শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

সাত বছর পর ডা. জাফরুল্লাহর স্বপ্ন পেল বাস্তব রূপ : গকসুর শপথ গ্রহণ সম্পন্ন

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা সাত বছরের দীর্ঘ বিরতির পর গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) আবার ফিরে এসেছে গণতন্ত্রের স্বর। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে জন্মেছে নেতৃত্বের নতুন উদ্যম, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) শুরু করেছে তার নবযাত্রা। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৪১৭ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় গকসুর নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। দিনটির আনুষ্ঠানিকতা […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ অক্টোবর ২০২৫, ২২:১৩

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা

সাত বছরের দীর্ঘ বিরতির পর গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) আবার ফিরে এসেছে গণতন্ত্রের স্বর। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে জন্মেছে নেতৃত্বের নতুন উদ্যম, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) শুরু করেছে তার নবযাত্রা।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৪১৭ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় গকসুর নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

দিনটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীত ও গকসুর থিম সং পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।

শপথ শেষে নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান বলেন, “দীর্ঘ সাত বছর পর অনুষ্ঠিত হলো গবি’র ৪র্থ ছাত্র সংসদ নির্বাচন।

আমরা অধীর আগ্রহে এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলাম। এখন আমাদের দায়িত্ব শুরু। আমি চাই গণ বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় পর্যায়ে এমনভাবে উপস্থাপন করতে, যেন সবাই গর্ব করে চিনতে পারে। এটিই গবি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি জবাবদিহিতার রাজনীতি করতে এসেছি। শিক্ষক-শিক্ষার্থী-প্রশাসন সবাইকে সমন্বয় করেই আমরা শিক্ষার্থীদের অধিকার ও ক্যাম্পাসের ইতিবাচক পরিবেশ রক্ষায় কাজ করব।”

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মো. রায়হান খান বলেন, “গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাস রেখে আমরা শিক্ষার্থীদের সেবা দেব। এই সংসদ যেন প্রকৃত অর্থে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠ হয়ে কাজ করে, সেটিই আমাদের অঙ্গীকার।”

তিনি প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, “স্যার আমাদের শেখালেন, শিক্ষক যেমন প্রতিনিধি রাখেন, ছাত্রদেরও কণ্ঠ থাকা জরুরি। তাঁর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলেই আজ আমরা গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে পেরেছি।”

শপথ অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, “এবারের ভোট ছিল সম্পূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু। ২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রায় ৩০০ পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে নির্বাচন পরিচালিত হয়। আমি আমার জীবনে এত শান্তিপূর্ণ ভোট দেখিনি।”

তিনি বলেন, “কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো এমন সাহস দেখাতে পারেনি। উপাচার্য স্যারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই এটি সম্ভব হয়েছে।”

সভাপতির বক্তব্যে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, “এটা আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অবদান। তিনি বলতেন, শিক্ষকদের প্রতিনিধি আছে, কিন্তু ছাত্রদের কণ্ঠ কে তুলবে? তাই ছাত্র সংসদ নির্বাচন অবশ্যই দিতে হবে। তাঁর জীবদ্দশায় না হলেও আমরা আজ তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন ছিল অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু। এজন্য ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা অনন্য। যারা দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তাদের শ্রমের মূল্য অর্থে দেওয়া সম্ভব নয়।”

নবনির্বাচিতদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, “আপনারা সবাই মিলেমিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করবেন। এটিই আমাদের প্রত্যাশা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে। আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী একই পরিবারের সদস্য।”

প্রসঙ্গত, সাত বছরের বিরতির পর গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ২৫ সেপ্টেম্বর। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবনির্বাচিত সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপাচার্যের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয় দেশের বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্যবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে। উল্লেখযোগ্য, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র গণ বিশ্ববিদ্যালয়ই নিয়মিতভাবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে আসছে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।