শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

‘আলো আসবেই’ নিয়ে মুখ খুললেন গ্রুপের অ্যাডমিন শামীমা তুষ্টি

এবার মুখ খুললেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘোরবিরোধী ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের অ্যাডমিন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। উপলব্ধি শিরোনামে ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি। অবশ্য তাতেও খুব একটা ভালো ফল মেলেনি। আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের কবল থেকে মুক্তিকামী সাধারণ জনতা অভিনেত্রীকে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না। আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার গায়ে গরম জল ঢালতে চাওয়া আলো আসবেই গ্রুপের অন্যতম সদস্য […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৮:৪১

এবার মুখ খুললেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘোরবিরোধী ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের অ্যাডমিন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। উপলব্ধি শিরোনামে ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি। অবশ্য তাতেও খুব একটা ভালো ফল মেলেনি। আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের কবল থেকে মুক্তিকামী সাধারণ জনতা অভিনেত্রীকে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না।

আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার গায়ে গরম জল ঢালতে চাওয়া আলো আসবেই গ্রুপের অন্যতম সদস্য শামীমা তুষ্টি তার পোস্টে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে যা লিখতে যাচ্ছি, আমি জানি, তার জন্য আমি গালি ও ট্রোলের সম্মুখীন হতে পারি। তবুও আমি আমার পজিশন ক্লিয়ার করতে চাই।

এরপর তিনি লিখেছেন, আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই যে আমি একটা রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। এটার কারণ আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এবং ১৯৬৫ সালে বাবা মালিবাগ আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ছিলেন, তাই আমার বাড়িতে সবসময় এই পরিবেশই ছিল যেখানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আমি আমার নিজের পক্ষ ভেবেছি। আমার এই পক্ষপাতিত্ব যে ভুল তাও আমি মনে করি না। আমি মনে করি, আমি আমার অংশগ্রহণ ঠিক বিবেচনা করেই করেছি। কিন্তু এই দলের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও আমার নিজের কিছু বিচার-বিবেচনা আছে।

অভিনেত্রী লিখেছেন, আপনারা সকলেই জানেন কেউ কোনো দলের কর্মী হিসাবে কাজ করে, তখন তার সেই দলের নেতাদের কথামতো কাজ করতে হয়। সেসব দলীয় নির্দেশনার বিপক্ষে গিয়ে কাজ করার পরিস্থিতি থাকে না। এবং আমি তা করতেও চাই না দলের কর্মী হিসাবে। তাই বলে এই হত্যাকাণ্ড, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এই নৃশংসতার আমি সমর্থক নই। এক মিনিটের জন্যও ছিলাম না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে বহু কর্মীই তা ছিলেন না।

শামীমা আরও লিখেছেন, আমাদের অনেকেরই পজিশন নেয়া দরকার ছিল। অনেক আগেই দরকার ছিল। আমি জানি, আপনাদের অনেকে এই কথাতেও ক্ষুব্ধ হবেন। কিন্তু আশা করি এটা মানবেন যে, আমরা বাংলাদেশে কী ঘটছে তাও জানতে দেরি করেছি। দলীয় রাজনীতির মধ্যেও খবর ফিল্টার হয়।

এরপর তিনি লিখেছেন, যার সন্তান গেছে তার অবস্থা ভেবেছি। প্রতি মুহূর্তে আমি, আমাদের কেউ কেউ, একটা পজিশন নিতে গেছি। সেসব পজিশন কারো না কারো কারণে অন্য আরেকটা পজিশন হয়ে গেছে। আমরা বিটিভিতে গেছি শিল্পীরা সহিংসতা ও ছাত্রদের হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে , করেছেনও, তবে সেটা সংবাদে তেমন করে আসেনি, কিন্তু যা এসেছে তাতে আরও ভুল বোঝার জায়গা তৈরি হয়েছে। তবে যা দেখা গেছে সেটাও ঠিক না তা আমি বলবো না। আমরা হাসপাতালেও আহতদের দেখতে গেছি। আর তখনো আমি সকল কিছু বুঝে উঠতে পেরেছি তেমন না।

পোস্টের মাঝামাঝি অভিনেত্রী লিখেছেন, আমরা যে যাই ভাবি না কেন, দল মূলত কী কী করতে যাচ্ছে বা কী করবে, তা সম্পূর্ণ জানার উপায় আমাদের ছিল না। আমি এসব কথা বলে পক্ষ-বদলের চেষ্টা করছি না। বরং আমার দলের পক্ষে যেসব মারাত্মক ভুল ছিল আমার যে সব বোঝাবুঝি ছিল সেগুলোর কারণে আমার দোনোমনা আর পরিস্থিতির কথা আপনাদের জানাতে এসেছি। আমি একটা সংগঠন করি যেখানে সিংহভাগই এই হিংস্রতা, এই হত্যার সমর্থক নয়। কিন্তু আমাদের কোনো একটা পজিশন কীভাবে নিতে পারি তা ভাবতে ভাবতেই প্রতিদিন আরও নতুন মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন আরও বেশি করে আপনাদের থেকে দূরে সরে গেছি।

আলো আসবেই গ্রুপের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি একটা হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপে ছিলাম। সেখানেও আমি বলেছি যে সকলের সাথে গিয়ে আলাপ করতে হবে। এগুলো বন্ধ করা দরকার। কিন্তু ঘটনা এত দ্রুত ঘটছিল আমি যা সমর্থন করি না তা আপনাদের জানানোর সুযোগ পাইনি। তাছাড়া আমার অনেক সহকর্মীরাও এসবের ভিতরে ছিলেন, পরে হয়তো থাকেননি। তারাও আমাকে অনেক গালাগাল করেছেন তবু আমি বলতে চাই যে আমি আমার সহকর্মীদের জন্য অনেক কিছুই করার চেষ্টা করেছি। এখনো তাই করবো। এছাড়াও আমরা আমাদের সিনিয়র সহকর্মীদের সাথেও যোগাযোগ করতে পরিনি এক সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য। সেসব ও আমাকে ভাবিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখনও আপনাদের সামনে এসে কথা বলতে দেরি করেছি। যে ঘৃণার সম্মুখীন আমরা, যে গালাগালি আমি খেতে পারি সেসবের ভয়েই আরও আরও দেরি করে ফেলেছি। কিন্তু আমি নিজেকে বুঝিয়েছি, এইসব সমালোচনা আর গালি আর ট্রোল আমার গ্রহণ করতে হবে। আর সেসবের মধ্য দিয়েই শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে।

পোস্টের শেষের দিকে শামীমা লিখেছেন, আপনারা দয়া করে ভুল বুঝবেন না। আমি দলবদলের ইচ্ছা থেকে আসিনি। আমি যে দলে ছিলাম সেই দলের নেতৃবৃন্দের সকল কার্যক্রম যে আমি সমর্থন করি না সেটা জানাতে এসেছি। আমি জানাতে এসেছি আমি দল করলেও নিজের বিচারবুদ্ধি বিবেক-বিবেচনা বিক্রি দিয়ে আমি দল করি না। আমি অনেক দেরিতে আপনাদের সামনে এসেছি। কিন্তু আমার অনুভূতি নতুন নয়। শুরু থেকেই হচ্ছিল। আমি সত্যি সত্যি ট্রোল-গালির ভয়েই আমি আগে লিখিনি। অনেক ট্রোল আর গালি নেবার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলাম না। এখন কিছুটা কিছুটা নিজেকে সংযত করতে পেরেছি। সহ্য করার মতো ধৈর্য আশা করি আমার হবে, আপনাদের সকল কথা নেবার। সেরকম জায়গা থেকেই আমার অবস্থান আমি আপনাদের কাছে পরিষ্কার করলাম। আমি সকলের মঙ্গল কামনা করছি। শহীদদের আত্মত্যাগ যেন বাংলাদেশে বিফলে না যায় সেই প্রত্যাশা করছি।

পোস্টের শেষে নিজের নাম ও দিন তারিখ লিখে দিয়েছেন অভিনেত্রী। আলো আসবেই গ্রুপে আরও যুক্ত ছিলেন, ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। সেই তালিকায় ছিলেন— সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অরুণা বিশ্বাস, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, ফজলুর রহমান বাবু, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, নির্মাতা মিলন ভট্টাচার্য, এস এ হক অলীকসহ অনেকে।

বিনোদন

দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ, তবু বলি আলহামদুলিল্লাহ : কনকচাঁপা

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো […]

নিউজ ডেস্ক

২০ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী

আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো শিল্পীর নাম দেখা যায়নি।

প্রকাশিত তালিকা প্রকাশ পাওয়ার পর আজ দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডি ও ভেরিফাইড পেজে কয়েকটি পোস্ট করেন কনকচাঁপা। তার মধ্যে একটিতে তিনি শুধু ১১ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ শব্দটি লেখেনে। এরপর আরেকটি পোস্ট করেন তিনি, যেখানে আগের পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়ে নিজের রাজনীতি, দলের মূল্যায়ন ও দেশের হয়ে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন কনকচাঁপা।

শুরুতেই কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘জীবনের যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলি। সবই আল্লাহর ফায়সালা। সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য যুদ্ধ করলাম।

তখনও নমিনেশন না পেয়েও আলহামদুলিল্লাহ বলেছি নির্দ্বিধায়। গ্রামের মানুষের প্রবল চাহিদার জন্য আবারও গেলাম সংরক্ষিত আসনের এই প্রসেসে। সেখানেও তারা আমাকে মূল্যায়ন করলো না। তবু্ও বলি আলহামদুলিল্লাহ।’

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত না হওয়ার মধ্যেই মঙ্গল আছে বলেও মানে করেন এই সংগীতশিল্পী। তিনি লেখেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন। জীবন তো এখানেই শেষ হয়ে গেলো না। আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন আশাকরি সেভাবেই থাকবেন।’

এরপর নিজের দল বিএনপির কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি নিতান্তই সাদামাটা মানুষ। দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ। কিন্তু আমি জানি এই দেশ আমার। গান ছাড়াও এ দেশকে দেওয়ার অনেক কিছু বাকী আছে।’

মনোনয়ন না পেলেও দেশের হয়ে কাজ করে যাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আছি দেশের হয়ে, দশের হয়ে। আর কিছু যদি নাও পারি মরে গিয়ে মাটিতে মিশে মাটি উর্বর করতে পারবো নিশ্চয়ই। আমার জন্য দোয়া করবেন।’

বিনোদন

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে ডুবে না ফেরার দেশে অভিনেতা রাহুল

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে। জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা। তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৪

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে।

জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা।

তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। দিঘা হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা।
আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষে অভিনেতা দিগন্ত বাগচী জানিয়েছেন, শুটিং শেষ হওয়ার পরে তিনি পানিতে নামেন।

তিনি বলেন, “হয় ও সাঁতার জানত না, বা কোনোভাবে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ টেকনিশিয়নরা চিৎকার করতে করতে বলেন, ‘রাহুলদা ডুবে যাচ্ছে’। যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।