বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

‘আলো আসবেই’ নিয়ে মুখ খুললেন গ্রুপের অ্যাডমিন শামীমা তুষ্টি

এবার মুখ খুললেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘোরবিরোধী ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের অ্যাডমিন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। উপলব্ধি শিরোনামে ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি। অবশ্য তাতেও খুব একটা ভালো ফল মেলেনি। আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের কবল থেকে মুক্তিকামী সাধারণ জনতা অভিনেত্রীকে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না। আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার গায়ে গরম জল ঢালতে চাওয়া আলো আসবেই গ্রুপের অন্যতম সদস্য […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৮:৪১

এবার মুখ খুললেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘোরবিরোধী ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের অ্যাডমিন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। উপলব্ধি শিরোনামে ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি। অবশ্য তাতেও খুব একটা ভালো ফল মেলেনি। আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের কবল থেকে মুক্তিকামী সাধারণ জনতা অভিনেত্রীকে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না।

আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার গায়ে গরম জল ঢালতে চাওয়া আলো আসবেই গ্রুপের অন্যতম সদস্য শামীমা তুষ্টি তার পোস্টে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে যা লিখতে যাচ্ছি, আমি জানি, তার জন্য আমি গালি ও ট্রোলের সম্মুখীন হতে পারি। তবুও আমি আমার পজিশন ক্লিয়ার করতে চাই।

এরপর তিনি লিখেছেন, আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই যে আমি একটা রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। এটার কারণ আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এবং ১৯৬৫ সালে বাবা মালিবাগ আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ছিলেন, তাই আমার বাড়িতে সবসময় এই পরিবেশই ছিল যেখানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আমি আমার নিজের পক্ষ ভেবেছি। আমার এই পক্ষপাতিত্ব যে ভুল তাও আমি মনে করি না। আমি মনে করি, আমি আমার অংশগ্রহণ ঠিক বিবেচনা করেই করেছি। কিন্তু এই দলের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও আমার নিজের কিছু বিচার-বিবেচনা আছে।

অভিনেত্রী লিখেছেন, আপনারা সকলেই জানেন কেউ কোনো দলের কর্মী হিসাবে কাজ করে, তখন তার সেই দলের নেতাদের কথামতো কাজ করতে হয়। সেসব দলীয় নির্দেশনার বিপক্ষে গিয়ে কাজ করার পরিস্থিতি থাকে না। এবং আমি তা করতেও চাই না দলের কর্মী হিসাবে। তাই বলে এই হত্যাকাণ্ড, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এই নৃশংসতার আমি সমর্থক নই। এক মিনিটের জন্যও ছিলাম না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে বহু কর্মীই তা ছিলেন না।

শামীমা আরও লিখেছেন, আমাদের অনেকেরই পজিশন নেয়া দরকার ছিল। অনেক আগেই দরকার ছিল। আমি জানি, আপনাদের অনেকে এই কথাতেও ক্ষুব্ধ হবেন। কিন্তু আশা করি এটা মানবেন যে, আমরা বাংলাদেশে কী ঘটছে তাও জানতে দেরি করেছি। দলীয় রাজনীতির মধ্যেও খবর ফিল্টার হয়।

এরপর তিনি লিখেছেন, যার সন্তান গেছে তার অবস্থা ভেবেছি। প্রতি মুহূর্তে আমি, আমাদের কেউ কেউ, একটা পজিশন নিতে গেছি। সেসব পজিশন কারো না কারো কারণে অন্য আরেকটা পজিশন হয়ে গেছে। আমরা বিটিভিতে গেছি শিল্পীরা সহিংসতা ও ছাত্রদের হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে , করেছেনও, তবে সেটা সংবাদে তেমন করে আসেনি, কিন্তু যা এসেছে তাতে আরও ভুল বোঝার জায়গা তৈরি হয়েছে। তবে যা দেখা গেছে সেটাও ঠিক না তা আমি বলবো না। আমরা হাসপাতালেও আহতদের দেখতে গেছি। আর তখনো আমি সকল কিছু বুঝে উঠতে পেরেছি তেমন না।

পোস্টের মাঝামাঝি অভিনেত্রী লিখেছেন, আমরা যে যাই ভাবি না কেন, দল মূলত কী কী করতে যাচ্ছে বা কী করবে, তা সম্পূর্ণ জানার উপায় আমাদের ছিল না। আমি এসব কথা বলে পক্ষ-বদলের চেষ্টা করছি না। বরং আমার দলের পক্ষে যেসব মারাত্মক ভুল ছিল আমার যে সব বোঝাবুঝি ছিল সেগুলোর কারণে আমার দোনোমনা আর পরিস্থিতির কথা আপনাদের জানাতে এসেছি। আমি একটা সংগঠন করি যেখানে সিংহভাগই এই হিংস্রতা, এই হত্যার সমর্থক নয়। কিন্তু আমাদের কোনো একটা পজিশন কীভাবে নিতে পারি তা ভাবতে ভাবতেই প্রতিদিন আরও নতুন মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন আরও বেশি করে আপনাদের থেকে দূরে সরে গেছি।

আলো আসবেই গ্রুপের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি একটা হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপে ছিলাম। সেখানেও আমি বলেছি যে সকলের সাথে গিয়ে আলাপ করতে হবে। এগুলো বন্ধ করা দরকার। কিন্তু ঘটনা এত দ্রুত ঘটছিল আমি যা সমর্থন করি না তা আপনাদের জানানোর সুযোগ পাইনি। তাছাড়া আমার অনেক সহকর্মীরাও এসবের ভিতরে ছিলেন, পরে হয়তো থাকেননি। তারাও আমাকে অনেক গালাগাল করেছেন তবু আমি বলতে চাই যে আমি আমার সহকর্মীদের জন্য অনেক কিছুই করার চেষ্টা করেছি। এখনো তাই করবো। এছাড়াও আমরা আমাদের সিনিয়র সহকর্মীদের সাথেও যোগাযোগ করতে পরিনি এক সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য। সেসব ও আমাকে ভাবিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখনও আপনাদের সামনে এসে কথা বলতে দেরি করেছি। যে ঘৃণার সম্মুখীন আমরা, যে গালাগালি আমি খেতে পারি সেসবের ভয়েই আরও আরও দেরি করে ফেলেছি। কিন্তু আমি নিজেকে বুঝিয়েছি, এইসব সমালোচনা আর গালি আর ট্রোল আমার গ্রহণ করতে হবে। আর সেসবের মধ্য দিয়েই শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে।

পোস্টের শেষের দিকে শামীমা লিখেছেন, আপনারা দয়া করে ভুল বুঝবেন না। আমি দলবদলের ইচ্ছা থেকে আসিনি। আমি যে দলে ছিলাম সেই দলের নেতৃবৃন্দের সকল কার্যক্রম যে আমি সমর্থন করি না সেটা জানাতে এসেছি। আমি জানাতে এসেছি আমি দল করলেও নিজের বিচারবুদ্ধি বিবেক-বিবেচনা বিক্রি দিয়ে আমি দল করি না। আমি অনেক দেরিতে আপনাদের সামনে এসেছি। কিন্তু আমার অনুভূতি নতুন নয়। শুরু থেকেই হচ্ছিল। আমি সত্যি সত্যি ট্রোল-গালির ভয়েই আমি আগে লিখিনি। অনেক ট্রোল আর গালি নেবার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলাম না। এখন কিছুটা কিছুটা নিজেকে সংযত করতে পেরেছি। সহ্য করার মতো ধৈর্য আশা করি আমার হবে, আপনাদের সকল কথা নেবার। সেরকম জায়গা থেকেই আমার অবস্থান আমি আপনাদের কাছে পরিষ্কার করলাম। আমি সকলের মঙ্গল কামনা করছি। শহীদদের আত্মত্যাগ যেন বাংলাদেশে বিফলে না যায় সেই প্রত্যাশা করছি।

পোস্টের শেষে নিজের নাম ও দিন তারিখ লিখে দিয়েছেন অভিনেত্রী। আলো আসবেই গ্রুপে আরও যুক্ত ছিলেন, ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। সেই তালিকায় ছিলেন— সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অরুণা বিশ্বাস, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, ফজলুর রহমান বাবু, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, নির্মাতা মিলন ভট্টাচার্য, এস এ হক অলীকসহ অনেকে।

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

মুক্তি পেলো “আরিয়ান শান্ত’র কন্ঠে নতুন গান ‘মায়াবী চোখ’

রিপোর্ট : মো: মেহেদী হাসান ‘মায়াবী চোখ’ শিরোনামে ৩ মে ২০২৬ বিকাল ৫ ঘটিকায় মুক্তি পেলো ‘RTV ইয়ং স্টার’ প্রতিযোগী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত কন্ঠ শিল্পী আরিয়ান শান্ত’র মৌলিক গান। গানটি “Ariyan Shanto’ নামে তার ব্যক্তিগত চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে। গানটির সৃষ্টি সম্পর্কে আরিয়ান শান্ত জানিয়েছেন- মাঝেমধ্যে গানের প্রসঙ্গে কথা হয় বর্তমান সেনাবাহিনীতে কর্মরত সংগীতশিল্পী ও […]

মুক্তি পেলো “আরিয়ান শান্ত’র কন্ঠে নতুন গান ‘মায়াবী চোখ’

মুক্তি পেলো "আরিয়ান শান্ত'র কন্ঠে নতুন গান 'মায়াবী চোখ'

নিউজ ডেস্ক

০৩ মে ২০২৬, ২১:০০

রিপোর্ট : মো: মেহেদী হাসান

‘মায়াবী চোখ’ শিরোনামে ৩ মে ২০২৬ বিকাল ৫ ঘটিকায় মুক্তি পেলো ‘RTV ইয়ং স্টার’ প্রতিযোগী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত কন্ঠ শিল্পী আরিয়ান শান্ত’র মৌলিক গান। গানটি “Ariyan Shanto’ নামে তার ব্যক্তিগত চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে।


গানটির সৃষ্টি সম্পর্কে আরিয়ান শান্ত জানিয়েছেন- মাঝেমধ্যে গানের প্রসঙ্গে কথা হয় বর্তমান সেনাবাহিনীতে কর্মরত সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ‘সাবের হোসাইন’ এর সাথে। সাবের হোসাইন গানটি মূলত নিজের জন্যই লিখেছিলেন, কিন্তু আমি তার পছন্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত একজন কণ্ঠশিল্পী হওয়াতে গানটা আমাকে দিয়ে সুর করিয়েছিলেন । আমার কন্ঠে গানটির শুরুর দিকের কিছু অংশ সুর করে যখন আমি সাবের হোসাইন ভাইকে পাঠাই, তখন তিনি অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে আমাকে সুর ও কন্ঠ দিতে বলেন। গানের কথা গুলো এতই পছন্দ হয়েছিলো যে আমি আর দেরি না করে গানের কথাগুলোকে সুর করে ও কন্ঠ দিয়ে গানটির মিউজিক বানানোর জন্য পাঠিয়ে দিলাম সুপরিচিত মিউজিক ডিরেক্টর ‘ফাইয়াজ আহমেদ রাফি’ ভাইয়ের কাছে।

গানটিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে কন্ঠশিল্পী আরিয়ান শান্তকেই। গানটির ভিডিও ধারণ করেছেন ‘সাকিব আহমেদ সৈকত’ সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ‘রাকিব’

আরিয়ান শান্তর কাছ থেকে জানা যায়- তিনি কখনোই ট্রেন্ডিং ফলো করেন না। তার যখন একটি গানের কথা পছন্দ হয় তখনই তিনি একটি গানে কণ্ঠ দিয়ে থাকেন।

এছাড়া আরিয়ান শান্ত’র বেশ কিছু মৌলিক জনপ্রিয় গান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো মেঘনা পারে যাবো নারে, বোঝেনা কেউ মনের জ্বালা, আমার পৃথিবীটা, তোমারে ছাড়িয়া দিলাম পালের বাতাসে, তোমার মনটাকে রাঙিয়ে দেবো, যদি তোরে পাইতাম রে, মন দিও না, প্রেমের হাওয়া বয়, কন্যারে তোর মুখের হাসি, ভোরের শিশির” সহ আরো বহুল আলোচিত সব গান।

মূলত আরিয়ান শান্ত পরিচিত লাভ করেন ‘RTV ইয়ং স্টার’ নামে একটি টেলিভিশন সংগীত প্রতিযোগীতা থেকে। তারপর তিনি একে একে বেশ কয়টি প্রতিযোগিতায় বিজয় হয়েছিলেন। যেমনঃ Tr Song Star, Pranup Music Suttle সহ আরো বেশ কিছু।

ধারাবাহিকভাবে পর পর তার বেশ কিছু গান মুক্তি পাবে যেগুলোর মিউজিক ভিডিও এবং সংগীত আয়োজনের কিছু অংশের কাজ বাকি। আরিয়ান শান্ত’র স্বপ্ন তিনি সংগীতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে রিপ্রেজেন্ট করবেন।