শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি গঠন

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অধ্যয়নরত মাদারীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘মাদারীপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ’-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ফয়সাল রহমান, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আঃ রহমান অলি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আসিফ আদনানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে […]

জবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি গঠন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:০৬

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অধ্যয়নরত মাদারীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘মাদারীপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ’-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ফয়সাল রহমান, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আঃ রহমান অলি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আসিফ আদনানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন নেতৃত্ব অনুমোদন করা হয়। একইসঙ্গে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে তা প্রকাশ করার জন্য নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

নবগঠিত এই কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে মোঃ রবিন শেখ ও আসাদ আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইমরান মাহমুদ ও খন্দকার রাকিব আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. তাহাসিনুল ইসলাম ও নয়নতারা বাড়ই, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ হান্নান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ পদে তানজিম সিয়াম এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে জুয়েল আহমেদকে রাখা হয়েছে।

কমিটিতে আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হিসেবে আনিকা তাসিন খান এবং নারী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সাদিয়া নুসরাত লাবণ্য মনোনীত হয়েছেন।

নবনির্বাচিত সভাপতি ফয়সাল রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি চাই মাদারীপুর জেলার প্রতিটি শিক্ষার্থী আগামী দিনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে। তারা তাদের মেধা, বুদ্ধি, কর্মদক্ষতা ও সাহস দিয়ে চলমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অংশীদার হবে।

যা প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীর প্রত্যাশা। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ আমাদের পরিপূর্ণ পরিবেশ প্রদান করতে পারছে না। তাছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমাবদ্ধতা প্রচুর, তাই সেই সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে আমরা আমাদের ক্যারিয়ারকে সুন্দরভাবে গঠন করতে পারি সেই লক্ষ্যে মাদারীপুরের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিয়ে একত্রে কাজ করতে চাই।”

সাধারণ সম্পাদক আ. রহমান অলি বলেন, “আমরা এই জেলা কল্যাণকে সকল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক করে একটা পরিবারের মত হয়ে, একতা বজায় রেখে সবাইকে নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হতে চাই। আমাদের এই কল্যাণমূলক সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে কিভাবে সকল শিক্ষার্থীদের যাবতীয় সমস্যা সমাধান করা যায় এবং যেকোন প্রয়োজনে তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করা যায়।”

সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ আদনান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “মাদারীপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবগঠিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আমি সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আমার মূল লক্ষ্য হলো মাদারীপুরের ছাত্রকল্যাণে কাজ করার জন্য পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামোকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে তোলা। আমরা নতুন সদস্য যুক্ত করে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও ঐক্যবদ্ধ করব, এবং সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের কার্যক্রমের প্রসার ঘটাব।

ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যা সমাধানে এবং তাদের শিক্ষা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকব। আমি আশা করি, সকলের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আমরা মাদারীপুরের ছাত্রসমাজের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারব।”

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল মাদারীপুর জেলা নয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো সংকটে পাশে দাঁড়ানো এবং জেলার নতুন শিক্ষার্থীদের আবাসন ও শিক্ষা সহায়তায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবে এই কমিটি। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই আংশিক কমিটিকে একটি দক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ কাঠামোতে রূপ দেওয়ার কাজ শেষ করা হবে।

প্রসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আঞ্চলিক ছাত্র সংগঠনগুলো মূলত নিজ জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাসে আগত নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে কাজ করে থাকে। মাদারীপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও কল্যাণমূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।