বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে থানায় জিডি হয়েছে ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনির নামে। জানা গেছে, এক বছরের কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধর করেন পরীমনি। এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের ওই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার মুখে পড়েন এ নায়িকা। ফেসবুক লাইভে এসে আবেগঘন কথাও বলেন ভক্তদের উদ্দেশে। […]

গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:০৫

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে থানায় জিডি হয়েছে ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনির নামে। জানা গেছে, এক বছরের কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধর করেন পরীমনি। এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের ওই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার মুখে পড়েন এ নায়িকা।

ফেসবুক লাইভে এসে আবেগঘন কথাও বলেন ভক্তদের উদ্দেশে। এবার পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন জনপ্রিয় গায়িকা ন্যান্সি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গৃহকর্মীদের প্রসঙ্গে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ন্যান্সি। নিজেও বেশ কয়েকজন গৃহকর্মীর প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গায়িকা।

সেই সঙ্গে পরীমনিকে নিয়ে সংবেদনশীল হওয়ার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বানও জানান তিনি।

ন্যান্সি লিখেছেন, ‘গৃহকর্মী নির্যাতিত হয় যেমন সত্যি ঠিক তেমনি কিছু গৃহকর্মীর দ্বারা গৃহকর্ত্রীও কম সমস্যার মুখোমুখি হন না! আমার পুরো বাসায় সিসি ক্যামেরা আছে শুধু মাত্র গৃহকর্মীর মিথ্যা হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য!

নিজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে কণ্ঠশিল্পী লিখেছেন, ‘বছর দশেক আগে আমার বাসার গৃহকর্মী বাসার দারোয়ান এর সাথে পালিয়ে যায়। গৃহকর্মীর পরিবার তাদের মেয়ে গুম হয়েছে অভিযোগ তুলে মোটা টাকা দাবি করে। আমি সরাসরি পুলিশের শরণাপন্ন হই এবং তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় ঘন্টা দুয়েকের মাথায় পলাতক গৃহকর্মী তার প্রেমিক সহ উদ্ধার হয়।

পরে জানতে পারি, আমাকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা পূর্ব পরিকল্পিত! এ ঘটনার পরই আমার বাসায় কথা রেকর্ড হয় এমন সিসি ক্যামেরা সেটাপ করি।’

আরেকটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ন্যান্সি লেখেন, ‘দু বছর আগে আমার ছোট্ট মেয়েটাকে দেখাশোনার জন্য এজেন্সি থেকে যে মেয়েটাকে এনেছিলাম সে তার বোনের সাথে মিলে আমার বিয়ের গয়না এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর স্বর্ণপদক চুরি করে। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর উল্টো গৃহকর্মী আমার নামে নির্যাতনের অভিযোগ তোলার চেষ্টা করে। আমি সিসি ক্যামেরার বদৌলতে হয়রানির হাত থেকে বেঁচে যাই।

তিনি আরও লেখেন, ‘বাসার রান্নার লোক যে কত জ্বালিয়েছে তার হিসেব নেই।

বেতনের বাইরে যতোই দেইনা কেন তাদের খুশি করা যায়না। মন চাইলে কাজে আসে, অন্যথায় আসেনা। গত বছর ফেব্রুয়ারী মাসে পুরো বাসার সিংহ ভাগ ফার্নিচার বদলাই। আগের সব আসবাব আমার বাসার রান্নার মহিলা ট্রাক ভর্তি করে নিয়ে যায়, আমিও ভাবলাম এবার হয়তো সে আর কাজে ফাঁকি দিবেনা। এতো বড় উপকারের ফলাফল হিসেবে কি পেলাম জানেন? তার চাহিদা এখন আর হাজারের ঘরে রইলো না, লাখের ঘরে চলে গেলো! বিগত জুলাই মাসে বিরক্ত হয়ে তাকে বিদায় করলাম। আমার বাসার সব রান্না দশ মাস যাবৎ আমিই করি। আমার ঘরে এখন বাজার খরচ কমে গেছে, বাসি খাবার খাইনা বললেই চলে। স্বামী সন্তান ভাই ও খুশি, তাদের রান্না করে খাইয়ে আমিও অনেক তৃপ্তি পাই। ঘরের কাজে সহযোগিতার জন্য একজন এখনো আছে। আসলে কিছু করার নেই। বিশেষ করে কর্মজীবী মায়েদের সন্তানের জন্য হলেও অপরিচিত একজনের ওপর ভরসা করতে হয়। প্রতিবার আশা করি এবারের গৃহকর্মী পরিবারের সদস্যর মত হবে। সে আশা কখনো পূরণ হয়, বেশিরভাগ সময় হয়না।’

সবশেষে সংবাদকর্মীদের দায়িত্ব সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তিনি লিখেছেন, ‘সংবাদ মাধ্যম একটু সংবেদনশীল হোন। সব কিছুতে বাণিজ্য দেখবেন না। নির্যাতিতার পরিচয় গৃহকর্মীও হতে পারে আবার গৃহকর্ত্রীও হতে পারে। সত্যিকারের ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ান। পরীমনির মত এমন আরও তারকাদের ঘাড়ে ভর করে আর কত শিরোনাম বেচবেন বলুন! আপনাদেরও নিশ্চই কিছু দায় আছে, তাইনা?

এক বছরের কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠেছে পরীমনির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের ওই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো তোপের মুখে পড়েন এ নায়িকা। গণমাধ্যমেও শিরোনামে পরিণত হন। বিতর্কিত এ ঘটনাটি নিয়ে শুক্রবার রাতে ফেসবুকে লাইভে আসেন পরীমনি। জানান, তার হাতে সব প্রমাণ আছে। কিন্তু তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতে চাচ্ছেন না। সেই সঙ্গে মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করারও আহ্বান জানান পরীমনি।

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক। অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা […]

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১৬:০১

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক।

অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা হচ্ছে! দিল্লি পুলিশ, আপনাদের কি লজ্জা হচ্ছে না? নেতা-মন্ত্রীদের বলছি, এসব কী হচ্ছে? আপনারা কি নিজেদেরই ভগবান মনে করছেন? সবকিছু মনে রাখা হবে। হর হর মহাদেব।’

একই পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘মনে রাখবেন, পরিবর্তনই একমাত্র ধ্রুবক।’

এই পোস্টের পর এক ভক্ত মন্তব্য করেন, অরিজিতের প্রতি তাঁর সব শ্রদ্ধা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি লেখেন, ‘এত দিন আপনার ভক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন আপনাকে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ঘৃণা করি।’

সেই মন্তব্যের জবাবে শান্ত ভাষাতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অরিজিৎ। তিনি বলেন, ‘কে আমাকে সম্মান করল আর কে করল না, তা নিয়ে আমি ভাবি না। সবারই আলাদা মতামত থাকতে পারে। আপনি আমার ভক্ত বলেই যে আমাকে আপনার মতো করে কথা বলতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।’

পাশাপাশি ওই ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকলে দুঃখও প্রকাশ করেন তিনি। অরিজিৎ লেখেন, ‘মানুষ হিসেবে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার কথায় যদি আপনার কষ্ট হয়ে থাকে, তার জন্য দুঃখিত। তবে আমি এই বিষয়টি নিয়ে সত্যিই ক্ষুব্ধ এবং স্বাধীনভাবে আমার মত প্রকাশ করেছি।’

শেষে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথাও স্পষ্ট করেন এই গায়ক। তিনি লেখেন, ‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন। আমার অস্তিত্বও ভুলে যেতে পারেন। সুখে থাকুন। কিন্তু আমার মতামতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।’

অরিজিতের এই জবাব সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক অনুরাগী তাঁর স্পষ্ট অবস্থানের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন