বিহারের ভোট ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে—প্রধান আন্দোলনের ইস্যু হয়ে উঠেছে ‘অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ’ নিয়ে বিতর্ক। বিজেপি রবিবারের নির্বাচনী প্রচারণায় অভিযোগ এনে বলেছে, কংগ্রেস ও আরজেডি সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে; সেই অভিযোগকে কড়া জবাব দিয়েছেন অল–ইন্ডিয়া ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি।
ওয়াইসি সম্প্রতি বলেছেন, “মোদিজি বলেছেন, বিহারে বাংলাদেশি আছে। মোদিজি, বিহারে বা সীমান্ত অঞ্চলে কোনো বাংলাদেশি নেই। তবে আপনার দিল্লিতে বাংলাদেশ থেকে আসা এক বোন বসে আছেন—তাঁকে বাংলাদেশে পাঠান। সীমান্তে আনুন, আমরাই তাঁকে বাংলাদেশে পৌঁছে দেব।”
তাঁর মন্তব্যটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওই বক্তব্যকে টেনে করা কটাক্ষ বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এটি সরাসরি সাবেক বাংলাদেশের নেত্রী শেখ হাসিনার বিদেশ অবস্থানের প্রসঙ্গকে ইঙ্গিত করে—যাঁর নাম আলোচনায় এসেছে।
এর আগে মোদি বিভিন্ন জনসভা ও স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তোলেন এবং কংগ্রেস, আরজেডিকে ‘ভোটব্যাংক রাজনীতি’ চালানোর অভিযোগ করেন। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন জানিয়েছে, বিহারের ভোটার তালিকায় নেপালি,
বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের নাম পাওয়া গেছে—যার ভিত্তিতে বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (SIR) কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে। বিরোধীরা এটিকে দরিদ্র ও সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা পর্যন্ত আখ্যায়িত করেছেন।
আরজেডির নেতা তেজস্বী যাদব মোদির অভিযোগকে ‘মনোযোগ ঘোরানোর কৌশল’ বলে খণ্ডন করেছেন, প্রশ্ন তুলেছেন—যে কেন্দ্র দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছে, সে এতদিনে কেন সমস্যার সমাধান করেনি।
বিহারের বড় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো এ ইস্যু আরোও প্রবলভাবে সামনে আনায় ভোটপ্রক্রিয়া ও বেসামরিক নিরাপত্তা বিষয়ক বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। ভোটের তারিখ ঘোষণা হতে পারে আগামী মাসে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?