা বিশৃঙ্খলা) বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ করার দিন শেষ। এখন থেকে যে কোনো দাবি আইনানুগ ও বৈধ পন্থায় উপস্থাপন করতে হবে, অন্যথায় সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের […]

দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ করলে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:৩০

বাংলাদেশে আর কোনো ‘মব কালচার’ (গণপিটুনি বা বিশৃঙ্খলা) বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ করার দিন শেষ। এখন থেকে যে কোনো দাবি আইনানুগ ও বৈধ পন্থায় উপস্থাপন করতে হবে, অন্যথায় সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এদিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশি সংস্কার এবং পাসপোর্ট অফিসের ভোগান্তি নিরসনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

মব ভায়োলেন্স সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রথম দিনই বলেছি, বাংলাদেশে মব কালচার শেষ। যদি কোথাও এমন ঘটনা ঘটে, তবে আমাদের রিঅ্যাকশন হবে অত্যন্ত কঠোর। মব সৃষ্টির মাধ্যমে সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের জমানা শেষ। পরীক্ষা দেব না বা কালকেই রেজাল্ট চাই–এমন দাবি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাওয়া চলবে না।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো বৈধ বা আইনানুগ দাবি থাকলে যথাযথ ফোরামে স্মারকলিপি দিন, মিছিল-সমাবেশ করুন বা আদালতের আশ্রয় নিন। কিন্তু জনভোগান্তি তৈরি করলে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

পুলিশের চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময় লটারির মাধ্যমে ওসি ও এসপি নিয়োগের যে বিতর্কিত প্রক্রিয়া ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে প্রার্থীর সার্ভিস রেকর্ড, দক্ষতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন হবে।

তিনি বলেন, ‘লটারির মাধ্যমে নিয়োগ স্বচ্ছ ছিল না। এখন থেকে পুলিশ বিভাগ যাকে দক্ষ মনে করবে, তাকেই উপযুক্ত স্থানে পদায়ন করা হবে।’ এ ছাড়া জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি) পলিটিক্যাল প্রটোকল না দেয়ার এবং কেবল বিধিবদ্ধ প্রটোকল অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি।

৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলোতে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীকে আসামি করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু সুবিধাবাদী মানুষ নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি করছে। আমরা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি এই মামলাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন আইনের শাসনের নামে হয়রানির শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।’

পাসপোর্ট অফিসের ভোগান্তি কমাতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের আদলে ‘এনলিস্টেড সহায়তাকারী’ নিয়োগের পরিকল্পনা আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে অভ্যস্ত নন এমন সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে একটি নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে নিবন্ধিত প্রতিনিধিরা কাজ করবেন। এতে একদিকে কর্মসংস্থান হবে, অন্যদিকে দালালদের দৌরাত্ম্য কমবে। এ ছাড়া পুলিশে জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেন, বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে এবং কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি ২০০৬ সালে নিয়োগ বঞ্চিত সাব-ইন্সপেক্টরদের আদালতের রায় অনুযায়ী পুনরায় নিয়োগ দেয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

শেষে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। পুলিশ ক্ষমতা অপব্যবহার করলেও যেমন ব্যবস্থা নেয়া হবে, তেমনি পুলিশের কাজে বাধা দিলে কাউকেও ছাড় দেয়া হবে না।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।