মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ইইই অ্যালামনাই কমিটিতে ভাঙন, ২০ সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের পদত্যাগ

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অ্যালামনাই কমিটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ৫ জুন ২০২৫ তারিখে ইইই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ২০ সদস্যবিশিষ্ট অ্যালামনাই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পর […]

ইইই অ্যালামনাই কমিটিতে ভাঙন, ২০ সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের পদত্যাগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:১৩

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অ্যালামনাই কমিটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত ৫ জুন ২০২৫ তারিখে ইইই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ২০ সদস্যবিশিষ্ট অ্যালামনাই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পর শুরুতে কয়েকটি সভা অনুষ্ঠিত হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।

কমিটির একাধিক সদস্যের অভিযোগ, প্রথম অ্যালামনাই প্রোগ্রাম আয়োজনের লক্ষ্যে একাধিকবার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও সভাপতির অসহযোগিতার কারণে কোনো তারিখেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। প্রায় ৮ মাস সময় অতিবাহিত হওয়ার পর অ্যালামনাইদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এক পর্যায়ে কমিটির সেক্রেটারিসহ মোট ১৬ জন সদস্য পদত্যাগ করেন। এত বড় সাংগঠনিক সংকটের পরও সভাপতি কার্যত কোনো প্রতিক্রিয়া বা সমাধানমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, কমিটি গঠনের পূর্বে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিযুক্ত প্রতিনিধিদের মধ্যে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল—২০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে যদি ১১ জন সদস্য অনুপস্থিত থাকেন বা পদত্যাগ করেন, তবে কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে অধিকাংশ প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই বর্তমান কমিটি বাতিল ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছেন।

অ্যালামনাই সংগঠন গঠনের প্রয়োজনীয়তার পেছনে একাধিক যৌক্তিক কারণও তুলে ধরছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ইইই বিভাগে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করতে বেশি সময় লাগে। বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু হয়নি।

এছাড়া বিভাগীয় অ্যালামনাইরা কোথায় কর্মরত, কে কোন সেক্টরে কাজ করছেন—এ সংক্রান্ত কোনো কেন্দ্রীয় তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও, ইইই বিভাগে এখন পর্যন্ত এমন কোনো উদাহরণ দেখা যায়নি।

এই সকল সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু সচেতন শিক্ষার্থীর উদ্যোগে ইইই অ্যালামনাই সংগঠন গড়ে উঠেছিল। তবে যে উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশা নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করছেন একাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

এমতাবস্থায়, ইইই বিভাগের অ্যালামনাইদের একটি বড় অংশ বর্তমান কমিটিকে কার্যত অকার্যকর ঘোষণা করে দ্রুত একটি নতুন, জবাবদিহিমূলক ও সক্রিয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে অ্যালামনাই কার্যক্রম পুনরায় চালু করার দাবি জানিয়েছেন।

কমিটি থেকে পদত্যাগ করা এক সদস্য জানান, ‘কমিটি হয়েছে আট মাস হলো, কিন্তু কমিটির কেউ কাজ করছে না এবং আমরা কাজ করার প্ল্যাটফর্ম পাচ্ছি না, এজন্য মূলত পদত্যাগ করেছি।’

পদত্যাগ করা অ্যালামনাই কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘কমিটি হয়েছে আট মাস হলো, কিন্তু সবার জন্য আমি কিছু করতে পারিনি। তারপর আমি নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করেই পদত্যাগ করেছি।

মাত্র তো আট মাস হয়েছে, খুব দ্রুত যদি অন্য কেউ আসে, তারা যদি কাজ করে, তাহলে হয়তো ভালো হবে। ভবিষ্যতে আমি অন্য কোনো অ্যালামনাই কমিটির সদস্য হয়ে বা সদস্য না হয়ে আমি কাজ করার চেষ্টা করবো।’

অ্যালামনাই কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘তারা কেন পদত্যাগ করেছে আমি তো জানি না। আর আমার বরাবর কোনো লিখিত আবেদন আসেনি। এই ব্যাপারে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাই না।’

এ বিষয়ে ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. আলী আজগর বলেন, ‘আমি কিছুদিন ছুটিতে ছিলাম। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। সবার সাথে কথা বলে জানাতে পারবো।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।