সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গণরুম সংস্কৃতির অবসান, জাহাঙ্গীরনগরে নিরাপদ ও আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা

হাবিবুর রহমান সাগর,জাবি প্রতিনিধি বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। সম্প্রতি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা বিশিষ্ট ছয়টি নতুন হল চালু হওয়ায় এখানে আবাসিক সুবিধার পরিধি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মোট ২১টি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীরা সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষা শাখার তথ্য অনুযায়ী, […]

নিউজ ডেস্ক

০২ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:২৫

হাবিবুর রহমান সাগর,জাবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। সম্প্রতি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা বিশিষ্ট ছয়টি নতুন হল চালু হওয়ায় এখানে আবাসিক সুবিধার পরিধি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মোট ২১টি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীরা সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষা শাখার তথ্য অনুযায়ী, এসব হলে আসন সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৭৯টি, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার। অর্থাৎ, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়। ।

এ বছর ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৮৮৮ শিক্ষার্থীর জন্য শতভাগ আবাসন বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা। তিনি বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ নিয়ে কোনো জটিলতা হয়নি। সবাই নিজেদের আসনে উঠতে পেরেছে, যা আমাদের জন্য আনন্দের।”

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ১০ তলা বিশিষ্ট হলগুলোতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। প্রতিটি হলে রয়েছে- লিফট ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা, ,পাঠাগার ও কমনরুম, খাবার ঘর ও ক্যান্টিন, ওয়াই-ফাই সংযোগ,

আধুনিক স্যানিটেশন সুবিধা, এসব সুবিধার কারণে শিক্ষার্থীরা শুধু সিটই পাচ্ছেন না, বরং নিরাপদ ও অনুকূল আবাসন পরিবেশ পাচ্ছেন।

নতুন শিক্ষার্থীরাও এ সুযোগে সন্তুষ্ট। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সাবিদ আবদুর রহমান জানান, “আমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে সিট পেয়েছি। আগে শুনতাম জাবি পুরোপুরি আবাসিক, আজ তা নিজে অনুভব করতে পারছি। ভর্তি হয়েই সিট পাওয়া আমার জন্য সৌভাগ্যের।”

তবে পুরোনো শিক্ষার্থীদের অভিমত ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, অতীতে প্রশাসনের নীরব সম্মতিতে আবাসন সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হতো। রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের প্রভাবশালী কর্মীরা কক্ষ দখল করে রাখতেন, এমনকি অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীও অবৈধভাবে হলে অবস্থান করতেন। তাদের মতে, এ ধরনের সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ অপরিহার্য।

শতভাগ আবাসন নিশ্চিত হলেও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। তারা চান- প্রতিটি হলে আধুনিক পাঠাগার ও আইটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা হোক। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ইনডোর স্টেডিয়াম এবং ওপেন-এয়ার থিয়েটার থাকুক।

পরিবেশবান্ধব আবাসন নিশ্চিত করতে হলে সোলার প্যানেল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট চালু করা হোক। নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হোক। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য কাউন্সেলিং সেন্টার ও হেলথ কেয়ার সুবিধা শক্তিশালী করা হোক।

এ প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা দীর্ঘ সময় নিশ্চিত হয়নি।

গত কয়েক দশকে গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রশাসনিক ও সামাজিক সহযোগিতায় শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। আমরা চাই ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।