মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

‘মা-বাবাকে গালি দিলেই সহ্য করা যায় না, সেখানে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে কিছু বললে তার বান্দারা তো চুপ থাকবে না’ : সালমা

মহান আল্লাহতায়ালাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানিকগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার। পালাগানের মঞ্চে তাঁর আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ব্যক্তির দায় পুরো বাউল সম্প্রদায়ের ওপর এসে পড়েছে—এমন অভিযোগও ওঠে। মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে কিছু সুশীল নাগরিক তাঁর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করলেও সাধারণ […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:০৪

মহান আল্লাহতায়ালাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানিকগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার। পালাগানের মঞ্চে তাঁর আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ব্যক্তির দায় পুরো বাউল সম্প্রদায়ের ওপর এসে পড়েছে—এমন অভিযোগও ওঠে। মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে কিছু সুশীল নাগরিক তাঁর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করলেও সাধারণ মানুষের দাবি—অভিযুক্তের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা।

এমন বিতর্কের মধ্যে বাউল আবুল সরকারের ওই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। এক ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, কারও ব্যক্তিগত মন্তব্যের দায় পুরো শিল্পীসমাজ নেবে না। সালমা বলেন, “আপনারা গান করেন, বাউল পরিচয়ে চলেন। কিন্তু এমন কিছু করবেন না, যার জন্য পুরো শিল্পীসমাজ লজ্জিত হয়।

সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে টানাটানি করবেন না। এটা আমাদের হৃদয়ে আঘাত করে। মা-বাবাকে গালি দেওয়া যায় না, সেখানে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে অপমান করলে তাঁর বান্দারা চুপ থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “সৃষ্টিকর্তা ও রাসুলকে অসম্মান করার অনুমতি কেউ আপনাকে দেয়নি। আপনার এই কাজ পুরো শিল্পীসমাজকে কলঙ্কিত করেছে, আর এই দায় আমরা নেব না। একজন প্রকৃত বাউল কখনও কাউকে কষ্ট দিতে পারে না, অপমান করতে পারে না।”

সালমা দাবি করেন, আবুল সরকারের ভিডিও দেখে তাঁর মনে হয়নি এটি কোনো ভুলভাল কথা বা মুখ ফসকে বলা মন্তব্য। বরং তিনি মনে করেন, আবুল সরকার সচেতনভাবে আল্লাহকে নিয়ে কৌতুক করেছেন। “এটা কৌতুক করার বিষয় নয়”—জোর দিয়ে বলেন সালমা।

গত ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় খালা পাগলীর মেলায় পালাগানের মঞ্চে আবুল সরকারের আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। ঘটনার পর ৫ নভেম্বর রাতে মাদারীপুরের একটি গানের আসর থেকে তাঁকে আটক করে মানিকগঞ্জ ডিবি পুলিশ। পরদিন তাঁকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ধর্ম অবমাননার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ বাড়ছে, আর শিল্পীসমাজ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে নিন্দা জানানো হচ্ছে।

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই

বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বরেণ্য এই […]

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ০৭:১৮

বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বরেণ্য এই নাট্যজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা রওনক হাসান এবং অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।

অভিনেতা রওনক হাসান গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মঞ্চের প্রেরণাদায়ী সারথি আতাউর রহমান। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করি।’

আতাউর রহমান বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। সোমবার বিকেলে তার গুরুতর অসুস্থতার খবর আসে এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

তার মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘আব্বার অবস্থা আসলে খুব একটা ভালো না। তার শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়েছে—চিকিৎসক তেমনটাই জানিয়েছেন। সবার কাছে আমার আব্বার সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।’

শর্মিষ্ঠা রহমান আরও জানান, গত শুক্রবার বাসায় পড়ে যাওয়ার পর আতাউর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। প্রথমে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও, সেখানে আইসিইউ সুবিধা না থাকায় পরে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভর্তির পরপরই তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। ওইদিনই কিছুটা শারীরিক উন্নতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু রোববার (১০ মে) আবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এর দুই দিন পরই তার চিরবিদায়ের খবর আসে।

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করা আতাউর রহমান বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী ছিলেন। তিনি একাধারে নাট্যজন, অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক এবং লেখক হিসেবে সুপরিচিত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে তার বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পদকের মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা লাভ করেন। তার মৃত্যু বাংলা নাটকের ইতিহাসে এক অপূরণীয় ক্ষতি।