শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ইইই অ্যালামনাই কমিটিতে ভাঙন, ২০ সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের পদত্যাগ

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অ্যালামনাই কমিটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ৫ জুন ২০২৫ তারিখে ইইই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ২০ সদস্যবিশিষ্ট অ্যালামনাই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পর […]

ইইই অ্যালামনাই কমিটিতে ভাঙন, ২০ সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের পদত্যাগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:১৩

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অ্যালামনাই কমিটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত ৫ জুন ২০২৫ তারিখে ইইই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ২০ সদস্যবিশিষ্ট অ্যালামনাই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পর শুরুতে কয়েকটি সভা অনুষ্ঠিত হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।

কমিটির একাধিক সদস্যের অভিযোগ, প্রথম অ্যালামনাই প্রোগ্রাম আয়োজনের লক্ষ্যে একাধিকবার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও সভাপতির অসহযোগিতার কারণে কোনো তারিখেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। প্রায় ৮ মাস সময় অতিবাহিত হওয়ার পর অ্যালামনাইদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এক পর্যায়ে কমিটির সেক্রেটারিসহ মোট ১৬ জন সদস্য পদত্যাগ করেন। এত বড় সাংগঠনিক সংকটের পরও সভাপতি কার্যত কোনো প্রতিক্রিয়া বা সমাধানমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, কমিটি গঠনের পূর্বে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিযুক্ত প্রতিনিধিদের মধ্যে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল—২০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে যদি ১১ জন সদস্য অনুপস্থিত থাকেন বা পদত্যাগ করেন, তবে কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে অধিকাংশ প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই বর্তমান কমিটি বাতিল ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছেন।

অ্যালামনাই সংগঠন গঠনের প্রয়োজনীয়তার পেছনে একাধিক যৌক্তিক কারণও তুলে ধরছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ইইই বিভাগে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করতে বেশি সময় লাগে। বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু হয়নি।

এছাড়া বিভাগীয় অ্যালামনাইরা কোথায় কর্মরত, কে কোন সেক্টরে কাজ করছেন—এ সংক্রান্ত কোনো কেন্দ্রীয় তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও, ইইই বিভাগে এখন পর্যন্ত এমন কোনো উদাহরণ দেখা যায়নি।

এই সকল সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু সচেতন শিক্ষার্থীর উদ্যোগে ইইই অ্যালামনাই সংগঠন গড়ে উঠেছিল। তবে যে উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশা নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করছেন একাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

এমতাবস্থায়, ইইই বিভাগের অ্যালামনাইদের একটি বড় অংশ বর্তমান কমিটিকে কার্যত অকার্যকর ঘোষণা করে দ্রুত একটি নতুন, জবাবদিহিমূলক ও সক্রিয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে অ্যালামনাই কার্যক্রম পুনরায় চালু করার দাবি জানিয়েছেন।

কমিটি থেকে পদত্যাগ করা এক সদস্য জানান, ‘কমিটি হয়েছে আট মাস হলো, কিন্তু কমিটির কেউ কাজ করছে না এবং আমরা কাজ করার প্ল্যাটফর্ম পাচ্ছি না, এজন্য মূলত পদত্যাগ করেছি।’

পদত্যাগ করা অ্যালামনাই কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘কমিটি হয়েছে আট মাস হলো, কিন্তু সবার জন্য আমি কিছু করতে পারিনি। তারপর আমি নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করেই পদত্যাগ করেছি।

মাত্র তো আট মাস হয়েছে, খুব দ্রুত যদি অন্য কেউ আসে, তারা যদি কাজ করে, তাহলে হয়তো ভালো হবে। ভবিষ্যতে আমি অন্য কোনো অ্যালামনাই কমিটির সদস্য হয়ে বা সদস্য না হয়ে আমি কাজ করার চেষ্টা করবো।’

অ্যালামনাই কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘তারা কেন পদত্যাগ করেছে আমি তো জানি না। আর আমার বরাবর কোনো লিখিত আবেদন আসেনি। এই ব্যাপারে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাই না।’

এ বিষয়ে ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. আলী আজগর বলেন, ‘আমি কিছুদিন ছুটিতে ছিলাম। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। সবার সাথে কথা বলে জানাতে পারবো।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।